মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
খাস কামরায় নারী সাক্ষীর সঙ্গে অশোভন আচরণ, বিচারক প্রত্যাহার যুক্তরাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ৩৮ হাজার ৫৯৮ ‘মেয়র তাপস ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ অবৈধপথে ইউরোপে প্রবেশ, মাল্টা থেকে ৪৪ বাংলাদেশিকে ফেরত চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ভয়াভহ অগ্নিকাণ্ড ঝিনাইদহে গুড়া হলুদে চাউলের গুড়া ও রঙ মেশানোর অপরাধে ব্যবসায়ীকে জরিমানা ঝিনাইদহে বর্ণাঢ্য আয়োজনে এশিয়ান টিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হরিণাকুÐুতে মাটি টানা গাড়ির ধাক্কায় পথচারী নিহত শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে উপ- নির্বাচন ২৮ ফেব্রæয়ারি ছেলের বাবা হলেন ডা. মোঃ সইফুজ্জামান বিপ্লব ছাতক পৌরসভা নির্বাচনে  জামানত হারিয়েছেন ১১ জন প্রার্থী ছাতকে সিএনজি-ফোরষ্ট্রোক খাদে চালকসহ আহত ৩ বেনাপোল বন্দর পরিদর্শনে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কেএম তারিকুল বাংলাদেশ বৌদ্ধ নব জাগরণ ফাউন্ডেশনের উদ্যােগে শীতবস্ত্র বিতরণ সম্পন্ন : শিবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আ’লীগ ও বিএনপি দলীয় প্রতীকে ভোট চেয়ে পথ সভা

আরও সন্তান নিতে চাইলে সহায়তা দেবে চীন

কোনো দম্পতি আরও সন্তান নিতে চাইলে তাদের সহায়তা দেবে চীনা সরকার। সম্প্রতি দেশটি জনসংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। সারাবিশ্বে করোনার কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চীনেও মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে এনেছে করোনা।

দেশটিতে বয়স্ক লোকজনের সংখ্যা বাড়ছে। আবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সে কারণেই জনসংখ্যা বৃদ্ধির দিকে দৃষ্টি দিচ্ছে সরকার। চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটিতে বয়স্ক জনসংখ্যা বাড়ছেই। এই সমস্যা সমাধানের জন্য শিশু জন্মের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

চায়না ডেইলির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনে প্রবীণদের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে এবং একই সঙ্গে অন্যান্য দেশের মতো চীনও এখন পর্যন্ত করোনার প্রকোপ থেকে মুক্ত হতে পারেনি। তবে সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত চীনে করোনা ভাইরাসের কারণে সাড়ে চার হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। যা অনেক দেশের চেয়েই কম।

বর্তমানে চীন সেই সব দম্পতিদের আর্থিক সহায়তা দিতে চলেছে যারা আরও শিশুর জন্ম দিতে চাচ্ছেন। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনা পপুলেশন অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইউয়ান জানিয়েছেন, জনসংখ্যা-সম্পর্কিত একটি উন্নত নীতি চালু করা হবে।

১৯৭৮ সালে চীন ‘এক সন্তান’ নীতি ঘোষণা করেছিল। এই নীতি লঙ্ঘনকারী দম্পতিদের জরিমানাও করা হয়। এমনকি তাদের চাকরিও কেড়ে নেওয়া হয়। প্রচুর পরিমাণে গর্ভপাতও করা হয়েছিল। সে সময়, চীনের লক্ষ্য ছিল দেশের দারিদ্র্য হ্রাস করা। কারণ চীনে জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ২০১৫ সালে চীন এক্ষেত্রে ছাড় দেয় এবং লোকজনকে দ্বিতীয় সন্তান নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

চীনের একাডেমি অব সোস্যাল সাইন্সের বিশেষজ্ঞ ঝেং বিংওয়েন রয়টার্সকে বলেন, ‘বয়স্ক জনসংখ্যা স্রোত সক্রিয়ভাবে মোকাবেলা করার জন্য আমাদের দেশের পরিবার পরিকল্পনা নীতিগুলো সংস্কার এবং দম্পতিদের আরও সন্তান গ্রহণের অনুমতি দেওয়া প্রয়োজন।’

গত বছরের শেষ দিকের হিসাব অনুযায়ী, চীনে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের সংখ্যা ২৫ কোটির বেশি। যা দেশের মোট জনসংখ্যার ১৮ ভাগেরও বেশি।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38151629
Users Today : 4225
Users Yesterday : 9244
Views Today : 11827
Who's Online : 72
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone