বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
দেশে করোনায় ৮ মাসে সর্বনিম্ন মৃত্যু ইতালি যাওয়ার ফাঁদে সর্বস্বান্ত কলেজছাত্রী সোহানা ৪.৩ ওভারে ৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নিল সাকিব অল্পতেই থেমে গেলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে দিলো বাংলাদেশ হারের জন্য যাদের দুষলেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক শেখ হাসিনার উপহার গৃহহীনদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ,বাগেরহাটে ৪৩৩টি ঘর হস্তান্তরের অপেক্ষায় বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের বাঘের চামড়াসহ চোরা কারবারি আটক বরিশালে শহীদ দিবস পালিত নবগঠিত গাজীপুর জেলা ভাড়াটিয়া পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা তানোরে প্রতিবন্ধী স্কুলের  সভাপতির  বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ সাঁথিয়ায় এলজিইডির সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়ম ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে এক নারী নিহত ৫ জন গুরুতর আহত রৌমারীতে অভিষেক অনুষ্ঠান বনাপোলে ভূয়া সিআইডি কর্মকর্তাকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ

আবর্জনার স্তূপ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া মেয়েটি তার সবজি বিক্রেতা বাবার এত বড় প্রতিদান দিল

আবর্জনার স্তূপ – মানুষের জীবনে ওঠাপড়া তো লেগেই থাকে। কখনো উঠছে কখনো আবার পড়ছে। ওঠাপড়া নিয়েই তো মানুষের জীবন। জীবনের গ্রাফ কখনই সরলরেখা নয়, তার প্রতিটি বিন্দুতে বিন্দুতে লুকিয়ে থাকে বিস্ময় আর রোমাঞ্চ।

আম’রা কেউই জানি না আজ থেকে ৫০ বছর পর আ মা’দের জীবনে কি ‘হতে চলেছে। সেটা যেমন অসম্ভব তেমনি অবাস্তবও বটে। ইংরেজিতে একটা কথা আছেনা “জাস্ট গো উইদ ফ্লো।” জীবন কখন কোন দিকে বাঁক নেবে কখনও পাল্টাবে তা আগে থেকে ঠাওর করা খুবই মুশকিল, তাই জীবন যেদিকে যেতে চাই সেদিকেই যেতে দিন।

এরকমই এক পাল্টে যাওয়া জীবনের কথা, এক চরিত্রের কথাই তুলে ধ’রা হলো আজ এই প্রতিবেদনে।ঘটনাটির সুত্রপাত আসামে।আসামের এক গরীব ঘরের সবজি বিক্রেতা নিখিল। প্রতিদিন সকালে সবজি বিক্রি করতে বাজারে যায়, আর সেই সবজি বিক্রির টাকা থেকেই চলে নিখিলের ছোট সংসার। তার এই ছোট্ট সংসারেই ঘটলো একদিন এক অদ্ভুত ঘটনা।

ঘটনার সূত্রপাত এখান থেকেই, একদিন রাস্তায় প্রতিদিনের মতই সবজি বিক্রি করছেন নিখিল, ঠিক এই সময়ই তার চোখে পড়ে রাস্তার ধারে আবর্জনার স্তূপের মধ্যে কিছু একটা পড়ে আছে এবং সেখান থেকে শব্দ হচ্ছে।

নিখিল দৌড়ে গিয়ে দেখতে পান একটি বাচ্চা শি’শু মে’য়ে সেখানে পড়ে আছে।নিখিল অ’বাক হয়ে যান, কিন্তু একজন ভালো মানুষিকতার পরিচয় দিয়ে তিনি ওই বাচ্চা মে’য়েটিকে নিয়ে যান তার বাড়ি। এবং ফেলে যাওয়া বাচ্চাটিকে বাঁ’চান নিখিল। মে’য়েটির নাম রাখেন মিথিলা।নিখিলের তখন বয়স ছিল প্রায় ৩২ ছুঁইছুঁই আর তজনি ছিলেন অবিবাহিতও।

ফলে বাচ্চাটিকে মানুষ করতে তার কোনো ধরণের অ’সুবিধাই হয়নি। প্রবল দরিদ্রতার মধ্যেও মিথিলাকে তার নিজের মে’য়ের মতনই আদর যত্নে মানুষ করেন নিখিল, তাকে বড় করে তোলেন।শুধু তাই নয়, মিথিলার ভ বি’ষ্যতের কথা ভেবে তাকে উপযু’ক্ত ভাবে তৈরি ও করেন।

মেয়ে তাকে পড়াশোনা শিখিয়ে করে তোলেন মানুষের মতো মানুষ। যাতে ভ বি’ষ্যৎ এ মিথিলাকে আর কোন সমস্যার মধ্যে পড়তে না হয়।সেই মিথিলাই বড়ো হয়ে একজন আইপিএস অফিসার হয়

বর্তমানে একজন আইপিএস অফিসারের পদে কর্ম’রত মিথিলাও বহু জায়গায় তুলে ধরেছেন নিখিলের অবদান। মিথিলা নিখিল কেই তার বাবা বলে বর্ণনা করেন সবজায়গায়।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38162563
Users Today : 623
Users Yesterday : 5456
Views Today : 2325
Who's Online : 26
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone