Home / এক্সক্লুসিভ ডেস্ক / এক চামচ অলিভ ওয়েল আর এক ফোটা লেবুর রস……পাল্টে দিতে পারে আপনার জীবনকে!!!

এক চামচ অলিভ ওয়েল আর এক ফোটা লেবুর রস……পাল্টে দিতে পারে আপনার জীবনকে!!!

 

!আপনার মুখে দুর্গন্ধ- লবঙ্গকে আমরা কেবল মসলা হিসাবেই চিনি, এর হরেক রকম গুণের কথা সম্পর্কে অনেকেরই ঠিকঠাক মত জানা নেই। অবশ্য আমাদের দেশের বাজার ভরে গেছে নকল লবঙ্গ দিয়ে।লবঙ্গ থেকে আর নির্যাস বের করে কেবল গুনহীন খোসাটুকু মশলা হিসাবে বাজারে বিক্রি হয় আজকাল যা আপনার জন্য মোটেও উপকারী নয়।আসল লবঙ্গ চিনে নেয়ার রয়েছে কিছু উপায়, একই সাথে এই আসল লবঙ্গের রয়েছে দারুণ সব উপকারিতা ওব্যবহার।

চলুন, জেনে নিই জাদুকরী এই মশলার গুণের কথা।১. দাঁত ব্যথা করছে? কয়েকটি লবং থেঁতো করে আক্রান্ত স্থানে দিয়ে রাখুন, দাঁত ব্যথার নিশ্চিত উপশম হবে। লক্ষ্য করলেই দেখবেন, বেশিরভাগ টুথপেস্টই লবঙ্গ থাকার দাবী করে। ঠিক এই কারণেই!২. হাঁটুতে, পিঠে বা হাড়ের কোন জয়েন্টে ব্যথা? বেশ কিছু লবঙ্গ নিন। সেগুলোকে হালকা আঁচে তাওয়ায় টেলে নিন। এই টেলে নেয়া লবঙ্গকে কাপুরে বেঁধে একটি পুঁটুলি তৈরি করুন।

গরম থাকতেই এইcloves-benefit পুঁটুলি দিয়ে আক্রান্ত স্থানে সেঁক দিন। ব্যথা কমে যাবে,৩. বমি বমি ভাব দূর করতে গুঁড়ো লবঙ্গের সাথে মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। আরাম পাবেন।

৪. সাধারণ ঠাণ্ডা লাগা হোক কিংবা অ্যাজমা, সাইনাস ইত্যাদির সমস্যা; দিনে কয়েক কাপ লবঙ্গ চা খেলে রোগের উপশম হবে। লবঙ্গ পানিতে ফুটিয়ে চা তৈরি করে নেবেন, ঠিক যেভাবে আদা চা তৈরি করেন।৫. প্রচণ্ড মাথা ব্যথা করছে? কয়েক ফোঁটা লবঙ্গ তেল একটি কাপড়ে বা টিস্যুতে দিয়ে কপালের ওপরে দিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট রেখে সরিয়ে ফেলুন। মাথা ব্যথা কমবে।৬. মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে লবঙ্গ তুলনাহীন। কয়েকটি মুখে ফেলে

চিবালেই আপনার নিঃশ্বাস হয়ে উঠবে তরতাজা।৭. প্রচণ্ড স্ট্রেস ও উৎকণ্ঠা অনুভব করছেন? এক টুকরো লবঙ্গ মুখে ফেলে চুষে চুষে খেয়ে ফেলুন। পান করতে পারেন লবঙ্গের চাও। মেজাজ ফুরফুরে হয়ে উঠবে।৮. ব্রণ দূর করতে লবঙ্গ তুলনা নিন। তাজা লবঙ্গের গুঁড়ো সামান্য মধুর সাথে মিশিয়ে ব্রণের ওপরে দিয়ে রাখুন। ব্রণ দূর হবে।৯. লবঙ্গের তেল আপনার নিয়মিত ব্যবহারের তেলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করলে চুল পড়া কমবে এবং

চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাবে।১০. গর্ভবতী মায়েরা সকালের বমি বমি ভাব দূর করতে লবঙ্গ চুষতে পারেন। শুধু লবঙ্গ মুখে ভালো না লাগলে সামান্য গুড় মিশিয়ে নিতে পারেন। সকাল বেলাটায় অনেক স্বস্তি বোধ করবেন

আরও পড়ুন ;_ তেলাকুচা বসত বাড়ির আশে পাশে, রাস্তার পাশে বন-জঙ্গলে জন্মায় এবং বংশ বিস্তার করে। সাধারণত চৈত্র বৈশাখ মাসে তেলাকুচা রোপন করতে হয়। পুরাতন মূল শুকিয়ে যায় না বলে গ্রীষ্মকালে মৌসুমি বৃষ্টি হলে নতুন করে পাতা গজায় এবং কয়েক বছর ধরে পুরানো মূল থেকে গাছ হয়ে থাকে। অবহেলিত এ লতা জাতীয় গাছটি অত্যন্ত উপকারী।অনেকটা পটলের মতো দেখতে ফলগুলো পাখিদের খুব প্রিয়। গ্রাম বাংলার সহজলভ্য এ গাছটিই

বহু ভেষজগুণ সমৃদ্ধ উদ্ভিদ ‘তেলাকুচা’। অঞ্চল ভেদে একে কুচিলা, তেলা, তেলাকুচ, তেলাহচিসহ বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।স্থানীয় উদ্যানতত্ত্ববিদ ও কৃষিবিদরা জানান, তেলাকুচা পরিবারভুক্ত। এর বৈজ্ঞানিক নাম। তেলাকুচার পাতার রসে আছে ক্যালসিয়াম, লোহা, ভিটামিন এ এবং সি। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র প্রাকৃতিকভাবে তেলাকুচা জন্মে। আসুন জেনে নিই এর ঔষধি গুণ। ডায়াবেটিস ডায়াবেটিস হলে তেলাকুচার কাণ্ড সমেত পাতা ছেঁচে রস তৈরি করে আধাকাপ পরিমাণ প্রতিদিন সকাল ও বিকালে খেতে হবে। তেলাকুচার পাতা রান্না করে খেলেও ডায়াবেটিস রোগে উপকার হয়।

জন্ডিস জন্ডিস হলে তেলাকুচার মূল ছেঁচে রস তৈরি করে প্রতিদিন সকালে আধাকাপ পরিমাণ খেতে হবে। পা ফোলা রোগে গাড়িতে ভ্রমণের সময় বা অনেকক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসলে পা ফুলে যায় একে শোথ রোগ বলা হয়। তেলাকুচার মূল ও পাতা ছেঁচে এর রস ৩-৪ চা চামচ প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে। শ্বাসকষ্ট বুকে সর্দি বা কাশি বসে যাওয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট (হাপানি রোগ নয়) হলে তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে ৩-৪ চা চামচ পরিমাণ ৩ থেকে সাত দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।

কাশি কাশি উপশমে ৩-৪ চা চামচ তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে আধা চা-চামচ মধু মিশিয়ে ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে। স্তনে দুধ স্বল্পতা সন্তান প্রসবের পর অনেকের স্তনে দুধ আসে না বা শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যায়। এ অবস্থা দেখা দিলে ১টা করে তেলাকুচা ফলের রস হালকা গরম করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে তেলাকচুর পাতা একটু তিতে হওয়ায় পরিমাণমত সকাল-বিকাল ১ সপ্তাহ খেতে হবে।

ফোঁড়া ও ব্রণ এ সমস্যায় তেলাকুচা পাতার রস বা পাতা ছেঁচে ফোঁড়া ও ব্রণে প্রতিদিন সকাল-বিকাল ব্যবহার করতে হবে। আমাশয় প্রায়ই আমাশয় হতে থাকলে তেলাকুচার মূল ও পাতার রস ৩-৪ চা চামচ ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে। অরুচিতে সর্দিতে মুখে অরুচি হলে তেলাকুচার পাতা একটু সিদ্ধ করে পানিটা ফেলে দিয়ে ঘি দিয়ে শাকের মত রান্না করতে হবে।

খেতে বসে প্রথমেই সেই শাক খেলে খাওয়াতে রুচিআসবে।এ লতা জাতীয় গাছটি অত্যন্ত উপকারী। তাই কৃষক পর্যায়ে বাণিজ্যিকভাবে এর চাষাবাদের জন্য মানুষকে উৎসাহিত করা দরকার।

তেলাকুচা বসত বাড়ির আশে পাশে, রাস্তার পাশে বন-জঙ্গলে জন্মায় এবং বংশ বিস্তার করে। সাধারণত চৈত্র বৈশাখ মাসে তেলাকুচা রোপন করতে হয়। পুরাতন মূল শুকিয়ে যায় না বলে গ্রীষ্মকালে মৌসুমি বৃষ্টি হলে নতুন করে পাতা গজায় এবং কয়েক বছর ধরে পুরানো মূল থেকে গাছ হয়ে থাকে।অবহেলিত এ লতা জাতীয় গাছটি অত্যন্ত উপকারী।অনেকটা পটলের মতো দেখতে ফলগুলো পাখিদের খুব প্রিয়। গ্রাম বাংলার সহজলভ্য এ গাছটিই

বহু ভেষজগুণ সমৃদ্ধ উদ্ভিদ ‘তেলাকুচা’। অঞ্চল ভেদে একে কুচিলা, তেলা, তেলাকুচ, তেলাহচিসহ বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।স্থানীয় উদ্যানতত্ত্ববিদ ও কৃষিবিদরা জানান, তেলাকুচা পরিবারভুক্ত। এর বৈজ্ঞানিক নাম। তেলাকুচার পাতার রসে আছে ক্যালসিয়াম, লোহা, ভিটামিন এ এবং সি। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র প্রাকৃতিকভাবে তেলাকুচা জন্মে। আসুন জেনে নিই এর ঔষধি গুণ। ডায়াবেটিস ডায়াবেটিস হলে তেলাকুচার কাণ্ড সমেত পাতা ছেঁচে রস তৈরি করে আধাকাপ পরিমাণ প্রতিদিন সকাল ও বিকালে খেতে হবে। তেলাকুচার পাতা রান্না করে খেলেও ডায়াবেটিস রোগে উপকার হয়। জন্ডিস জন্ডিস হলে তেলাকুচার মূল ছেঁচে রস তৈরি করে প্রতিদিন সকালে আধাকাপ পরিমাণ খেতে হবে। পা ফোলা রোগে গাড়িতে ভ্রমণের সময় বা

অনেকক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসলে পা ফুলে যায় একে শোথ রোগ বলা হয়। তেলাকুচার মূল ও পাতা ছেঁচে এর রস ৩-৪ চা চামচ প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে। শ্বাসকষ্ট বুকে সর্দি বা কাশি বসে যাওয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট (হাপানি রোগ নয়) হলে তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে ৩-৪ চা চামচ পরিমাণ ৩ থেকে সাত দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।

কাশি কাশি উপশমে ৩-৪ চা চামচ তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে আধা চা-চামচ মধু মিশিয়ে ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে। স্তনে দুধ স্বল্পতা সন্তান প্রসবের পর অনেকের স্তনে দুধ আসে না বা শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যায়। এ অবস্থা দেখা দিলে ১টা করে তেলাকুচা ফলের রস হালকা গরম করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে তেলাকচুর পাতা একটু তিতে হওয়ায় পরিমাণমত সকাল-বিকাল ১ সপ্তাহ খেতে হবে।

ফোঁড়া ও ব্রণ এ সমস্যায় তেলাকুচা পাতার রস বা পাতা ছেঁচে ফোঁড়া ও ব্রণে প্রতিদিন সকাল-বিকাল ব্যবহার করতে হবে। আমাশয় প্রায়ই আমাশয় হতে থাকলে তেলাকুচার মূল ও পাতার রস ৩-৪ চা চামচ ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে। অরুচিতে সর্দিতে মুখে অরুচি হলে তেলাকুচার পাতা একটু সিদ্ধ করে পানিটা ফেলে দিয়ে ঘি দিয়ে শাকের মত রান্না করতে হবে। খেতে বসে প্রথমেই সেই শাক খেলে খাওয়াতে রুচিআসবে।এ লতা জাতীয় গাছটি অত্যন্ত উপকারী। তাই কৃষক পর্যায়ে বাণিজ্যিকভাবে এর চাষাবাদের জন্য মানুষকে উৎসাহিত করা দরকার।

তেলাকুচা বসত বাড়ির আশে পাশে, রাস্তার পাশে বন-জঙ্গলে জন্মায় এবং বংশ বিস্তার করে। সাধারণত চৈত্র বৈশাখ মাসে তেলাকুচা রোপন করতে হয়। পুরাতন মূল শুকিয়ে যায় না বলে গ্রীষ্মকালে মৌসুমি বৃষ্টি হলে নতুন করে পাতা গজায় এবং কয়েক বছর ধরে পুরানো মূল থেকে গাছ হয়ে থাকে। অবহেলিত এ লতা জাতীয় গাছটি অত্যন্ত উপকারী।অনেকটা পটলের মতো দেখতে ফলগুলো পাখিদের খুব প্রিয়। গ্রাম বাংলার সহজলভ্য এ গাছটিই বহু ভেষজগুণ সমৃদ্ধ উদ্ভিদ ‘তেলাকুচা’। অঞ্চল ভেদে একে কুচিলা, তেলা, তেলাকুচ, তেলাহচিসহ বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।

স্থানীয় উদ্যানতত্ত্ববিদ ও কৃষিবিদরা জানান, তেলাকুচা পরিবারভুক্ত। এর বৈজ্ঞানিক নাম। তেলাকুচার পাতার রসে আছে ক্যালসিয়াম, লোহা, ভিটামিন এ এবং সি। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র প্রাকৃতিকভাবে তেলাকুচা জন্মে। আসুন জেনে নিই এর ঔষধি গুণ। ডায়াবেটিস ডায়াবেটিস হলে তেলাকুচার কাণ্ড সমেত পাতা ছেঁচে রস তৈরি করে আধাকাপ পরিমাণ প্রতিদিন সকাল ও বিকালে খেতে হবে। তেলাকুচার পাতা রান্না করে খেলেও ডায়াবেটিস রোগে উপকার হয়। জন্ডিস জন্ডিস হলে তেলাকুচার মূল ছেঁচে রস তৈরি করে প্রতিদিন সকালে আধাকাপ পরিমাণ খেতে হবে।

পা ফোলা রোগে গাড়িতে ভ্রমণের সময় বা অনেকক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসলে পা ফুলে যায় একে শোথ রোগ বলা হয়। তেলাকুচার মূল ও পাতা ছেঁচে এর রস ৩-৪ চা চামচ প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে। শ্বাসকষ্ট বুকে সর্দি বা কাশি বসে যাওয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট (হাপানি রোগ নয়) হলে তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে ৩-৪ চা চামচ পরিমাণ ৩ থেকে সাত দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে।

কাশি কাশি উপশমে ৩-৪ চা চামচ তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে আধা চা-চামচ মধু মিশিয়ে ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে। স্তনে দুধ স্বল্পতা সন্তান প্রসবের পর অনেকের স্তনে দুধ আসে না বা শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যায়। এ অবস্থা দেখা দিলে ১টা করে তেলাকুচা ফলের রস হালকা গরম করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে তেলাকচুর পাতা একটু তিতে হওয়ায় পরিমাণমত সকাল-বিকাল ১ সপ্তাহ খেতে হবে।

ফোঁড়া ও ব্রণ এ সমস্যায় তেলাকুচা পাতার রস বা পাতা ছেঁচে ফোঁড়া ও ব্রণে প্রতিদিন সকাল-বিকাল ব্যবহার করতে হবে। আমাশয় প্রায়ই আমাশয় হতে থাকলে তেলাকুচার মূল ও পাতার রস ৩-৪ চা চামচ ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে। অরুচিতে সর্দিতে মুখে অরুচি হলে তেলাকুচার পাতা একটু সিদ্ধ করে পানিটা ফেলে দিয়ে ঘি দিয়ে শাকের মত রান্না করতে হবে। খেতে বসে প্রথমেই সেই শাক খেলে খাওয়াতে রুচি আসবে।এ লতা জাতীয় গাছটি অত্যন্ত উপকারী। তাই কৃষক পর্যায়ে বাণিজ্যিকভাবে এর চাষাবাদের জন্য মানুষকে উৎসাহিত করা দরকার।

নিউজটি লাইক দিন ও আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

About jahir

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

টাকা দিলেই এটিএম বুথ দিচ্ছে ফুচকা, ভিডিও ভাইরাল

প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনের বাস্তবতা অনস্বীকার্য। প্রযুক্তির আশীর্বাদে হাতে মুঠোয় মিলছে সব সুবিধা। ...