বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:৪৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
নতুন খবর পর্ন দেখলে সব সময়ই আসক্তি তৈরি হবে…ফক্স নিউজ মাসিক হবার কত দিন আগে বা পড়ে কনডম ছাড়া সেক্স করা নিরাপদ ঠিক কোন সময় সেক্স করা উচিত নয়, আসুন জেনে নিই মিন্নিসহ সব আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান রিফাতের বোন গির্জায় আটকে ৩ দিন ধরে কিশোরীকে ধর্ষণ করে ফাদার সুপার ওভারে মুম্বাইকে হারাল বেঙ্গালুরু লঙ্কা সফর স্থগিত, সুখবর পেলো বাংলাদেশ ২৯ ছক্কায় ৪৪৯ রান, ভাঙলো যেসব রেকর্ড কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ মারা গেছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে কিছুই বলেননি শিক্ষামন্ত্রী হাসু আপাকে জড়িয়ে ধরে শুধু কাঁদতাম সিলেটের ধর্ষকদের ফাঁসি চাই, বাবলাদের রাজনীতি চাই জাতীয় পরিচয়পত্রের যাবতীয় কাজ এখন অনলাইনে প্রভার আরেক ভিডিও, নেট দুনিয়া তোলপাড় এমসি কলেজে ধর্ষণে জড়িতদের সরাসরি ক্রসফায়ারে দিতে বললেন হানিফ

‘এখন আমাদের মাথা গোঁজার জায়গাটুকু নেই’

‘মধুমতী নদীতে স্থায়ী বাঁধ দেয়া গেলে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি ভাঙন থেকে রক্ষা পেত। এখন আমাদের মাথা গোঁজার জায়গাটুকু নেই। অনেক বাড়িঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।’

কথাগুলো বলছিলেন মধুমতী নদীর ভাঙনের শিকার ফরিদপুরে আলফাডাঙ্গা উপজেলার পাচুড়িয়া ইউপির বাসিন্দা ইকরামুজ্জামান।

জানা গেছে, উপজেলার মধুমতী পারের বাজড়া, চর আজমপুর, চরডাঙ্গা, চাপুলিয়া, চরধানাইড়, শিকিপাড়া, চরনারান্দিয়া, বাঁশতলাসহ ১০টি গ্রাম এখন হুমকির মুখে রয়েছে। গোপালপুর-চরডাঙ্গা পাকা সড়কের প্রায় ৫০০ মিটার নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। নদীগর্ভে চলে গেছে চাপুলিয়া গুচ্ছগ্রাম ও আশ্রয়ন কেন্দ্রের ৬৫টি ঘর, বাজড়া পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ, চরআজপুর গ্রামের বাড়িঘরসহ ত্রিশটি স্থাপনা। হুমকির মুখে রয়েছে বাজড়া চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিসহ অনেক বাড়িঘর।

ফরিদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ জানান, মধুমতী তীরের টগরবন্দ, গোপালপুর, বুড়াইচ ও পাচুড়িয়া ইউপির ১০-১২টি গ্রামে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে পাকা সড়ক, বাড়িঘর, কৃষিজমি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ গাছপালা ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

আলফাডাঙ্গা উপজেলার বাজড়া, চর আজমপুর, চাপুলিয়া, চরধানাইড়, শিকিপাড়া, চাপুলিয়াসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

তিনি আরো জানান, ভাঙনরোধে ৩০ হাজার বস্তা বালুভর্তি জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। আগামী শুস্ক মৌসুমে ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের প্রকল্প উচ্চপর্যায়ে পাঠানো হয়েছে।

টগরবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হাচান শিপন সরকার জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের ১০ কেজি করে চাল দিয়েছে সরকার।

ফরিদপুর-১ আসনের এমপি মনজুর হোসেন জানান, নদীভাঙন থেকে সম্পদ রক্ষায় স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা চলছে। আপাতত ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বাঁধের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্প তৈরি করছে। এটি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে চেষ্টা চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37524675
Users Today : 3086
Users Yesterday : 6367
Views Today : 8259
Who's Online : 37
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone