রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
সম্প্রতি এক সমীক্ষায় বিছানায় মেয়েরাই বেশি নোংরা বড় ধরনের দরপতনের মধ্যে কমেই যাচ্ছে স্বর্ণের দাম ৪১তম বিসিএসে যে ২৫ জন প্রিলিমিনারি দিতে পারছেন না শূন্য পদে ৫৬ জন নিয়োগ দিচ্ছে ডিএসসিসি ১৬৫০ কর্মকর্তার দ্রুত নিয়োগ চেয়ে মন্ত্রিপরিষদে চিঠি অভিযোগ সাবেক ইউএনও’র বিরুদ্ধে: বন্ধ নির্মাণকাজ অভয়নগরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর গৃহহীনদের বসতঘর নির্মাণে অনিয়ম বেনাপোলে ৫কেজি ভারতীয় গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বেনাপোলে বাস-প্রাইভেট মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত-৫ সাপাহারে হাঁপানিয়া সীমান্তে বিজিবির হাতে আটক-১০ আজীবন সদস্য সম্মাননা পেলেন নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ৫০তম বর্ষে কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতা থেকে গান উদ্বোধন খানসামায় সাদা সোনা খ্যাত রসুনের বাম্পার ফলন হলেও দাম নিয়ে শঙ্কায় চাষীরা রৌমারীতে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে ‘পাওয়ার থ্রেসার’ বিতরণ বেনাপোল স্থলবন্দরের অন্যতম সংগঠনের নির্বাচনে ভোট গ্রহন চলছে শান্তিপূর্ণ ভাবে পলাশবাড়ীতে স্ত্রী’র কন্যা সন্তান হওয়ায় ১৪ দিনের মাথায় তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী’কে বিয়ে. অতঃপর

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রগান্ডা ছড়াচ্ছে ওরা কারা !

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি
রাজশাহী অঞ্চলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিনিধি রাজশাহী-১ আসনের সাংসদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ও শহীদ পরিবারের সন্তান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীর বিরুদ্ধে কোনো সুনিদ্রিণ্ট তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই মাদকের পৃষ্ঠপোষক, রাজাকার পুত্র, আওয়ামী লীগের চেতনাবিরোধী, জামায়াত-বিএনপি আশ্রয়-প্রশয়দাতা ইত্যাদি অভিযোগ উঙ্খাপন করে প্রগান্ডা ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের একশ্রেণীর বিপদগামী নেতা। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল বলছে, এসব অভিযোগ উঙ্খাপন করা হয়েছে কার বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা যার ওপর পূর্ণ আস্থা-বিশ্বাস ও ভরসা রেখে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব যার হাতে তুলে দিয়েছেন সেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অর্থাৎ প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই। আর যারা এসব প্রগান্ডা ছড়াচ্ছে তারা অনেক আগেই আওয়ামী লীগের মূলধারা থেকে বেরিয়ে গিয়ে জামায়াত-বিএনপির আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় তাদেরই বি-টিম হয়ে কাজ করছে। এছাড়াও ভূয়া ফেসবুক আইডি থেকে গোদাগাড়ী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদসহ আওয়ামী লীগের আদর্শিক ও মূলধারার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা-ভিত্তিহীন ও মানহানিকর প্রচারণা করা হচ্ছে। অথচ এরা দল, নেতা, নেতৃত্ব, আদর্শ, নীতি-নৈতিকতা ভূলে জামায়াত-বিএনপির কালো টাকার কাছে বিক্রি হয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বেঈমানী করে জাতীয় সংসদ, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ তথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনিত প্রার্থীর নৌকা প্রতিকের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন। কিšত্ত আওয়ামী লীগের ভরসা ও প্রাণ তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভালবাসার কাছে বেঈমানরা বার বার পরাজিত হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, রাজনৈতিক এসব বেঈমানরা মূলধারার যেসব আদর্শিক নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা করছে আওয়মী লীগের রাজনীতিতে মূলধারার সেসব নেতার কি অবদান আর এসব বেঈমানদের কি অবদান রয়েছে সেটা বিশ্লেসণ করলেই পরিস্কার হয়ে যাবে এসব রাজনৈতিক বেঈমানদের আসল উদ্দেশ্যে কি ? আবার এসব বেঈমানদের বিরুদ্ধে সরকারী খাস জমি ও পুকুর জবরদখল, বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে টেন্ডার, অবৈধ তদ্বির ও চাঁদাবাজী, হাট-ঘাট-বালুমহাল-মাদক স্পটে চাঁদাবাজী, স্থানীয় নির্বাচনে নেতাকর্মীদের মনোনয়নের ও বেকারদের চাকরির প্রলোভন দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়া,বদলী বাণিজ্য ইত্যাদি অভিযোগের কথা আলোচনা হচ্ছে। জামায়াত-বিএনপির দূর্গ রাজশাহীতে আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিক ভাবে শক্তিশালী করতে যেখানে বিশিস্ট ব্যবসায়ী বা শিল্পপতি আদর্শিক মূলধারার নেতারা হাজার বা লাখ নয় কোটি কেটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন এখানো করছেন, সেখানে মূলধারার বাইরে গিয়ে রাজনৈতিক বেঈমানরা হঠাৎ কোটিপতি হয়েছেন তবে এরা কোনো বড় ব্যবসায়ী-শিল্পপতি বা আমলা নয় তাহলে তাদের হঠাৎ কোটিপতি বনে যাওয়ার আয়ের উৎস্য কি ? অথচ এমপি ফারুক চৌধূরীর বিরুদ্ধে কেউ একটা প্রমাণ দিতে পারবেন না তিনি কোনো মানুষের বা সরকারী সম্পত্তি দখল করেছেন, টেন্ডার-চাঁদাবাজী, বদলী বাণিজ্য-মনোনয়ন বাণিজ্য,দলীয় কর্মসূচির নামে চাঁদাবাজী ইত্যাদি বা তার দ্বারা কোনো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এমন তথ্য কেউ দিতে পারবেন না,তাহলে পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ সম্পন্ন কর্মী-জনবান্ধব এই নেতার বিরুদ্ধে যারা মিথ্যা প্রচারণা করছেন তারা কারা ? তাদের উদ্দেশ্যে কি ? আসলে এরা কি ? আওয়ামী লীগের ভাল চাই কখানোই না ?
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছে, রাজশাহী-৪ আসনের সাংসদ প্রকৌশলী এনামুল হকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া বা তার বিরোধীতা করায় যদি বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম সান্টুকে দল থেকে বহিস্কার করা হয় দলের শৃংঋলা ও চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে। তাহলে যারা জেলা সভাপতির বিরোধীতা করে তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সভা-সমাবেশে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রগান্ডা ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে দলের হাইকমান্ড নিরব কেন-? এটা কি সাংগঠনিক পরিপন্থী নয় ? আবার জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল পদে থেকে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে যারা প্রকাশ্যে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে মিথ্যা-ভিত্তিহীন অভিযোগ উঙ্খাপন করে দল, নেতা ও নেতৃত্বের প্রতি অসম্মান দেখাচ্ছেন নৈতিকভাবে তারা কি ? আওয়ামী লীগের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থাকতে পারেন ? দল পরিচালনা করতে গিয়ে নেতৃত্ব নিয়ে সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠতেই পারে এটাই স্বাভাবিক। কিšত্ত দলীয় ফোরামে আলোচনা বা দলের হাইকমান্ডের কাছে নালিশ না করে রাজনীতির মাঠে প্রকাশ্যে সভা-সমাবেশে সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য দেয়া কি দলের গঠনতন্ত্র পরিপন্থী নয় এর দায় নিবে কে ?
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ভিআইপি এই সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী, বিলাস ও প্রচার বিমূখ, সৎ রাজনৈতিকের প্রতিকৃতি, কর্মী-জনবান্ধব, আদর্শিক ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশস্ত নেতৃত্ব আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধূরীর বিরুদ্ধে মিথ্যা-ভিত্তিহীন-বানোয়াট অভিযোগের পাহাড় দাঁড় করানো হয়েছে। জামায়াত-বিএনপির আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতায় আওয়ামী লীগের কিছু বিপদগামী নেতার সমন্বয়ে গড়ে উঠা একটি সিন্ডিকেট এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে এসব গায়েবী অভিযোগ উঙ্খাপন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে জননন্দিত ও গণমানুষের নেতা এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে একের পর এক এসব গায়েবী অভিযোগের খবর প্রচার পর এই জনপদের মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
প্রথম অভিযোগ এমপি ফারুক রাজনীতিতে ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বজনপ্রীতি করেছেন। অথচ এটা ডাহা মিথ্যা কথা বাংলাদেশে ফারুক চৌধূরীই একমাত্র রাজনৈতিক নেতা যিনি তার পরিবার থেকে একাই রাজনীতি করেন। কারণ তার স্ত্রী-সন্তান তো দুরের কথা তার ভাই-বোনদেরই এই জনপদের মানুষ চেনেন না তারা রাজনীতিও করেন না তাহলে এমপি স্বজনপ্রীতি করলেন কিভাবে ?
দ্বিতীয় অভিযোগ, তিনি জামায়াত-বিএনপির আশ্রয়-প্রশ্রয় দাতা এটা ডাহা মিথ্যা। কারণ এমপি ফরুকের নেতৃত্বেই রাজশাহী জামায়াত-বিএনপির আঁতুড়ঘর ভেঙ্গে আওয়ামী লীগের বসতঘরে পরিণত করা হয়েছে। দেশ স্বাধীনের পর তার রাজনৈতিক দূরদশী সম্পন্ন নতৃত্বে এবারই প্রথম তানোরের ৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় আওয়ামী লীগ এবং বির্তকিত নির্বাচনে ১টি পৌরসভায় বিএনপি বিজয়ী হয়েছে, গোদাগাড়ী উপজেলাতেও প্রায় একই অবস্থা। তাছাড়া এমপি ফারুক চৌধূরী আওয়ামী লীগে আশার আগের ও পরের অবস্থান পর্যালোচনা করলেই বেরিয়ে আসবে তিনি আদর্শিক আওয়ামী লীগ না জামায়াত-বিএনপির প্রশ্রয়দাতা এটার জন্য রাজনীতি বিশেষজ্ঞ হবার প্রয়োজন নাই।
তৃতীয় অভিযোগ, তিনি টাকার বিনিময়ে জামায়াত-বিএনপির নেততর্মীদের চাকরি দিয়েছেন সেটাও ভিত্তিজীন। তিনি তো সরাসরি কাউকে চাকরি দেননি, চাকরি দিয়েছেন উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন কমিটির নেতারা। তারা প্রার্থী ঠিক করে তাকে চাকরি দেয়ার জন্য এমপির কাছে সুপারিশ করেছেন আর তিনি দলের এসব নেতার সুপারিশ সমর্থন করেছেন মাত্র তাহলে এখানে এমপি ফারুকের কথা আসছে কোনো। কারণ এই দায় তো ওইসব নেতার যারা এদের চাকরির জন্য এমপির কাছে সুপারিশ ও তদ্বির করেছেন। অথচ এমপি ফারুক বিনা পয়সায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-পুলিশের এসআই থেকে শুরু করে প্রাথমিক স্কুলের দপ্তরি হিসেবে অসংখ্য মানুষকে চাকরি দিয়েছেন। এছাড়াও নির্বাচনী এলাকায় চাকরির মেলা করে বিনা পয়সায় হাজার হাজার বেকারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন যেটা নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি মানুষ জানেন।
চতুর্থ অভিযোগ তিনি আওয়ামী লীগের চেতনাবিরোধী এটাও ভূয়া কারণ রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে অবৈধ অর্থের মোহে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল অনেক নেতা দল,নেতা ও নেতৃত্বের প্রতি অসম্মান দেখিয়ে প্রকাশ্যে দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। অথচ একমাত্র এমপি ফারুক চৌধূরী আদর্শিক নেতৃত্ব তিনি দল,নেতা ও নেতৃত্বের কোনো বেঈমানী না করে শেষ পর্যন্ত দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন।
পঞ্চম অভিযোগ, তিনি মাদকের পৃষ্ঠপোষক যেটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত প্রগান্ডা ব্যতিত কিছু নয়। কারণ মাদক ও অসামাজিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে এমপি ফারুক চৌধূরীর অবস্থান সব সময় জিরো ট্রলারেন্স। তার কঠোর অবস্থান ছিল সব ধরণের অশ্লীলতা-বেহায়াপনা, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে যা এখানো রয়েছে। এমপি নির্বাচিত হবার পর তিনি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় লটারি জুয়া, যাত্রা-পুতুল নাচের নামে অশ্লীল নুত্যর আসর ও অপসংস্কৃতির অসুস্থ প্রতিযোগীতা বন্ধ করে দিয়েছেন। বাঙ্গালির নিজস্ব সংস্কৃতি ও সুস্থ বিনোদের জন্য এসবের পরিবর্তে তিনি প্রচলন করেছেন বিজ্ঞান মেলা, স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগীতা, বৈশাখী মেলা, বইমেলা, চাকরির মেলা, উন্নয়ন মেলা, নবান্ন ও পিঠা উৎসব ইত্যাদি।
ষষ্ঠ অভিযোগ তিনি রাজাকার পুত্র এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও জঘন্যতম অপ্রপ্রচার। কারণ তার বাবা শহীদ আজিজুল হক চৌধূরী ও চাচা মুকবুল হক চৌধূরীকে পাকিস্থানি হানাদার বাহিনী ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তার মামা জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান হেনা।
সপ্তম অভিযোগ তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রিডম পার্টির নেতা ছিলেন এটাও বানোয়াট। কারণ ফরুক চৌধূরী ১৯৮২ সালে লেখপড়া শেষ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে এসেছেন, আর ১৯৮৭ সালে রাজশাহীতে ফ্রিডম পার্টির আর্বিভাব ঘটেছে।
অষ্টম অভিযোগ তার মালিকানাধীন উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহত ও সিসি ক্যামারে দ্বারা আধূনিক নিরাপত্তা বেষ্ঠিত ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থিম ওমর প্লাজায় মাদক ব্যবসায়ীরা ফ্ল্যাট ও দোকান কিনেছেন তাই সেখানে মাদকের কারবার হয়। এটিও ডাহা মিথ্যা কারণ সে ধুমপান নিষেধ। এছাড়াও সেটি একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান তাদের শর্ত পুরুণ ও অর্থ বিনিয়োগ করে যে কেউ ফ্ল্যাট বা দোকানের মালিক হতে পারেন। তাই কে মাদক ব্যবসাযী, কে চোরাকারবারী, কে সরকারী কর্মকর্তা ইত্যাদি দেখার বিষয় থিম ওমর প্লাজা কর্তৃপক্ষের নয়। এটি শুধুমাত্র তার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সুনামক্ষুন্ন করতে উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত অপপ্রচার ও প্রগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে।
নবম অভিযোগ ফারুক চৌধূরী দলীয় সভায় আসেন না ও সংগঠনকে সময় দেন না এটাও বানোয়াট। কারণ জেলা সভাপতি হিসেবে যদি তিনি সংগঠনকে সময় না দেন তাহলে রাজশাহীতে সংগঠন আওয়ামী লীগ এতো শক্তিশালী ও গতিশীল হয়েছে কি ভাবে। যদি তায় হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে তৃণমূল থেকে অভিযোগ আশার কথা কিšত্ত সেটা নয় ঘুরেফিরে একই ব্যক্তির এসব অভিযোগ।
দশম অভিযোগ নিয়োগ বাণিজ্য এটাও মিথ্যা ও বানোয়াট অপপ্রচার। কারণ জায়গার অভাবে একটি সরকারী পলিটেনিক ইন্সটিটিউট যখন ফিরে যাবার উপক্রম তখন তিনি তানোরের মানুষের কথা বিবেচনা করে তার ব্যক্তিগত কয়েক কোটি টাকা মূল্যর সম্পতি দান করেছেন। এছাড়াও এমপির সম্মানি ভাতার টাকা তিনি এখানো এলাকার অসহায়-দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করে আসছেন তাহলে কিসের লোভে কি লালসায় তিনি নিয়োগ বাণিজ্য করবেন তার তো কোনো অবৈধ অর্থলিপসা নাই।
এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, এমপি আলহাজ্ব ফারুক চৌধূরীর বিরুদ্ধে তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই যত অভিযোগ উঙ্খাপন হয়েছে সবগুলো ওই একটি সিন্ডিকেট চক্রের। আর এর মধ্যে দিয়ে এটাই প্রমাণ হয়েছে আসলে এমপি ফারুকের পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজক্ষুন্ন ও সমাজে তাকে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতেই তার বিরুদ্ধে এসব গায়েবী অভিযোগ। ফলে এই জনপদের মানুষ বঙ্গবন্ধু কন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, যারা তার মনোনিত নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা-বানোয়াট অপপ্রচার ও প্রগান্ডা ছড়িয়ে দল, নেতা ও নেতৃত্বের অবমাননা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী করেছেন। এছাড়াও যারা এমপি ফারুকের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ উঙ্খাপন করেছেন বরং তাদের অনেকের বিরুদ্ধে খাস জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ, হাট-ঘাট-মাদক স্পট ও বালুমহাল ইত্যাদি থেকে চাঁদাবাজির কথা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচার বা আলোচনা রয়েছে বলে একাথিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। রাজশাহী-১ আসনের নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।#

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38366195
Users Today : 795
Users Yesterday : 6910
Views Today : 2993
Who's Online : 22
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/