মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৬:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ঢাবি মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়ন করে শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোর্তজার নামে নামকরণের দাবি পণ্য বিপণনে সমস্যা হলে ফোন করুন জরুরি সেবায় ধর্মীয় নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় উত্তাল পাকিস্তান, গুলিতে নিহত ২ সাংবাদিকদের ‘মুভমেন্ট পাস’ লাগবে না খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপনে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা আসছে, থাকছে জেল-জরিমানা হাতে বড় একটি ট্যাবলেট ফোন নিয়ে ডিজিটাল জুয়ার আসরে ব্যস্ত তরুণ-তরুণী রমজানের নতুন চাঁদ দেখে বিশ্বনবী যে দোয়া পড়তেন ফরিদপুরে চাের সন্দেহে গণপিটুনীতে একজন নিহত এটিএম বুথ থেকে তোলা যাবে এক লাখ টাকা যৌবন দীর্ঘস্থায়ী করে যোগ ব্যায়াম ‘শশাঙ্গাসন’ আজ চৈত্র সংক্রান্তি মসজিদে সর্বোচ্চ ২০ জন নিয়ে নামাজ পড়া যাবে অপহরণ করা হয়েছিলো ম্যারাডোনাকে দুপুরে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন বসুন্ধরা সিটি শপিংমল খোলা থাকবে মঙ্গলবার

একজন বাঙালী হিন্দু সন্ন্যাসী, যিনি বিশ্বকে দেখিয়েছিলেন সনাতন হিন্দু ধর্মের শক্তি

উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
যে কোনো দেশের মহাপুরুষ সেই দেশের জন্য একটা পাওয়ার হাউসের মতো কাজ করে। আর ভাতের মহাপুরুষরা শুধু ভারত নয়, পুরো বিশ্বের জন্য পাওয়ার হাউসের কাজ করেন। এখন যদি আপনি মহাপুরুষদের পাওয়ার হাউসের খোঁজ করেন। তাহলে যে নাম সবথেকে বেশি বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পেয়েছে তা হলো স্বামী বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda)। আসলে স্বামী বিবেকানন্দ সেই ব্যক্তি যার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, বাঘা যতীনের মতো মহাপুরুষ তৈরি হয়েছিলেন। এমনকি বর্তমান সময়ে যারা দেশকে নেতৃত্বে দিচ্ছেন তারাও অনেকে স্বামী বিবেকানন্দের প্রেরণায় অনুপ্রাণিত।ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আদর্শ স্বামী বিবেকানন্দ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার ভাষণে ভাই ও বেহেনও বলে যে উক্তি ব্যাবহার করেন তা স্বামী বিবেকানন্দ থেকেই পাওয়া। ভারতের রাষ্ট্র্ববাদী সমাজ যারা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে ভগবানের আসনে বসায়। সেই নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর অনুপ্রেরণা ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। সংকল্প শক্তি, বিচারের শক্তি, আধ্যাত্মিক জ্ঞানের অফুরন্ত ভান্ডার ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ।ভারতের সমাজ যখন অধর্মের অন্ধনকারে ডুবে জাত-পাত নিয়ে মেতে উঠেছিল। ঠিক সেই সময় জন্মগ্রহন করেছিলে স্বামী বিবেকানন্দ। ইংরেজদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য ভারতীয় যুবকদের সাফল্যের রাস্তা দেখিয়ে ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। বলেছিলেন, উঠো, জাগো, ততক্ষণ থামো না যতক্ষণ লক্ষ প্রাপ্তি না হয়। এই নীতিকে অবলম্বন করেই বাঘা যতীন, নেতাজি ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। পুরো বিশ্ব যখন ভারতকে পিছিয়ে পড়া দেশ মনে করতো, ভারতীয়দের নীচ মনে করতো তখন এই সন্ন্যাসী পুরো বিশ্বকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন ভারত একমাত্র পৃথিবীর পুণ্যভূমি। বিদেশীরা যখন ভারত বা ভারতীয়দের অপমান করতো তখন কিভাবে জবাব দিতে হয় তা স্বামী উ

উবিবেকানন্দের থেকে কেউ ভালো পারতেন না

বাংলায় জন্ম নেওয়া এই হিন্দু সন্ন্যাসী পুরো বিশ্বকে সনাতন ধর্মর শক্তি , ভারতের শক্তি সম্পর্কে জানিয়েছিলেন। আসলে দীর্ঘ সময় ইংরেজ শাসনে থাকার কারণে সমাজ সনাতন ধর্ম ও নিজের গৌরবশালী ইতিহাসকে ভুলে গেছিল। ভারত প্রাচীন সময় থেকে বিশ্বগুরু ছিল এটাই ভারতের সমাজ ভুলে গেছিল। যা স্মরণ করিয়ে দিতে এই হিন্দু সন্ন্যাসীর ভূমিকা অবাক করার মতো। আমেরিকার মতো দেশ যখন ভারতীয়দের অজ্ঞানী, মূর্খ মনে করতো, সেই সময় স্বামী বিবেকানন্দ এর ভাষণ পুরো বিশ্বের ভুল ধরিয়ে দিয়েছিল। হিন্দু ধর্ম ও তার মহানতা নিয়ে স্বামীজি যা বলেছিলেন তা আজও দেশবাসীকে গর্বিত করে।উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিবেদক ।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38444082
Users Today : 1037
Users Yesterday : 1256
Views Today : 13728
Who's Online : 21
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone