শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:০৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
এক বছর ধরে বানানো ড্রাইভার মালেকের ‘আদুরে’ দরজার দাম কত? পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা বিএনপিকে ৫ কোটি টাকা দিয়েছিল: তথ্যমন্ত্রী ৪৩ বছর ধরে মহাকাশে ঘুরছে দুই বোন! লাল-সবুজ ট্রে‌নেই বিমা‌নের সু‌বিধা, বিলাসবহুল সেবার সর্বোচ্চ শিখরে রেল বিশ্বের ধনী দশ ড্রাইভার কুষ্টিয়ায় আকাশ থেকে অঝোরে ঝড়ছে মদ-ফেনসিডিল-পাতার বিড়ি গাইবান্ধায় ১ হাজার ১৫৫ জনের করোনা শনাক্ত, সেরে উঠেছেন ১ হাজার ১৯ জন তানোরে দিনব্যাপী আদিবাসী ফুটবল টুর্নামেন্ট শিবগঞ্জে প্রাচীর নির্মাণ কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ গৃহবধুসহ আহত ৬ স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা : রেজাউল করিম চৌধুরী কুঁড়িপাড়ায় মসজিদ কমিটি নিয়ে উত্তেজনা পুলিশের উপস্থিতিতে হাতাহাতি শারীরিক মিলন নিয়ে ১৫টা অজানা সত্যি তথ্য জেনে নিন নারীকে কাম উত্তেজিত ও দীর্ঘ সময় মিলনের সহজ উপায় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির দায়িত্বে রেজিস্ট্রার, ক্ষোভ-বিক্ষোভ অসন্তোষ শেখ ফজলুল হক মনি: যুব রাজনীতির স্থপতি

এ যেন ‘আয়নাবাজি’, কুমিল্লায় টাকার বিনিময়ে কারাগারে ‘নকল আসামি’

কুমিল্লায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক মামলার আসামির হয়ে কারা ভোগ করেছেন অন্যজন। এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, মামলার মূল আসামি জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আনোয়ার হোসেন। কিন্তু টাকা নিয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে গিয়েছেন বরুড়া উপজেলার নকল আসামি হানিফ।

গত ৮ জুলাই আদালতে আত্মসমর্পণের পর জেলহাজতে পাঠানো হয় এই ভুয়া আসামি হানিফকে। সোমবার (১০ আগস্ট) জামিন চাইতে গেলে ‘আয়নাবাজি’র এ ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কারাগারে যাওয়া হানিফ বরুড়ার বড় হাঙ্গিনীর মৃত মনু মিয়ার ছেলে। অন্যদিকে প্রকৃত আসামি আনোয়ার হোসেন। ব্রাহ্মণপাড়ার গঙ্গানগরের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পিপি জহিরুল ইসলাম সেলিম জানান, আনোয়ার তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদক মামলা রয়েছে আটটি। কুমিল্লা সদর থানায় দায়ের হওয়া ২০১৯ সালের একটি মাদক মামলায় টাকার বিনিময়ে আনোয়ার তার পরিবর্তে হানিফকে ৮ জুলাই আত্মসমর্পণ করায়। গতকাল জেলা সেশন জজ আদালতে ওই মামলার জামিন আবেদন করা হয়। গোপন সূত্রে তিনি ভুয়া আসামির বিষয়টি জানতে পেরে আদালতকে অবহিত করেন। তখন আদালত মামলাটি সদর কোর্টে পাঠান। পরে আদালত মুলতুবি ঘোষণা করা হয়।

মামলার বাদী কুমিল্লা সদর থানার এসআই নন্দন চন্দ্র সরকার জানান, ২০১৯ সালের ১৩ জুলাই মাদক ব্যবসায়ী হেলাল ওরফে মুরগি হেলালকে দুই কেজি গাঁজাসহ আটক করি। পরে আসামি হেলাল আরেক মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ারের নাম জানায়। এ বিষয়ে তখন কোতোয়ালি থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করি। ওই মামলায় আসামি ছিল আনোয়ার হোসেন।

আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত আসামি ছিল আনোয়ার হোসেন। তার বিরুদ্ধে ৮টি মাদক মামলা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অপরাধধর্মী থ্রিলার চলচ্চিত্র ‘আয়নাবাজি’ত দেখা যায় এমন দৃশ্য। যেখানে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের বদলে ভাড়ায় জেলখাটে ‘আয়না’ চরিত্রটি।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37491821
Users Today : 5850
Users Yesterday : 6154
Views Today : 16397
Who's Online : 61
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone