সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বাংলাদেশি শিক্ষকদের আমেরিকান ফেলোশিপের আবেদন চলছে ঘরের কোন জিনিস কতদিন পরপর পরিষ্কার করা জরুরি কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্মম নির্যাতন, পায়ুপথে মাছ ঢুকানোর চেষ্টা পদ্মায় ভেসে উঠল শিশুর মরদেহ ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল বোনের ৭ দিনের সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসতে পারে টার্গেট রমজান মাস তৎপর হয়ে উঠেছে ‘ভিক্ষুক চক্র’ মামুনুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে মিলেছে ৩ ডায়েরি এই ফলগুলো খেয়েই দেখুন! বাস নেই-লঞ্চ নেই, বাড়িতে যাওয়াও থেমে নেই কঠোর লকডাউনেও খোলা থাকবে শিল্প-কারখানা গৃহকর্মীসহ ৯জন করোনায় আক্রান্ত, খালেদার জন্য কেবিন বুকিং বাংলাদেশে করোনা মৃত্যুতে আজও রেকর্ড, বেড়েছে শনাক্ত ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ফ্লাইট বন্ধ সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসছে

আপনি বিয়ে না করে থাকলে অবশ্যই এই লেখাটি পড়ুন পুরোটা, নইলে পরে বিপদে পরবেন, আপসোস করবেন নিজেই

স্বামীর ব্য়স স্ত্রীর বয়সের দ্বিগুণ হবে এটা বেশ কিছু কাল আগেও ছিল স্বাভাবিক বিষয়। শিক্ষিত মানুষদের ক্ষেত্রে বয়সের কম ব্যবধানে বিয়ে করার প্রবণতাও বেড়ে চলেছে। বিয়ে মানে এখন শুধু সন্তানের জন্ম নয়। বিয়ে মানে সর্বাঙ্গিন সুখ দুঃখ, হাসি-আনন্দ, সফলতা – বিফলতা সবকিছুই সমান ভাগিদার খোঁজা। তাই সম বয়সী মানুষদের বিয়ে এখন বেশি দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে পড়াশোনা বা চাকরি করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা, মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁধা।

সমবয়সী স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সবকিছু শেয়ার করা যায়। নিজের ভালো লাগার বিষয়গুলো তার সাথে মিলে যায় সহজেই। কিন্তুু সবসময় ব্যাপারগুলো একই রকম থাকে না। পরতে পারে অনেক বিপাকে। তাই তো সম বয়সী বিবাহ মেনে নিতে চান না অনেক অভিভাবকেরা। কিন্তুু কমন সমস্যা আমরা খুব সহজেই দেখতে পাই, যা বিষিয়ে তুলতে পারে দানপত্ত জীবন।

চলুন দেখে নিই সমস্যাগুলো কি কি?
অনেক সময় দেখা যায় অনেক সম বয়সী স্বামী স্ত্রীর কাছে ভ্রাতৃ তুল্য হয়।কিন্তুু পুরুষ টির আচরণে এসে পড়ে কর্তৃত্ব। যেহেতু নারী টি ওই পুরুষটির থেকে পরিনত তাই শুরু হয়ে যায় দিদিগিরি। ফলে এর থেকেই সূচনা হয় সংঘাত।

আবার এমনও হয় যুক্তি বুদ্ধি দিয়ে বেড়ে উঠা মেয়েটির চিন্তা-ভাবনা কে সম্মান দেখানোর ক্ষমতা থাকে না পুরুষটির। মেয়েদের যেহেতু পারিপার্শ্বিক অবস্থা বোঝার ক্ষমতা একটু বেশী, ছেলে টির তুলনায় মেয়ে টি বেশি সচেতন তখন থেকেই সৃষ্টি হয় দানপত্ত জীবনের মতভেদ। একে অপরকে সম্মান দিতে নারাজ। আবেগের ভাটা পড়লে সম্পর্কের পরিনতি হয় ডিভোর্সে।

এই সংঘাতের মধ্যে দিয়ে কেউ টিকে গেলে আসে আর এক ঝামেলা। দুজনেরই বয়স যখন 40-45 এর মধ্যে মেয়েদের জীবনের এটি একটি টার্নিং পয়েন্ট। নানা স্বাভাবিক সমস্যা দেখা দেয় এই সময়। সন্তান ধারণের ক্ষমতা হারায়। স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাওয়া, ও ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটে। একই সঙ্গে চলে মানসিক সমস্যা। তারা ভাবতে শুরু করে যে তাদের দেওয়ার আর কিছুই নেই। মনে চলে আসে বিষন্নতা। প্রাকৃতিক কারণে নারীর আগে পরিনত হওয়ায় বার্ধক্য আগেই এদের গ্রাস করে। এবং এই সময়ে পুরুষ টি তখন টাট্টু ঘোড়া। মধ্য দুপুরে পুরুষ টি তখন চরম অসহায়। দিশেহারা দানপত্ত জীবনে চলে আসে অশান্তি। এবং এর পরিনতি হয় ডিভোর্স।
তাই বলা যায় সম বয়সী বিয়ে মানেই হল জীবনে অশান্তি কে নিজে থেকে ডেকে আনা।

আমরা সকলেই জানি বিয়ের সিদ্ধান্ত একটা সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত। চানক্য নীতির কথা অনুযায়ী বিবাহের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনাদের কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে ভাবনা চিন্তা করা উচিত। প্রতিটি সমাজের ই কোনো না কোনো কথন রয়েছে বিবাহের ব্যাপারে।আবার অনেকের দেখেছি বিবাহের পরে অশান্তি সৃষ্টি হয় ।সংসার বিষময় হয়ে উঠে কয়েকটা বিবাহের ভুল সিদ্ধান্তে।

1. চানক্যের মতে কোনো নারী যতই নিচু জাত থেকে আসুক না কেন যদি তার মধ্যে সত্‍ মানবিকতা বা ভালো স্ত্রী হওয়ার প্রবনতা বা স্ত্রী হওয়ার জন্য যে যে যোগ্যতাগুলো দরকার তা যদি থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই তাকে গ্রহন করা উচিত। চানক্যের মতে জাতিভেদে কোনো মেয়ে কে এরিয়ে যাওয়া উচিত নয়।সে সুন্দরী নাকি সুন্দরী নন, এ নিয়ে কোনও মাথা ব্যাথা নেই চানক্যের। তার মতে কোনো নারী কে বিবাহের পূর্বে তার অন্তরের হদিস করা জরুরী। আর চানক্যের শেষ কথাই হল অন্তরের সৌন্দর্য, বাইরের সৌন্দর্য নয়।

2. বিয়ে করার আগে অবশ্যই জেনে নেওয়া দরকার পাত্রীর পরিবারের খুঁটিনাটি। কার সেই পরিবার টিই মেয়ে টির আসল পরিচয়। পরিবার বলতে চানক্য যে শুধু মা, বাবা কে বুঝিয়েছেন তা নয়। কারন আমরা অনেকেই জানি এমন অনেক মেয়ে আছে যারা ছোটো বেলা থেকে মামা বাড়ি তে মানুষ হয়েছে। সেক্ষেত্রে মেয়েটার পরিবার বলতে তার মামা বাড়ি কেই বোঝানো উচিত।রূঢ় ভাষী নারী থেকে দূরে থাকুন। কারন এরকম নারী যেকোনো ব্যাপারে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।

3. সুন্দরী নারী কিন্তুু স্বভাব ছায়াচ্ছন্ন এরকম নারীর থেকে দূরে থাকাই ভালো। কারন যে নারীর স্বভাব ভালো হবে না তার সাথে আপনার ভবিষ্যত কখনোই ভালো কাটতে পারে না। তাই এমন নারী থেকে বিরত থাকুন। কোনো পরিস্থিতিতেই মিথ্যাবাদী স্ত্রী কে বিবাহ করা ঠিক নয়।কারন মিথ্যাবাদী স্ত্রীলোক আপনার মনের বিশ্বাস কে ভাঙবেই ভাঙবে। তাই এসব নারী থেকে অবশ্যই দূরে থাকুন।

4. হবু স্ত্রী কতটা বিশ্বাস যোগ্যা তা জেনে নেওয়া টা প্রাথমিক কর্তব্য। এখানকার সমাজে অ্যারেঙ্জ ম্যারেজ বিষয় টা ধীরে ধীরে লুপ্তপ্রায় হয়ে পড়েছে। কিন্তুু তবু ও যদি আপনি অ্যারেঙ্জম্যারেজ করতে চান তাহলে বিয়ের পূর্বে সেই নারীর সাথে একটা ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন, এবং তার বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করে দেখুন।

5. নাস্তিক স্ত্রী কে কখনোই বিবাহ করা যাবে না। চানক্যের মতে যেসকল মেয়েরা ঈশ্বর বিশ্বাস করেন না তাদের বিবাহ করা উচিত নয়।
এগুলিই ছিল চানক্যের লেখা বিয়ের ব্যাপারে নারীকে গ্রাহ্য ও অগ্রাহ্য করার কয়েকটি নীতি বিশ্লেষণ।Dailyhunt

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38442054
Users Today : 265
Users Yesterday : 1265
Views Today : 1890
Who's Online : 31
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone