বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রথম ধাপে ৩৭১ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট ১১ এপ্রিল পাপুলের আসনে ভোট ১১ এপ্রিল এইচ টি ইমামের বর্ণাঢ্য জীবন শাস্তি পেলেন জামালপুরের সেই বিতর্কিত ডিসি চলে গেলেন এইচ টি ইমাম মূলধন সংকটে পড়েছে ১০ ব্যাংক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবউল্লাহ জাহিদ (মিঞা) স্বরণে – – – – সাফাত বিন ছানাউল্লাহ্ তানোরে মেয়রের  গণসংবর্ধনায় গণরোষ  !  রাজারহাটে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সংবাদ সম্মেলন চসিক মেয়রের সাথে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের সাক্ষাৎ রাজশাহী মতিহার থানার প্রাকাশ্য চাঁদাবাজীর নেপথ্যের কারিগর কে এএসআই ফিরোজ ৭ই মার্চের ভাষন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষন —আফতাব উদ্দিন সরকার এমপি রৌমারীতে সাংবাদিক পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ “ভারত ভাগে বাংলার বিয়োগান্তক ইতিহাস” বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত সাঁথিয়ায় মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত পুড়ে গেছে ২ টি ঘর,২টি ষাঁড়,১৩টি ছাগল

আওয়ামী লীগে মোস্তাক প্রেত্তাত্বার আবির্ভাব তৃণমুলে আর্তনাদ

আলিফ হোসেন,তানোর

রাজশাহী-১ আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে মোস্তাক প্রেতাত্বের আর্বিভাব ঘটেছে এতে আওয়ামী লীগের তৃণমুলে চরম অসন্তোষ, আর্তনাদ এবং হৃদয়ে হচ্ছে রক্তক্ষরণ দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া। আদর্শিক দাবিদার একশ্রেণীর মতলববাজ নেতার আদর্শহীন কর্মকান্ডে এসব ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃস্টি হয়েছে। আবার শহীদ পরিবারের সন্তান এমপি ফারুক চৌধুরীকে এরা কখানো রাজাকার পুত্র, আওয়ামী লীগের চেতনাবিরোধী ইত্যাদি বলে সমালোচনা করছে। কিন্ত্ত কেন-? এমপি কখানো  কি কারো জমি দখল বা কারো নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে, কখানো কি অর্থের বিনিময়ে পদ বাণিজ্যে বা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, এমপির সঙ্গে থেকে কোনো নেতাকর্মী কি দেউলিয়া হয়েছে এসব কিছুই হয়নি তাহলে তিনি চেতনাবিরোধী হলেন কি বিবেচনায়-? অথচ এমপির ছায়ায় থেকে যারা টাকার কুমির এখন তারাই  এমপির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে অপপ্রচার করছে। কিন্ত্ত কেনো তারা কি একটি উদাহারণ দিতে পারবেন রাব্বানী-মামুনের সঙ্গে থেকে কোনো নেতাকর্মী উপকৃত হয়েছে বা দলের সাংগঠনিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এদিকে তৃণমুল একশ্রেণীর চিহ্নিত রাজনৈতিক বেঈমানদের ছাঁটাই করে আদর্শিক নেতৃত্বের মাধ্যমে কমিটি গঠনের দাবি করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভাপতির কাছে আকুল আবেদন করেছেন। স্থানীয় সুত্র জানায়, স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারক চোধুরীর অবৈধ অর্থলিস্পা না থাকায় দলের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা একটিচক্র এমপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। সুত্র জানায়, বিগত দিনে তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন তাদের অনুগতদের এমপির বিরুদ্ধে দলের সভাপতির কাছে লিখিক অভিযোগ করে প্রমাণে ব্যর্থ হয়।এছাড়াও রাজশাহী জেলা বিএনপির সম্পাদক ও মুন্ডুমালা পৌর মেয়র (তৎকালীন) প্রয়াত শীষ মোহাম্মদের হাতে হাত রেখে তারা ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে মুন্ডুমালা কলেজ চত্ত্বর শহীদ মিনারে শপথ নেয় ফারুক চৌধুরীকে রাজনীতি থেকে শরিয়ে দেবার। অথচ এমপি তাদের এতো বড় অপরাধ ক্ষমা করে তাদের উপরেই সভাপতি-সম্পাদকের দায়িত্ব রেখে গোলাম রাব্বানীকে উপজেলা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়।কিন্ত্ত সম্পাদক মামুন বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে রাব্বানীর পরাজয় নিশ্চিত করে, একই বছরে তানোর পৌর নির্বাচনে পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকারকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়,কিন্ত্ত সভাপতি ইমরুল হক বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে প্রদিপের পরাজয় নিশ্চিত করে। এছাড়াও  জাতীয় সংসদ, জেলা পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা, পাঁচন্দর ও  কলমা ইউপি নির্বাচনে রাব্বানী-মামুন তাদের অনুগতদের নিয়ে প্রকাশ্যে নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ভোটের মাঠে কাজ করেছে।

স্থানীয়রা বলছে, তানোরের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশ্বাসঘাতক খুনি মোস্তাক গং আদলে বেঈমান চক্রের আবির্ভাব ঘটেছে। জানা গেছে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালো রাতে বাঙ্গালী জাতির জনক ও মহান স্বাধীনতার স্থপত্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে বেঈমান ও বিশ্বাসঘাতক খন্দকার মোস্তাকের দোসররা। ফলে ১৫ আগস্ট বাঙালী জাতির জীবনে কলঙ্কময় অধ্যায়। আবার সেই একই বিশ্বাসঘাতক চক্র এক্সটেনশান হয়ে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কালোরাতে জেলখানায় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাতীয় চার নেতাকে হত্যার মধ্যদিয়ে জেল হত্যাকান্ড ঘটিয়ে জাতীর জীবনে চাপিয়ে দেয় আরেক কলঙ্কময় অধ্যায়। এদিকে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, এই দিনে আমরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কে হারিয়েছি- ৩ নভেম্বর জাতীয় জেল হত্যা দিবস এই দিনে আমরা জাতীয় চার নেতাকে হারিয়েছি। প্রশ্ন কাদের জন্য ? যারা দল, নেতা এবং নেতৃত্বের সঙ্গে বেঈমানী ও  বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন তাদের জন্য। তাদের ভাষ্য ,২০২০ সালে এসে রাজশাহী-১ আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে ১৯৭৫ সালের খন্দকার মোস্তাক গং আদলে বেঈমান-বিশ্বাসঘাতক (দুস্টু) চক্রের আর্বিভাব ঘটেছে। রাজনৈতিক আদর্শ, নীতিনৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে নিজের  স্বার্থে সংগঠন নষ্ট করে যারা ক্ষমতার স্বাদ বা দলের নাম ভাঙ্গিয়ে লুটপাট করে টাকার কুমির হতে চাই এরা কারা। মোস্তাক গংয়ের উদ্দেশ্যে ছিল বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করা, এদের উদ্দেশ্যে এমপি ফারুক চৌধুরীকে সরিয়ে দিয়ে আওয়ামী লীগকে দুর্বল করে পদবাণিজ্যসহ লুটপাট করা। যারা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে  দেশের মানুষের ক্ষতি করেছিল তারা ছিল তাদের কাছের মানুষ,  যারা এমপির ক্ষতি করতে চাই তারাও এমপির কাছের মানুষ,পার্থক্য শুধু বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা ওইসব কুলাঙ্গারদের ষড়যন্ত্র বুঝতে পারেনি, তবে এমপি ফারুক চৌধুরী এসব কুলাঙ্গারদের ষড়যন্ত্র বুঝতে পেরে রামায়ণী চাঁটি দিয়ে  বিতাড়িত করেছে। #

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38351569
Users Today : 4358
Users Yesterday : 2714
Views Today : 13777
Who's Online : 56

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/