মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০২:০১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
কী কারণে মমতার নির্বাচনী প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞা জারি লকডাউনের আওতায় থাকবে না যারা পাবজি গেম প্রেমীদের জন্য দেশের বাজারে এলো অপো এফ১৯ প্রো, পাবজি মোবাইল স্পেশাল বক্স ঝালকাঠিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গুলি, আহত-১, বন্দুক ও গুলি উদ্ধার, অাভিযুক্তের আত্মসমর্পন ঝালকাঠির নলছিটিতে সিটিজেন ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ যখন টাইটানিক ডুবছিল তখন কাছাকাছি তিনটে জাহাজ ছিল। সেদিন আমি স্নানও করিনি, যদি ওই অবস্থায় দেখে ফেলে! সাকিবকে সাতে খেলানো ভালো লাগেনি হার্শার নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার সীমানা প্রাচীর হোসিয়ারী ব্যবসায়ীর দখলে আলীনগরে বৃদ্ধাকে বেদম পিটিয়েছে উচ্ছশৃঙ্খল মা-মেয়ে ও পুত্র ‘খালেদা জিয়ার মতো নেতাকে জেলে নিয়ে পুরলে তোমার মতো নুরুকে খাইতে ১০ সেকেন্ড সময়ও লাগবে না’ চুপি চুপি বিয়ে করে ফেললেন নাজিরা মৌ লকডাউনে বন্ধ থাকতে পারে শেয়ারবাজার কোরআনের ২৬ আয়াত বাতিলের আবেদন খারিজ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন, ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ওপর হামলা

এখনো পরিশোধ হয়নি অনেক গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতন

কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে এখন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প খাত৷ একদিকে করোনা আতঙ্ক, অন্যদিকে বকেয়া বেতনের প্রতীক্ষা। এ অবস্থায় গার্মেন্ট শ্রমিকরা রয়েছেন বিপাকে, আর তাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন সারাদেশ। সরকারি নানামুখী প্রচেষ্টার পরও ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার বেশ কিছু গার্মেন্টে পরিশোধ হয়নি শ্রমিকদের পাওনা। ২২ এপ্রিল প্রতিশ্রুত তারিখে তা পরিশোধ না হলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিস্টরা।

সূত্র জানায়, সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে ও ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে গত ১২ এপ্রিল থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। তাদের একত্রিত অবস্থান করোনা ঝুঁকি বাড়াচ্ছে কয়েকগুন। বেতন বঞ্চিত শ্রমিকরা বাধ্য হয়েই বারবার রাস্তায় নামছেন বলে দাবি শ্রমিক নেতাদের। এ ধরণের পরিস্থিতি এড়াতে শ্রমিকদের পাওনা প্রতিশ্রুত সময়ে দিয়ে দিতে বলছেন তারা।

শ্রমিকরা জানান, চলতি মাসের প্রথম দিকে বেতন দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন তারিখ দিয়েও টালবাহানা করছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ। একবার বলছেন বিকাশের মাধ্যমে দেব, আবার বলছেন হাতে হাতে দিয়ে দেব। কিন্তু কোনোভাবেই বেতন দিচ্ছেন না। আন্দোলনের মুখে কয়েকটি কারখানায় বেতন হয়েছে। অনেকেই দিয়েছেন আংশিক। আবার কেউ কেউ কিছুই পরিশোধ করেননি। এসব কারখানার শ্রমিকরা খুবই অসহায়ভাবে জীবনযাপন করছেন।

বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির প্রধান তাসলিমা আখতার বলেন, ‘বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা বেতন ও বকেয়া পরিশোধের দাবিতে বিক্ষোভ করতে বাধ্য হচ্ছেন। কারখানার সামনে এসে বিক্ষোভ করে দাবি জানানোর ভেতর দিয়ে তারা আরো বেশি করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন। সরকার পোশাক কারখানাগুলোর জন্য বিশেষ প্রণেদনার ব্যবস্থা করেছে। তারপরও কেন বেতন ও বকেয়া পরিশোধের নির্দেশনা মানা হচ্ছেনা, তা রহস্যজনক।’

বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাভার-আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি খাইরুল মামুন মিন্টু বলেন,‘করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে শ্রমিকদের ঘরে রাখতে হবে। আর সেজন্য তাদের বেতন যথাসময়ে দেয়াটা জরুরি। এখন পর্যন্ত যেসব কারখানায় শ্রমিকরা বেতন পেয়েছেন সেখানে একটা শ্রমিকও রাস্তায় নামেননি।’

ঢাকা শিল্প পুলিশ-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার জানে আলম খান বলেন, ‘অধিকাংশ কারখানায় বেতন পরিশোধ করা হয়ে গেছে। যে কয়টি কারখানা দিতে পারেনি তারা বিজিএমইএ কর্তৃক নির্ধারিত দিনে পরিশোধ করবেন তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38443270
Users Today : 225
Users Yesterday : 1256
Views Today : 1511
Who's Online : 33
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone