Home / রাজশাহী বিভাগ / এমপি ফারুকের কোনো বিকল্প নাই

এমপি ফারুকের কোনো বিকল্প নাই

 

আলিফ হোসেন, তানোর
রাজশাহী অন্চলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এমপি আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর কোনো বিকল্প নাই যাকে সবাই রাজনৈতিক অঙ্গনের বিগ বস্ হিসেবেই চেনেন। রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হবার অনেক আগেই তিনি অর্জন করেন সিআইপি মর্যাদা এবং হয়েছেন রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি, বর্নাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী,৷ রয়েছে নিজস্ব স্বকীয়তা, সামাজিক ও পারিবারিক ঐতিহ্য এবং পরিচয়। তিনি অনেক আগেই আদর্শিক, কর্মী-জনবান্ধব, সৎ রাজনৈতিকের প্রতিকৃতি ও গণমানুষের নেতার উপাধীও অর্জন করেছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এমপি ফারুক চৌধুরী তানোর-গোদাগাড়ী থেকে প্রতিদিন যদি ৫ জন মানুষের উপকার করে থাকেন, তাহলে ৩৬৫ দিনে ১৮২৫ জন এবং ২০ বছরে ৩৬ হাজার ৫০০ জন মানুষের উপকার করেছেন। তাহলে উপকারভোগী এই মানুষগুলো তো এখানো এমপির পক্ষে মাঠে রয়েছে এমপির জন্য জীবন বাজি রেখে কাজ করতে প্রস্তুত আছে। তাহলে তাকে যারা জনবিচ্ছিন্ন বলছে তারা কারা, আর এদের পরিচয় দেবার মতো কিছু আছে কি?  না নাই।  তবর এদের সঙ্গেও অনেক মানুষ রয়েছে যারা সবাই পাওনাদার কেউ সালিশের জরিমানার টাকা,কেউ চাকরির অাশায় দেয়া টাকা, কেউ গভীর নলকুপের অপারেটর নিয়োগের টাকা ইত্যাদি যাদের সবাই কমবেশী পাওনাদার।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সব প্রটৌকল ভেঙ্গে একক ক্ষমতা বলে আওয়ামী লীগে যোগদান করিয়ে ফারুক চৌধুরীকে রাজনীতিতে নিয়ে এসে এমপি নির্বাচনে ৫ বার দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন, একবার প্রতিমন্ত্রী এবং জেলার সভাপতি ও সম্পাদক করেছেন। একজন নেতা বা কর্মীর প্রতি কতটা আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসা থাকলেই কেবল একটি রাজনৈতিক দলের সভাপতি কাউকে এভাবে সম্মানিত করেন সেটার গভীরতা অনুধাবন করতে হবে। তবে এমপিবিরোধী একশ্রেণীর রাজনৈতিক বেকুবদের সেই সম্পর্কে কোনো ধারনা বা গ্যান নাই। আবার জনপ্রতিনিধি হিসেবে কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় বৃক্ষরোপণে রাস্ট্রপতি ও প্রধান কর্তৃক স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌচ্ছাতে চাই, ফারুক চৌধুরী সেখান থেকে নেমে এসে রাজনীতি করেন। ফলে রাজনীতিতে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতায় ফারুক চৌধুরীদের মতো নেতৃত্বকে হারানো যায় না, তবে দল, নেতা, নেতৃত্ব সর্বপোরী নিজের অবস্থান ধরে রেখে দলের আগাছা-পরগাছা ছুড়ে ফেলে দলের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে কখানে কখানো তারা হেরে গিয়ে বিজয়ের স্বাদ গ্রহণ করে। তাদের এই হারে পরাজয়ের গ্লানি নয় থাকে বিজয়ীর উল্লাস রাজনীতি সব সময় বিজয়ী নয় হেরে গিয়ে বিজয়ের স্বাদ নিতে হয়। তাই ফারুক চৌধুরীদের মতো নেতৃত্বের সঙ্গে প্রতিযোগীতার নামে বিরোধ নয় তাদের সঙ্গে সমঝোতা করে চলতে এবং তাদের কাছে থেকে শিখতে হয়  ঠান্ডা-শিতল ঘরের রাজনৈতিক কলাকৌশল। আর যাদের এসব বোঝার ক্ষমতা নাই তারাই রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়ে অতল গহবরে হারিয়ে যায়। ডিজিটাল বাংলাদেশে এখন মাঠে-ঘাটে বগী আওয়াজ দিয়ে বা ভাড়া করা লোক দিয়ে সমাবেশ করে রাজনীতি হয় না ,এখন ঠান্ডা-শিতল ঘরে বসে গরম কফির কাপে চুমুক দিয়ে ও টেলিভিশনের পর্দায় ফর্মুলাওয়ান ওযান দেখতে দেখতে রাজনীতি হয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত,
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনে এমপি ফারুক চৌধুরীর পুনঃরায় সভাপতি হবার সুযোগ থাকলেও তিনি সভাপতি না হয়ে তার অনুগতদের সভাপতি-সম্পাদক করে তার প্রতিপক্ষদের আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলে তার রাজনৈতিক দুরদর্শীতার পরিচয় দিয়েছেন, এবং তিনিই একমাত্র নেতা যিনি নিজেই দলের সভাপতির কাছে জেলা সভাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। যেখানে দলের একটি পদের জন্য অন্যরা এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করে ক্লান্ত হয়ে পড়ে,সেখানে এমপি ফারুক এমনই নেতা যিনি জেলার সভাপতির পদ স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিতে পারেন। অথচ তার বিরোধী একশ্রেনীর রাজনৈতিক বেকুব এমপি ফারুকে হারিয়েছেন ভেবে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে পরক্ষনেই ভুল ভাঙ্গলে সেই ঢেঁকুর আর গিলতে পারছে না। রাজশাহী-১ আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখানো এমপি ফারুকের তেমন কোনো বিকল্প নেতৃত্ব গড়ে উঠেনি বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।#

নিউজটি লাইক দিন ও আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

About jahir

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

লালপুরে একদিনে সর্বচ্চ নয় জনের দেহে করোনা শনাক্ত মানা হচ্ছেনা সামাজিক দুরত্ব

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ নাটোরের লালপুর উপজেলায় একদিনে নতুন করে সর্বোচ্চ আরো ৯ ...