সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
অপরাজিত এক মুসলিম ফাইটারের অশ্রুসিক্ত বিদায় মর্গ্যানের বিপক্ষে টস জিতল রাহুল, কলকাতা হারলেই বাদ চরমোনাই পীরের নেতৃত্বে ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাওয়ের ঘোষণা প্রোটিয়া ক্রিকেট থেকে সবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত আমি মুহাম্মাদকে (সা.) ভালোবাসি, লেখা মাস্ক পরে ঘুরছেন এমপি বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের সেরা ‘পাঁচ’ ব্যাটসম্যানের তালিকায় আছেন যারা গাবতলী কাগইলে বিভিন্ন দূর্গাপূজা মন্ডপে আর্থিক অনুদান দিলেন আ’লীগ নেতা রশিদ রৌমারী সীমান্তে ৪০প্যাকেট ধানবীজ আটক বকশীগঞ্জে আলহাজ গাজী আমানুজ্জামান মডার্ন কলেজে একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন বকশীগঞ্জে অনলাইন ক্লাসের সুবিধা পেতে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্মার্ট ফোন বিতরণ বিরামপুরে সারদীয় দূর্গা পূঁজা মন্ডপ পরিদর্শনে মাস্ক,শাড়ী লুংঙ্গি ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদানে মালেক মন্ডল সাঁথিয়ায় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ইছামতি নিউজ২৪.কম’র উদ্বোধন করলেন এমপি আত্রাইয়ে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব কেউই হারতে চায় না, আবার সবাই জয়ীও হয় না হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা উস্কে দিচ্ছে এই সব ওয়েব সিরিজ

আ’লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ডা. আইনুল হক হত্যা মামলার রায়ে বিস্ময় প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন

অমর ডি কস্তা, নাটোর প্রতিনিধি:
নাটোরের বড়াাইগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মাঝগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ডা. আইনুল হক হত্যা মামলার রায় নিয়ে হতাশা ও বিস্ময় প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার পরিবারের সদস্যরা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার আওয়ামী লীগের বনপাড়াস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
হত্যাকান্ডের ১৮ বছর পর গত সোমবার মুক্তিযোদ্ধা ডা. আইনুল হক হত্যা মামলার রায়ে দুইজনের ফাঁসি এবং ১১ আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন নাটোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত। আলোচিত এই হত্যাকা-ে অংশ নেয় বিএনপি’র সশস্ত্র ১৭ জন নেতাকর্মী। এই রায়ে দোষীরা সাজা না পেয়ে বেকসুর খালাস হওয়ায় হতাশা, অসন্তোষ ও বিস্ময় প্রকাশ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।
ডা. আইনুল হকের বড় ছেলে বনপাড়া পৌর মেয়র ও পৌর আ’লীগের সভাপতি কেএম জাকির হোসেন লিখিত বক্তব্যে জানান, ২০০২ সালের ২৮ মার্চ বনপাড়া সাহেব পাড়ার ডা. আনসারুল হকের চেম্বার থেকে পুত্রবধূ নাজমা বেগমকে সাথে নিয়ে মোটরসাইকেলে ওঠার সময় থানা বিএনপি’র সভাপতি অধ্যক্ষ একরামুল আলমসহ স্থানীয় বিএনপি’র ১৭ নেতাকর্মী মুক্তিযোদ্ধা ডা. আইনুল হকের উপরে চড়াও হয়, এসময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি কোপালে তিনি রক্তাক্ত জখম হয় এবং পরের দিন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। একই দিনে ডা. আয়নুল হকের অনুসারী বনপাড়া, নটাবাড়িয়া, কালিকাপুর, মহিষভাঙ্গা এলাকার আ’লীগের নেতাকর্মীদের শতাধিক বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায় সন্ত্রাসীরা।
এই ঘটনায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ২০০২ সালের ১৫ অক্টোবর ঘটনাস্থলে আসেন এবং মুক্তিযোদ্ধা ডা. আইনুল হকের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তিনি এই হত্যাকা-ের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি করেছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে মেয়র কেএম জাকির হোসেন আরও জানান, গত বুধবার রাষ্ট্রপক্ষ থেকে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উচ্চ আদালতে আপিল করা হয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই হত্যাকা-ের যথার্থ বিচার প্রার্থনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ডা. আইনুল হকের স্ত্রী জাহানারা বেগম, মামলার বাদী ও বড় পুত্রবধূ নাজমা বেগম, ছেলে কেএম জামিল হোসেন, কেএম জিল্লুর হোসেন জিন্না, মেয়ে আসমা হক শাপলা, জামাতা অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, বড়াইগ্রাম পৌর মেয়র আব্দুল বারেক সরদার, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মিয়াজী, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মিজানুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবলু , উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, জেলা পরিষদের সদস্য মৌটুসী আক্তার মুক্তা, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শামসুল হক সহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাগণ, উপজেলার সকল ইউপি চেয়ারম্যান, পৌর কাউন্সিলরগণ, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও সুধীসমাজ সহ ৩ শতাধিক স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37677614
Users Today : 8322
Users Yesterday : 8769
Views Today : 23086
Who's Online : 107
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone