বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০, ০৯:০১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ফেনী প্রেসক্লাবের সভাপতি জসীম মাহমুদ দৈনিক স্টার লাইন’র সহযোগী সম্পাদক করোনার মধ্যেই এক মাসে ১০৭ ধর্ষণ দেশে বাড়ছে ডিভোর্সের সংখ্যা, এগিয়ে নারীরা থানায় নিয়ে যুবলীগ নেতাকে মারধর, হাসপাতালে ভর্তি, ওসি প্রত্যাহার ঘুরে ফিরে ইয়াবা কারবারে সেই বদির নাম রুমিন ফারহানা করোনায় আক্রান্ত শিক্ষা দিবস উপলক্ষে ইবি ছাত্র মৈত্রীর বই পাঠ ও সেরা লেখকপ্রতিযোগিতা এ যেন ‘আয়নাবাজি’, কুমিল্লায় টাকার বিনিময়ে কারাগারে ‘নকল আসামি’ কুমিল্লায় একসাথে ৫ সন্তানের জন্ম দিলেন মা আমি সৎ, দক্ষ ও সজ্জন: স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি তিন সাক্ষী ও চার সহযোগীসহ প্রদীপ ৭ দিনের রিমান্ডে প্রশ্নবিদ্ধ করোনা বুলেটিন বন্ধ : সরকারের তামাশা থেকে জনগণ মুক্তি পেয়েছে ……..আ স ম রব কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজা সহ দুইজন গ্রেফতার!! গাইবান্ধায় ১১ টি ইউনিটের কমিটির অনুমোদন করলো ছাত্রদল ইসলামপুরে বন্যায় আমন বীজতলা সংকটে হতাশায় কৃষকরা

অক্ষয় তৃতীয়া সম্পর্কে একটি পুরানিক মাহাত্ম্য

উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি
ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির একবার মহামুনি শতানিককে অক্ষয় তৃতীয়া তিথির মাহাত্ম্য কীর্তন করতে বললেন ।
শতানিক বললেন পুরাকালে খুব ক্রোধসর্বস্ব , নিষ্ঠুর এক ব্রাহ্মণ ছিলেন । ধর্মকর্মে তার বিন্দুমাত্র আগ্রহ ছিলনা । একদিন এক দরিদ্র ক্ষুধার্ত ব্রাহ্মণ তার নিকট অন্ন এবং জল ভিক্ষা চাইলেন । রণচন্ডী হয়ে ব্রাহ্মণ কর্কশ স্বরে তাঁর দুয়ার থেকে ভিখারীকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিলেন আর বললেন যে অন্যত্র ভিক্ষার চেষ্টা করতে ।
ক্ষুধা-পিপাসায় কাতর ভিখারী চলে যেতে উদ্যত হল ।
ব্রাহ্মণ পত্নী সুশীলা অতিথির অবমাননা দেখতে না পেরে দ্রুত স্বামীর নিকট উপস্থিত হয়ে ভরদুপুরে অতিথি সত্কার না হলে সংসারের অমঙ্গল হবে এবং গৃহের ধন সমৃদ্ধি লোপ পাবে … একথা জানালেন ।
স্বামীর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে ভিখারীকে তিনি ডাক দিলেন এবং ভিখারীর অন্যত্র যাবার প্রয়োজন নেই সে কথা জানালেন । সুশীলা ত্রস্তপদে তার জন্য অন্নজল আনবার ব্যবস্থা করলেন । কিছুপরেই তিনি অতিথি ভিক্ষুকের সামনে সুশীতল জল এবং অন্ন-ব্যঞ্জন নিয়ে হাজির হলেন । ভিখারী বামুন অতীব সন্তুষ্ট হলেন এবং সে যাত্রায় সুশীলাকে আশীর্বাদ করে সেই অন্নজল দানকে অক্ষয় দান বলে অভিহিত করে চলে গেলেন ।
বহুবছর পর সেই উগ্রচন্ড ব্রাহ্মণের অন্তিমকাল উপস্থিত হল । যমদূতেরা এসে তার শিয়রে হাজির । ব্রাহ্মণের দেহপিঞ্জর ছেড়ে তার প্রাণবায়ু বের হ’ল বলে । তার শেষের সেই ভয়ঙ্কর সময় উপস্থিত । ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় তার কন্ঠ ও তালু শুকিয়ে গেল । তার ওপর যমদূতেদের কঠোর অত্যাচার । ব্রাহ্মণ তাদের কাছে দুফোঁটা জল চাইল এবং তাকে সে যাত্রায় উদ্ধার করতে বলল ।
যমদূতেরা তখন একহাত নিল ব্রাহ্মণের ওপর ।
তারা বলল ” মনে নেই ? তুমি তোমার গৃহ থেকে অতিথি ভিখারীকে নির্জ্জলা বিদেয় করেছিলে ?”
বলতে বলতে তারা ব্রাহ্মণকে টানতে টানতে ধর্মরাজের কাছে নিয়ে গেল ।
ধর্মরাজ ব্রাহ্মণের দিকে তাকিয়ে বললেন ” এঁকে কেন আমার কাছে এনেছ্? ইনি মহা পুণ্যবান ব্যক্তি ।বৈশাখমাসের শুক্লা তৃতীয়া তিথিতে এনার পত্নী তৃষ্ণার্ত অতিথিকে অন্নজল দান করেছেন । এই দানঅক্ষয় দান ।
সেই পুণ্যে ইনি পুণ্যাত্মা । আর সেই পুণ্যফলে এনার নরক গমন হবেনা । ব্রাহ্মণকে তোমরা জল দাও । এনার প্রাণবায়ু নির্গত হতে দাও । শীঘ্রই ইনি স্বর্গে গমন করবেন। উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

020445
Users Today : 1515
Users Yesterday : 961
Views Today : 3187
Who's Online : 109
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone