রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
রাজধানীর দুই এলাকায় করোনার সর্বাধিক সংক্রমণ গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শেষ হচ্ছে ১৫ এপ্রিল রামগতিতে ট্রাক্টরচাপায় শিশুর মৃত্যু সন্ধ্যা ৬টার পর ফার্মেসি-কাঁচাবাজার ছাড়া সব দোকান বন্ধ বিয়েবাড়িতে মেয়েদের নাচানাচির ছবি তোলা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০ পাঁচ উপায়ে দূর করুন বিরক্তিকর ব্রণ ডালিমের ১০ আশ্চর্য গুণ যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছরে একশত বিলিয়ন মার্কিন ডলারের জলবায়ু তহবিল করবে বাসাভাড়া নিতে বাড়িওয়ালাকে নকল স্বামী দেখালেন প্রভা! প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ‘মহব্বত’ সংকটে করোনা রোগীরা হাসপাতালগুলোতে ঘুরেও মিলছে না শয্যা অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা ব্রিটেনের রানি ও প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার চিঠি টিকা প্রতিরোধী ভয়ঙ্কর ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল হবে বাংলাদেশ! লকডাউনে পোশাক কারখানা বন্ধ কিনা, জানা যাবে কাল

“এমন রমজান দেখেন নি কেউ”

 
 
রিপোর্টঃরেদোয়ান হোসেন শাওন,সিলেট জেলা প্রতিনিধি 
 
ডেস্কঃজন্মের পর থেকে অনেক টা সময় কেটে গেছে অনেকের কিন্তু এর আগে কেউ দেখেন নি এমন রমজানকে, বরাবরই পেয়েছেন ধর্মীয় উৎসবের আমেজে।রোজার চাঁদ দেখা তারাবী পড়া নেই সেই আমেজ।
 
মাগরিবের নামাজ আদায়ের পর আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতেন অনেকে এক ফাঁলি চাঁদের আশায়। তারপর মসজিদে মসজিদে ঘোষণা হতো, ‘আহলান, সাহলান, মাহে রমজান।’ এই ঘোষণা যত দূর ভেসে যেত বাতাসে, আনন্দের বার্তাও ততদূরই পৌঁছে যেতো মুসলিম জনসাধরণের কানে কানে। 
 
সিলেটের বাসিন্দারা ‘চাঁদ দেখার ঘোষণার পর পরই তারাবির নামাজের প্রস্তুতি নিতেন। মসজিদে তারাবির নামাজে প্রথম কাতারে গিয়ে শামিল হওয়ার জন্য তাড়না কাজ করতো সবার মাঝে। কিন্তু এবার যখন মসজিদ থেকে ভিন্নরকম ঘোষণা আসলো, অনেকের মনে হচ্ছিলো বুকের ভেতরটা ধুমড়ে-মুচড়ে যাচ্ছে।’ শুধু বড়রাই নয় ছোটরাও জানিয়েছে- এমন ধর্মীয় আবেগ-উচ্ছ্বাসহীন বিবর্ণ রমজান তাদের জীবনে এর আগে আসেনি।
প্রাণনাশী করোনাভাইরাসের কারণে পৃথিবীজুড়ে নেমেছে গভীর শোকের ছায়া। সাধারণ জনজীবন আজ বিপন্ন অদৃশ্য এই ভাইরাসের ভয়ে। এখনো কোনো প্রতিষেধক বেরোয়নি কোভিড-১৯ দমনে। নেই কোনো চিকিৎসাও। বলা হচ্ছে, ঘরে থাকা আর শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা ছাড়া করোনা থেকে বাঁচার কোনো উপায় নেই।
 
এই পরিস্থিতিতে সারা দেশের মতো সিলেটেও আজ মানুষ ঘরবন্দি হয়ে আছেন। সিলেটের কোটির অধিক বাসিন্দা আজ চারদেয়ালের মাঝে দিনকে রাত করছে, রাতকে করছে দিন। বন্ধ করা হয়েছে সব জনসমাগম। মসজিদসহ ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতেও গণজমায়েত নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সেই সুবাদে রমজানের তারাবির নামাজ আদায়েও মুসল্লি সংখ্যা ঠিক করে দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ১২ জনের অধিক যাতে মসজিদে তারাবির নামাজে মুসল্লি না হন, সে বিষয়ে আছে কড়াকড়ি। তাই এবার সিলেটের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিকে তারাবির নামাজ পড়তে হচ্ছে ঘরে।
 
সিলেট মহানগর ও শহরতলির কয়েকটি মসজিদে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখেই মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। বিভিন্ন মসজিদে কমিটি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ১২ জন মুসল্লি নিয়ে এশা-তারাবির নামাজ আদায় করা হয়েছে। আবার বিভিন্ন মসজিদে তারাবির জামাতই অনুষ্ঠিত হয়নি। এশার নামাজ জামাআতে পড়ার পর মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এসব মসজিদের মুসল্লিরা যার যার ঘরে গিয়ে তারাবিহর নামাজ আদায় করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38441033
Users Today : 509
Users Yesterday : 1570
Views Today : 4086
Who's Online : 21
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone