সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
অজুহাত দেখিয়ে মে’য়েরা বিয়ের প্রস্তাবে ল’জ্জায় গো’পনে ১০টি কাজ করে তামিমা স’ম্পর্কে এবার চা’ঞ্চল্যকর ত’থ্য দিল তার মেয়ে তুবা নিজেই ছে’লে: “বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোনদিন শোধ হয় না গবেষণা করতে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন পাঁচ সন্তান নিয়ে কানাডিয়ান নারী স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে ‘শেষ চিঠি’ নিয়ে আসছে ইয়াশ-দীঘি রিতেশ আমাকে বিয়ে করতে চেয়ে আর আসেনি: রাখি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আর অংশ নেবে না বিএনপি নওগাঁর মহাদেবপুরে সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত সুইস ব্যাংকে কার কত টাকা, তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট প্রাক প্রাথমিক ছাড়া সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৩০ মার্চ খোলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে কোন শ্রেণির কতদিন ক্লাস? তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা কুড়িগ্রামে বর্ণিল কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এসএসসি ব্যাচ ‘৮৬র সম্মেলন সমাপ্ত সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ  পক্ষ থেকে ৫ গুনি ব্যক্তিকে স্বঃস্বঃ কর্মক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান পাবনায় ডিসিআই-আরএসসি ও ফারাজ হোসেন ফাউন্ডেশন’র যৌথ উদ্যোগে ‘বিনামূল্যে চক্ষু শিবির’ অনুষ্ঠিত

আওয়ামী লীগের কালোতালিকাভূক্ত ও বিতর্কিত ৫ জেলার ৩৮৯ নেতাকর্মীর তালিকা

আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনে প্রায় ৫ হাজার অনুপ্রবেশকারী ও বিতর্কিত নেতাদের নামের তালিকা হয়েছে। এমন খবরে বেশ শঙ্কায় আছেন কেন্দ্র থেকে শুরু করে তৃণমূলের অনেক নেতা। নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তারা। তালিকায় কাদের নাম আছে, তাদের ভবিষ্যৎ কী, আগামী কমিটিতে থাকতে পারবেন কি না, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না, প্রাথমিক সদস্যপদ থাকবে কি না- এমন অনেক প্রশ্ন। জবাব পেতে দলটির নীতিনির্ধারকদের কাছে ছুটছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা। আর যারা তালিকাভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন- তারা নিজেদের নাম বাদ দিতে চালাচ্ছেন নানা তৎপরতা। তবে তাদের এসব চেষ্টা পুরোপুরি নিষ্ফল হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির একাধিক শীর্ষ নেতা। তারা জানান, এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে হাইকমান্ড। এমনকি তালিকায় যাদের নাম এসেছে, তাদের কেউ প্রভাবশালী নেতা হলেও ক্ষমা নেই। যুগান্তর

নীতিনির্ধারকরা আরও জানান, অনুপ্রবেশের সঙ্গে বিতর্কিত নেতাদের নামও তালিকায় উঠে এসেছে। এ সংখ্যা কমপক্ষে ২ হাজার। এছাড়া সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনেও অনুপ্রবেশের সংখ্যা দেড় হাজারের উপরে। সব মিলে হাইকমান্ডের তালিকায় প্রায় ৫ হাজার নেতাকর্মীর নাম রয়েছে। এসব নামের তালিকা এখন ৮ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের হাতে। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার হাতে দেড় হাজার ব্যক্তির একটি তালিকা পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, তালিকাভুক্ত নেতারা নতুন কোনো কমিটিতে পদ পাবেন না। পাশাপাশি নিষিদ্ধ থাকছেন জাতীয় ও তৃণমূল কাউন্সিলে। চলতি মাস থেকে এসব পদক্ষেপ কার্যকর হচ্ছে। আরও জানা গেছে, যেসব বিষয় বিবেচনা করে অনুপ্রবেশকারী ও বিতর্কিতদের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- বিএনপি-জামায়াত-শিবির থেকে যারা এসেছেন, চিহ্নিত টেন্ডার ও চাঁদাবাজ, চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, চিহ্নিত ভূমিদস্যু, যাদের ভাবমূর্তি খারাপ, নেতিবাচক রাজনীতির জন্য যারা জনবিচ্ছিন্ন এবং খুন-ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত।

জানা যায়, আওয়ামী লীগের জেলা, উপজেলা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়নসহ তৃণমূলের প্রতিটি কমিটিতেই রয়েছেন অনুপ্রবেশকারী ও বিতর্কিতরা। শুধু তাই নয়, দলের অঙ্গ-সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর কেন্দ্র থেকে শুরু করে সব স্তরের কমিটিতেও বিএনপি, জামায়াত ও ফ্রিডম পার্টিসহ বিভিন্ন দল থেকে ঝাঁকেঝাঁকে ঢুকেছেন অনেকে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগসহ এর অঙ্গ-সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর কমিটিও অনুপ্রবেশকারীতে ভরা। দল টানা প্রায় ১১ বছর ক্ষমতায় থাকায় তুলনামূলক বেশি সুযোগ- সুবিধাভোগীও এ অনুপ্রবেশকারীরাই।

এছাড়াও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন জেলা-উপজেলা কমিটিতে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের সন্তান এবং নাতি-নাতনিরা ঢুকে পড়েছে। মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ও হয়েছে বিভিন্ন কমিটিতে। পরে দলীয় পদ ব্যবহার করে টেন্ডার, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন এসব অনুপ্রবেশকারীরা। নিজস্ব বলয়ের মাধ্যমে প্রভাব-প্রতিপত্তি টিকিয়ে রাখতে দলের মন্ত্রী-এমপিরা এসব অনুপ্রবেশকারী ও বিতর্কিতদের স্থান দিয়েছেন, নৌকার বিরোধিতা করিয়েছেন আবার অনেক স্থানে নৌকা তুলে দিয়ে জনপ্রতিনিধি বানিয়েছেন।

জানা গেছে, মূল দল এবং অঙ্গ-সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর অনেক স্থানেই অনুপ্রবেশকারীরা নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে উঠলে তাদের বিষয়ে দলীয়ভাবে এবং একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে খোঁজ নেন খোদ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরই তালিকা তৈরি করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, সংখ্যা তথ্যটা বিষয় নয়। প্রধানমন্ত্রীর তালিকায় যারাই রয়েছেন তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আগামী সম্মেলনে তালিকায় থাকা অনুপ্রবেশকারী, বিতর্কিতরা কেউই কমিটিতে স্থান পাবেন না। এটা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত হবে। সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাদের নাম প্রধানমন্ত্রীর তালিকায় আছে। তালিকাভুক্তদের প্রাথমিক সদস্যপদ থাকবে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, কমিটিতে থাকছে না, এটা নিশ্চিত। সদস্যপদের বিষয়টি পরে দেখা যাবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দলে অনুপ্রবেশকারীদের একটি তালিকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ তত্ত্বাবধানে করেছেন। এরা যেন আওয়ামী লীগের কোনো পদে আসতে না পারে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। সারা দেশে এখন দলের সম্মেলন হচ্ছে, এ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব আসবে। সেখানে যাতে অনুপ্রবেশকারী বা বিতর্কিত বা অপকর্মকারীরা আসতে না পারে, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। সেই তালিকা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এদিকে অনুপ্রবেশকারী ও বিতর্কিত ৩৮৯ জনের নামের একটি তালিকা পাওয়া গেছে। সেই তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দলের ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছেন- এমন নেতাদের নাম স্থান পেয়েছে। বিভিন্ন মামলা-হামলা থেকে মুক্ত হতে কারা এখন আওয়ামী লীগে ভিড়েছেন তাদের নামও বিস্তারিতভাবে তালিকায় তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া তালিকায় থাকা নেতার নাম, পিতার নাম, বর্তমান ঠিকানা, মোবাইল নম্বরও সংযোজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনুপ্রবেশকারী আওয়ামী লীগে যোগদানের পূর্বে কোন দলে জড়িত ছিলেন তা উল্লেখ করা হয়েছে। পূর্বের দল/সংগঠনের তার পদ-পদবি, যোগদানকৃত নেতাকর্মীদের পরিবারের সদস্যদের (দাদা, নানা, বাবা, চাচা, ফুফু বা খালা ইত্যাদি) রাজনৈতিক তথ্য, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তার পরিবারের সদস্যদের (দাদা, নানা, বাবা, চাচা, ফুফু বা খালা ইত্যাদি) ভূমিকা ছক আকারে সংযুক্ত হয়েছে সংশ্লিষ্ট নেতার বিবরণে। আওয়ামী লীগে যোগদান করার পর দলে তার পদ-পদবি ও দলীয় কার্যক্রমে তার সম্পৃক্ততার বর্ণনাও আছে এতে। আওয়ামী লীগে যোগদান করার পর তারা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন কিনা (উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, মেয়র ইত্যাদি), হয়ে থাকলে তার বিস্তারিত তথ্য আছে তালিকায়। সেখানে মামলাসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রায় ৩ বছর আগে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর হাত ধরে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. রশিদুল ইসলাম শাহ। তিনি শুক্রবার বলেন, সে সময় মন্ত্রীর হাতে ফুল দিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেই। এখন আমি উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। প্রধানমন্ত্রীর তালিকায় তার নাম রয়েছে।

৩৮৯ জনের তালিকা : যে ৩৮৯ জন অনুপ্রবেশকারী ও বিতর্কিত নেতার নামের তালিকা হাতে এসেছে সেগুলোর মধ্যে রংপুর জেলায় ২২, দিনাজপুরে ১১৫, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩০, নীলফামারীতে ১৩ এবং লালমনিরহাটে ১০৯ জন রয়েছেন। এ তালিকায় যেসব দল থেকে তারা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনে যোগদান করেছেন সেসব দলের নামও উল্লেখ আছে। সে অনুযায়ী নিচে তালিকাভুক্ত নেতাদের নাম নিচে দেয়া হল:

রংপুর জেলা : শাহ মো. মোশাররফ হোসেন মোশা (বিএনপি), মো. আবদুর রউফ (বিএনপি), মো. সমতুল্লাহ (বিএনপি), মো. আবদুর রহিম (বিএনপি), মো. আবদার হোসেন (বিএনপি), শাহ মো. রফিকুল ইসলাম (বিএনপি), মো. আ. আউয়াল মেকার (বিএনপি), মো. সোলেমান আলী (বিএনপি), মো. দুলাল মেম্বার (বিএনপি), মো. কেরামত আলী (বিএনপি), মো. আ. হাই (বিএনপি), মো. আ. রহিম (বিএনপি), মো. আবুল কালাম আজাদ (বিএনপি), মোছা. কল্পনা বেগম (বিএনপি), মো. আল-আমিন (বিএনপি), মো. হারুন মিয়া (বিএনপি), মো. হারুন মিয়া (বিএনপি), মো. রাজা মিয়া (বিএনপি), মাওলানা আবুবক্কর সিদ্দিক (জামায়াত), মো. মোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু (জামায়াত), মোছা. আয়েশা বেগম (জামায়াত), মো. শরিফুল ইসলাম মুকুল (জামায়াত), মোছা. জুলেখা বেওয়া (জামায়াত)।

দিনাজপুর জেলা : মো. মজিবর রহমান (বিএনপি), আমিনুল ইসলাম মাস্টার (বিএনপি), মো. জিল্লুর রহমান (বিএনপি), মহসীন আলী (বিএনপি), মো. শামসুল হক সামু (শিবির), হুমায়ুন (বিএনপি), দুলাল প্রামাণিক (বিএনপি), বকুল মণ্ডল (বিএনপি), মো. নুর ইসলাম (বিএনপি), হাবিবুর রহমান (বিএনপি), মো. জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি), মো. মেহেরুল ইসলাম (বিএনপি), মো. মহসিন আলী রয়েল (বিএনপি), মো. আইয়ুব আলী (বিএনপি), মো. আকবর আলী (বিএনপি), মো. ইকবাল হোসেন (বিএনপি), মো. মানিক মাস্টার (বিএনপি), মো. আকতার মণ্ডল (বিএনপি), মো. মোখলেছুর (বিএনপি), মো. আতাউর রহমান (বিএনপি), মো. আ. রহমান (বিএনপি), মো. তহুবার রহমান (বিএনপি), মো. মালেক সরদার (বিএনপি), কাজী সিরাজুল ইসলাম (বিএনপি), মো. বাবলু সরদার (বিএনপি), মো. আমিনুল ইসলাম (বিএনপি), মো. আ. খালেক (বিএনপি), মো. আ. রাজ্জাক (বিএনপি), মো. শহিদুজ্জামান শাহ (বিএনপি), মো. নুর ইসলাম (বিএনপি), মো. নুর ইসলাম (বিএনপি), মোছা. আহেনা বেগম (বিএনপি), মো. দলিল উদ্দিন (বিএনপি), মীর সিদ্দিক আলী (বিএনপি), মো. আবদুল মজিদ (বিএনপি), মো. মোকছেদুল হক (বিএনপি), মো. রশিদুল ইসলাম শাহ (বিএনপি), মো. মোরশেদুল হক (বিএনপি), মো. হাসান আলী (বিএনপি), মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (বিএনপি), মো. মাছুম উদ্দিন (বিএনপি), মো. নুরুল উদ্দিন (বিএনপি), মোছা. মেরিনা বেগম (বিএনপি), মোছা. মালেকা খাতুন (বিএনপি), মো. আলতাব হোসেন (বিএনপি), মো. আ. ছালাম (বিএনপি), মো. আ. সাত্তার (বিএনপি), জহুরুল হক (বিএনপি), মোছা. বেবী বেগম (বিএনপি), মো. জহুরুল হক (বিএনপি), মো. খোরশেদ আলম (বিএনপি), মো. আবুল কাশেম মণ্ডল (বিএনপি), মো. নজরুল ইসলাম (বিএনপি), মো. আবদুল্লাহ (বিএনপি), মো. কাশেম আলী (বিএনপি), মো. রাসেল (বিএনপি), মো. সুরত আলী (বিএনপি), মো. আতিকুল (বিএনপি), মো. রশিদুল (বিএনপি), মো. আজিজুল (বিএনপি), মো. তরিকুল ইসলাম (বিএনপি), মো. আজিজ মিয়া (বিএনপি), মো. আকরাম হোসেন (বিএনপি), মো. আ. মালেক (বিএনপি), হাসেন আলী (বিএনপি), ফরহাদ হাসান চৌধুরী ঈগলু (বিএনপি), মো. খায়রুল আলম বাদশা (বিএনপি), মো. নুর আলম (বিএনপি), মো. খাদেমুন নবী চৌধুরী বাদল (বিএনপি), মো. রবিউল ইসলাম চৌধুরী (বিএনপি), মো. মাসুদ জাহাঙ্গীর (বিএনপি), মো. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী (বিএনপি), মো. মাহাবুব রহমান খান (বিএনপি), মো. মোজাফফর আহম্মেদ মানু (বিএনপি), মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন (বিএনপি), মো. রফিক মোল্লা (বিএনপি), মো. মিজানুর রহমান মিজান (বিএনপি), মো. মোকছেদ আলী (বিএনপি), মো. নূর আলম মিঠু (বিএনপি), ওহেদুর রহমান ডাব্ল– (বিএনপি), মো. হাবিবুর রহমান হবি (বিএনপি), মো. মঞ্জুর আলম (বিএনপি), মো. আসাদুজ্জামান আসাদ (বিএনপি), মো. নুরু উদ্দিন (বিএনপি), মো. রিয়াজুল ইসলাম (বিএনপি), মো. দেলোয়ার মাস্টার (বিএনপি), মো. রিয়াজুল ইসলাম (বিএনপি), মো. জুয়েল (বিএনপি), মো. ফয়জুল আলম চৌধুরী (বিএনপি), মো. নওশাদ সালাম চৌধুরী (বিএনপি), মো. আবু তাহের মূসা (বিএনপি), আলহাজ মো. এজাজ আহম্মেদ সোনা (বিএনপি), আলহাজ আকিল আহম্মেদ (বিএনপি), মো. মজিবর রহমান (বিএনপি), মো. মহিউদ্দিন আহম্মেদ (বিএনপি), মোছা. আঞ্জুয়ারা বেগম ময়না (বিএনপি), মো. হারুন অর রশিদ (বিএনপি), আতাউর রহমান (বিএনপি), সেকেন্দার আলী দুলাল (বিএনপি), মো. আলী মণ্ডল (বিএনপি), মো. সিরাজুল ইসলাম (বিএনপি), মো. শহিদুল ইসলাম (বিএনপি), মো. সামশুল আলম (বিএনপি), মো. আ. রহিম মিয়া (বিএনপি), মো. আ. রউফ (বিএনপি), মো. আতিয়ার রহমান (শিবির), মো. সোহরাব হোসেন (জামায়াত), বাবুল হোসেন (বিএনপি), ছানাউল ইসলাম (ছাত্রদল কর্মী), মো. জাকিরুল (শিবির), কাওসার আলী (বিএনপি), আনিছুর রহমান (শিবির), মমিন (জামায়াত), সাফিউল ইসলাম (শিবির), মাফুজার রহমান (জামায়াত)।

ঠাকুরগাঁও জেলা : মো. আবদুল আজিজ (বিএনপি), মো. রোমান বাদশা (বিএনপি), কামরুজ্জামান টিটু (ছাত্রদল), মো. রাশেদুল ইসলাম (বিএনপি), মো. রুহুল আমিন (যুবদল), মো. তফিল উদ্দিন (বিএনপি), মো. মিজানুর রহমান (বিএনপি), মো. মাহাবুব (বিএনপি), মো. সোলেমান আলী (বিএনপি), মো. সাহাদত হোসেন (বিএনপি), মো. তসলিম উদ্দিন (বিএনপি), মো. আবদুল গফুর (বিএনপি), মো. রুহুল আমিন (বিএনপি), মো. আবদুর রহমান (বিএনপি), মো. বসির উদ্দিন (বিএনপি), অ্যাডভোকেট আবু হাসান (যুবদল), মো. শরিফ উদ্দিন (বিএনপি), মো. ইউসুফ আলী (বিএনপি), মো. রশিদুল ইসলাম (বিএনপি), মো. রফিকুল ইসলাম (বিএনপি), মো. দবির (বিএনপি), মো. আফসার আলী (বিএনপি), মো. বলজার রহমান (বিএনপি), মো. ফারাজুল ইসলাম (বিএনপি), মো. আ. কাদের (বিএনপি), মো. আনোয়ার হোসেন (বিএনপি), মো. আবদুল গফুর (বিএনপি), মো. আলাল উদ্দীন মাস্টার (বিএনপি), মো. আবদুল গফুর (বিএনপি), মো. মকবুল হোসেন (বিএনপি), মো. দেলোয়ার হোসেন (বিএনপি), মো, মতিয়ার রহমান (বিএনপি), মো. রেজওয়ানুল হক (বিএনপি), মো. আল মামুন (বিএনপি), মো. আবদুল হক (বিএনপি), মো. সাইদুল হক (বিএনপি), মো. আজিজুর রহমান (বিএনপি), মো. নুর জামাল (বিএনপি), মো. লিয়াকত আলী (বিএনপি), মো. আল আমিন (বিএনপি), মো. আল আমিন (বিএনপি), মো. হাসান আলী (বিএনপি), মো. শাহিনুর রহমান (বিএনপি), মো. আশরাফ আলী (বিএনপি), মো. মকছেদ আলী (বিএনপি), মো. সাইফুল ইসলাম (বিএনপি), মো. ময়নুল হক (বিএনপি), মো. রানা (বিএনপি), মো. ছালেফুল (বিএনপি), মো. বেলাল (বিএনপি), মো. হেলাল (বিএনপি), মো. আনিছুর রহমান (বিএনপি), মো. লিটন (বিএনপি), মো. নূর আলম (বিএনপি), মো. আসাদুল্লাহ আল পাবিল (সবুজ) (বিএনপি), মো. আনোয়ার হোসেন (বিএনপি), মো. খলিল হোসেন (বিএনপি), মো. আরিফ আলী (বিএনপি), মো. রানা (বিএনপি), মো. জামাল (পাইকার) (বিএনপি), মো. লুৎফর রহমান (বিএনপি), মো. বাবু হোসেন (বিএনপি), মো. ফারুক হোসেন (বিএনপি), মো. রুহুল আমিন (বিএনপি), মো. আল আমিন (বিএনপি), মো. খাদেমুল ইসলাম (বিএনপি), মো. আমিরুল ইসলাম আমু (বিএনপি), মো. আকতাবুল ইসলাম আতা (বিএনপি), মো. আবদুল কাদের (বিএনপি), মো. নঈম উদ্দিন (বিএনপি), মো. পায়েল (বিএনপি), মো. আলমগীর (বিএনপি), মো. সালাফি (বিএনপি), মো. রকিব হাসান (বিএনপি), মো. আপন (বিএনপি), মো. রুবেল (বিএনপি), মো. মকলেছুর রহমান (বিএনপি), মো. ফারুক হোসেন (বিএনপি), মো. হাসান আলী (বিএনপি), মো. আবুল হোসেন (বিএনপি), মো. দেলোয়ার হোসেন (বিএনপি), মো. আজিজুল হক (বিএনপি), মো. রমজান আলী (বিএনপি), মো. আজগর আলী (বিএনপি), মো. ফয়জুল হক (বিএনপি), মো. রাজু ইসলাম (বিএনপি), মো. জব্বার (বিএনপি), মো. রফিকুল ইসলাম (বিএনপি), মো. আলম ইসলাম (বিএনপি), মো. আমু রহমান (বিএনপি), মো. মোতালেব হোসেন (বিএনপি), মো. খাদেমুল ইসলাম (বিএনপি), মো. জামাল উদ্দীন (বিএনপি), মোছা. লাভলী আক্তার (বিএনপি), মোছা. আনিসা বেগম (বিএনপি), মোছা. নূর জাহান (বিএনপি), মোছা. সালিমা বেগম (বিএনপি), মোছা. করিমা বেগম (বিএনপি), মো. এন তাজুল ইসলাম (বিএনপি), মো. শফিউল ইসলাম (বিএনপি), মো. মঈনুল ইসলাম (বিএনপি), মো. আবুল কাশেম (বিএনপি), মো. মাহাবুব (বিএনপি), মোছা. লিপি বেগম (বিএনপি), মোছা. শিল্পী বেগম (বিএনপি), মোছা. মালেকা বেগম (বিএনপি), মোছা. জোসনা বেগম, মোছা. নারগিস বেগম (বিএনপি), মো. আবদুল কাদের (বিএনপি), মো. নঈমুদ্দীন (বিএনপি), মো. আলমগীর (বিএনপি), মো. সোহেল শাহা (বিএনপি), মো. দুলু মাস্টার (বিএনপি), মো. সামশুদ্দিন (বিএনপি), মো. মোজাম্মেল হক (বিএনপি), মো. ফজলুল হক (বিএনপি), মো. গোলাম ফারুক (বিএনপি), মো. তোফাজ্জাল হোসেন (বিএনপি), মো. ওয়াজেদ আলী (বিএনপি), মো. আবদুস ছাত্তার (বিএনপি), মো. জমশেদ আলী (বিএনপি), মো. ফারজু (বিএনপি), মো. বজলুর রহমান (বিএনপি), মো. সুলতান (বিএনপি), মো. জাহাঙ্গীর (বিএনপি), মিঠুন চন্দ্র বর্মণ (বিএনপি)।

নীলফামারী জেলা : মো. শরিফ ইবনে ফয়সাল মুন (বিএনপি), মো. আ. লতিফ খান (বিএনপি), তফেল উদ্দিন (বিএনপি), গোলাম রব্বানী (বিএনপি), মিজানুর রহমান (বিএনপি), মাহাবুব আলম খান (বিএনপি), কামরুল ইসলাম (বিএনপি), আবুজার রহমান (বিএনপি), আবু আনছার (বিএনপি), আ. মান্নান (বিএনপি), দুলাল আলম (বিএনপি), মো. রুহুল আমিন (বিএনপি)।

লালমনিরহাট জেলা : মো. নান্নু মিয়া (বিএনপি), মো. শামছুল হক (বিএনপি), মো. আবদুল কুদ্দুস (যুবদল), মো. আবদুল জব্বার আলী (যুবদল), মো. আবদুস সাত্তার আলী (যুবদল), মো. জালাল মিয়া (যুবদল), মো. রজব আলী (যুবদল), মো. নায়েব আলী (যুবদল), মো. সালামত আলী (যুবদল), মো. মোজাম্মেল হক (যুবদল), মো. রাজু মিয়া (যুবদল), মো. স্বপন মিয়া (যুবদল), মো. সাইদুল হক (যুবদল), মো. আবদুস সালাম মিয়া (যুবদল), কেরামত আলী (যুবদল), মো. হোসেন আলী (যুবদল), মো. নয়ন মিয়া (যুবদল), মো. শাহ আলম ভুট্টু (যুবদল), মো. আনোয়ার হোসেন (যুবদল), মো. মফিজুল হক (যুবদল), মো. সুলতান আলী (যুবদল), মো. ইসরাইল হক (যুবদল), মো. মন্টু মিয়া (যুবদল), মো. হামিদুল (যুবদল), মো. সাদেক মিয়া (যুবদল), মো. রাশেদুল (যুবদল), মো. জাহাঙ্গীর আলী (যুবদল), মো. রহিম বাদশা (যুবদল), মো. রমজান আলী (যুবদল), মো. মনিরুজ্জামান রুবেল (যুবদল), মো. লিটন মিয়া (যুবদল), মো. স্বপন (যুবদল), পাল সিংহ (যুবদল), মো. রোমান (যুবদল), মো. রবি (যুবদল), মো. আবুল হোসেন (যুবদল), তনু (যুবদল), মো. মনির হোসেন (যুবদল), মো. আরিফ (যুবদল), মো. হামিদুল (যুবদল), মো. সজীব (যুবদল), কৌশিক (যুবদল), মো. আল আমিন (যুবদল), মো. সাইদুল হোসেন (যুবদল), মো. মেহেদী হাসান (যুবদল), মো. রাকিব হাসান রনক (যুবদল), মো. মেহেদী হাসান শামীম (যুবদল), মো. সোহাগ হাসান (যুবদল), চয়ন (যুবদল), ছোট চয়ন (যুবদল), মো. নোমান হাসান (যুবদল), মো. রিফাত হোসেন (যুবদল), ফিরোজ আহম্মেদ (যুবদল), মো. বাঁধন (যুবদল), মো. সাইফুল (যুবদল), মো. মোক্তারুল (যুবদল), মো. রাসেল (যুবদল), মো. রাজু (যুবদল), মো. শাহীন (যুবদল), মো. হাসেম (যুবদল), মো. মনিরুজ্জামান (যুবদল), মো. রুবেল (যুবদল), মো. সাব্বির (যুবদল), মো. নুরুন্নবী (যুবদল), মো. এনামুল (যুবদল), মো. সাদ্দাম (যুবদল), দীপক চন্দ্র (যুবদল), মো. আনিছ (যুবদল), মো. জুয়েল (যুবদল), মো. আলিফ (যুবদল), মো. আশিকুর (যুবদল), মো. মুন্না (যুবদল), মো. রেজাউল (যুবদল), মো. মমিনুল (যুবদল), মো. আসাদুল (যুবদল), মো. রহিম (যুবদল), মো. আসাদ (যুবদল), মো. হানিফ (যুবদল), মো. মোফাজ্জল হোসেন (যুবদল), মো. হাসিদুল (যুবদল), মো. জলিল (যুবদল), মো. আবদুল কাদের (যুবদল), মো. মানিক (যুবদল), মো. খোরশেদ (যুবদল), মো. শাহিনুর (যুবদল), মো. আজিজুল ইসলাম (যুবদল), মো. রেজাউল ইসলাম (যুবদল), মো. সুমন মিয়া (যুবদল), মো. জামাল মিয়া (যুবদল), মো. রবিউল ইসলাম (যুবদল), মো. মিজানুর রহমান (যুবদল), মো. সুমন সরকার (যুবদল), মো. গোলাম কিবরিয়া রিপন (ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক), মো. ছপিয়ার রহমান (উপজেলা বিএনপির সমাজকল্যাণ সম্পাদক), মো. তমিজার মাস্টার (জিয়া পরিষদের সদস্য), মো. আবদুল মান্নান (বিএনপি), মো. মশিয়ার রহমান পিন্টু (বিএনপি)।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38339977
Users Today : 3308
Users Yesterday : 0
Views Today : 11107
Who's Online : 82
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/