শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০১:৫৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে গরম কাপড়ের কদর  বেড়েছে বরিশালে।  শাহসুফি সৈয়দ ক্বারী অাব্দুল মান্নান শাহ( রাঃ) এর বার্ষিক ওরশ ও ঈদে মিলাদুন্নবী( সাঃ) সম্পন্ন। শিবগঞ্জে মামলার প্রতিবাদ ও ধর্ষণের চেষ্টা মামলার সুষ্ঠ তদন্ত চেয়ে সংবাদ সম্মেলন শিবগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মা ও ছেলেকে লাঞ্চিতের অভিযোগ ডা. মিলনের রক্তের সাথে বেঈমানি করবেন না : মোমিন মেহেদী ঝালকাঠি সদর থানার ওসি খলিল মানবিক সেবায় অনন্য।মাদক সেবীদের আতঙ্ক ।  বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটকা পড়েছে করোনা সনদ না থাকায় পাসপোর্ট যাত্রীরা তারেক রহমানের ৫৬তম জন্মদিন উপলক্ষে গাবতলীতে যুবদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ব্যারিস্টার এসএম সাইফুল্লাহ রহমান কেন্দ্রীয়  যুবলীগের সদস্য মনোনীত হওয়ায় ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শুভেচ্ছা সাঁথিয়ায় ধুলাউড়ি গণহত্যা দিবস পালিত নলছটিরি নাচনমহল ইউনযি়ন পরষিদরে চয়োরম্যান র্প্রাথী মাসুম বল্লিাহ শক্ত অবস্থানে মাঠ।ে বিরামপুরে পাকা রাস্তার কাজের অনিয়ম দেখার দ্বায়িত্বে কে! দুমকিতে দেশী-বিদেশী মদসহ যুবক আটক সাবেক সেনা সদস্যের বাড়ি থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার বেরোবিতে দুর্নীতির খবর ঢাকতে উপেক্ষিত তথ্য অধিকার আইন

ওড়না ছাড়া ছবি  দিবে আর ছেলেরা বাজে  মন্তব্য করলে দোষ দিবে সমস্ত পুরুষ  জাতিকে,,

সাভার ব‍্যুরো চীফ রিপোর্টার ( জুয়েল খান )# নারী নির্যাতন  আইনের  পাশাপাশি  পুরুষ নির্যাতন আইন থাকা উচিৎ, না হলে অনেক পুরুষ  মিথ্যা  নারী নির্যাতন  মামলায় ধংস হয়ে যাবে,
মনে রাখতে হবে  পুরুষ আমাদের  বাবা,  ভাই ও ছেলে।
#সেক্স তো আর ছেলে একা করতে পারে না মেয়ের. অনুমতি ছাড়া,,
ওড়না ছাড়া ছবি  দিবে আর ছেলেরা বাজে  মন্তব্য করলে দোষ দিবে সমস্ত পুরুষ  জাতিকে,,
লুচ্চার সাথে প্রেম করে ছ্যাকা খাবে,
 আর বলবে সব ছেলেরা খারাপ।
প্রেম করে বেশ্যাদের মত শরীর বিলিয়ে দিবে,  আর ছেলেটা break up করল তারপর বলবে সব ছেলেরা দেহ পাগল,,
 মাঝে মাঝে পোস্ট করো সব ছেলেরা ছেচড়া কারন তোমাকে মেসেজ দিয়ে ডিস্টার্ব করে,
 তুমি এতো ভালো তাহলে অপরিচিত কেউ রিকুয়েস্ট পাঠালে এক্সেপ্ট   করো কেন,,,,?
 আর কিছু মেয়ে break up এর  ভয়ে bf এর সাথে সেক্স করার জন্য রাজি হয়,,
  যে তোমায় ভালোবাসে সে তোমার সাথে কখনো সেক্স করা তো দূরের কথা ওই শব্দ উচ্চারণ করবেনা।
হ্যাঁ, এখন নিউজ চ্যানেল খুললেই ধর্ষণের খবর প্রতিদিন একটা না একটা থাকেই সেগুলো কাপুরুষ ব্যাতিক্রমের দলে জোর করে সন্মানহানী করে, কিন্তু যার সাথে প্রেম করছো তাকে নিজে ইচ্ছায় Break up বা অন্য কিছুর ভয়ে নিজের দেহ বিলিয়ে দিচ্ছ,পরে Break up হলেই ছেলেটা ধর্ষক বা ছেলে মাত্রই ধর্ষক এগুলো কি কথা,যদি সব ছেলেরা ধর্ষক হত নারী তুমি তোমার বাবার রাজকন্যা হতে পারতেনা।
নারী তুমি সত্যিই সৎ হলে সৎ ছেলেকে ঠিকই চিনতে পারবে, ছেলেটার টাকা, সম্পদ, কিউট হলেই সৎ হয়না(কিছু ব্যাতিক্রম), তাই ছেলেদের চিনতে শিখুন, আর সব ছেলেকে একই দোষারোপ করবেনা।
নারী তুমি মায়ের জাত নিজের ইজ্জত নিজে রক্ষা করতে শেখো,️
অহেতুক ভালোবাসার অজুহাতে কোন ছেলেকে সবটা দিয়ে নিজেকে কলঙ্কিত করোনা,,
আমি জানি আমার  কথাগুলো অনেকের কাছে বিষের মতো  লাগতে পারে.
আর উচিত কথাগুলো আসলেই তেতো হয়,,,
 আমি যদি কিছু ভুল বলে থাকি সবাই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ।।দাজ্জালের জন্য চাই অনেক জারজ সন্তান। যারা হবে তার বিশেষ ফোর্স। সেজন্য হতে হবে একটি বেহায়া সমাজ যেখানে অবাধে চলবে #সেক্স। আজ সে পথেই হাঁটছে সোনার বাংলার কোমলমতি শিশুরা,,,,,,,,,পুরোটা পড়বেন
#আচ্ছা দাদা, আপনি #সেক্স করলে কতক্ষণ করতে পারবেন? #দশ মিনিট, #বিশ মিনিট, সর্বোচ্চ #ত্রিশ মিনিট।
এই ত্রিশ মিনিটের আনন্দ #উপভোগ করার জন্য, একটা মেয়েকে ভালোবাসার মায়ায় ফেলে, #প্রেমের_নাটক করে, বাকি ত্রিশটা বছরের জীবন কেনো নষ্ট করছেন? এই ত্রিশ মিনিটের আনন্দ উপভোগ করার জন্য আপনি #পতিতালয়ে বিভিন্ন বয়সের মহিলা পাবেন, যারা আপনাকে ত্রিশ মিনিটের বেশিও #তৃপ্তি দেবে। সেখানে গিয়ে আপনার আনন্দটা উপভোগ করে আসতে পারেন। তবুও একটা মেয়ের সাথে বাকি ত্রিশ বছরের জীবন #নষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন দয়া করে।
#কথা টা সেই সকল ছেলেদের উদ্দেশ্যে যারা প্রতিনিয়ত কোনো না কোনো মেয়ে কে প্রেমের #জালে #ফাঁসিয়ে এসব #নোংরামো করে চলেছে..,,
#এখানে_অনেকেই বলবেন একহাতে তালি বাজে না। হ্যাঁ “একহাতে তালি বাজে না” এটা ঠিক #কথা। মেয়ে গুলো তো বাধ্য হয়ে প্রতিবাদ করার বদলে পরিস্থিতির #স্বীকার হয়! কারন তাদের মনে ভয় কাজ করে… সেক্স করতে রাজি না হলে যদি তার #বয়ফ্রেন্ড তাকে ছেড়ে চলে যায়! তাই বাধ্য হয়েই পরিস্থিতি স্বীকার হয়। এখন 90% ছেলেরাই #মেয়েদের কে ভোগ্য পণ্য হিসেবে দেখে তাদের উদ্দেশ্যে
#আপনি_ছেলে, আপনার #উত্তেজনা থাকবে এটাই #স্বাভাবিক। তাই বলে কি, একটা #মেয়ের সাথে #ভালোবাসার দোহাই দিয়ে, প্রেমের #অভিনয় করে, #ফিলিংস নিয়ে খেলা করে তার জীবনটা নষ্ট করতেই হবে? আপনি কি একবারও ভেবেছেন, কতটা #বিশ্বাস করার পর মেয়েটা আপনাকে তার জীবনের সম্মানটা বিলিয়ে দিচ্ছে? আপনি তা একবারও না ভেবে, মেয়েটার #সম্মানটা নিয়ে খেলা করার পর, তাকে আর চিনতেও রাজি না। আর চিনবেন ই বা কেনো, আপনি যা করতে চাচ্ছিলেন, তা তো করেই ফেলেছেন। কিন্তু পরবর্তী মূহুর্তে #মেয়েটার কথা একবার ও ভাবলেন না, যে আপনার ত্রিশ মিনিটের আনন্দের জন্য মেয়েটা তার #শরীরের সাথে তার পুরো #জীবন টা বিলিয়ে দিলো। কেউ আপনাকে বিশ্বাস করলে, তার #মর্যাদা রাখতে #শিখুন নাহলে এই  ঘটনাই
#ভবিষ্যতে_আপনার_মেয়ের সাথেও ঘটতে পারে! আজ হয়তো আপনি একটা #মেয়ের যৌবন শেষ করে পার পেয়ে গিয়ে নিজেকে অনেক মহান মনে করেছেন। কিন্তু সময় থেমে থাকেনা এই ঘটনাই #ভবিষ্যতে আপনার বাড়ির মেয়ের সাথেও ঘটবে। এটা কারো #অভিশাপ না #নিয়তির_বিচার!
ধন্যবাদ
#ভালো_লাগলে_Share_করতে পারেন#ভাবিয়া করিও_কাজ_করিয়া ভাবিও_না
আচ্ছা! তােমার কি লজ্জা করে না?
তােমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে অবাধ মেলামেশা করাে!
বাসায় ফিরে সেই নষ্ট শরীর নিয়ে নিজের মা-বাবার সামনে
দাঁড়াও!
ঘন্টার পর ঘন্টা আবাসিক হােটেলে অথবা বন্ধুর বাসায়
মেলামেশায় ব্যস্থ এবং কোন কারণে ব্রেকাপ হওয়ার পর
অবশেষে অপরিচিত একজনের সাথে যখন সেজে গুজে বিয়ের
পিড়িতে বসাে!
– তখন একবারও কি লজ্জা লাগে না?
একবারও কি ভাবাে না?
আমি কেন এত সাজুগুজু করছি,
কি আছে আমার কাছে,
আমি তাে চরিত্রহীনা,
আমি তাে আমার স্বামীর হক নস্ট করে ফেলেছি,
আমি তাে তাকে ঠকিয়ে ফেলতেছি।
একবারও কি মনে হয় না, কিসের এত আয়ােজন?
এই নস্ট শরীরটাকে লাল কাপড়ে পেচিয়ে,
সােনার হার-বালা-কানের দুল পরে এবং শরীরের উচুভূমিকে
জোর করে সমতল ভূমি বানিয়ে বিয়ের আসর পার করে দিলেই
কি তুমি নিজেকে সত্বী মেয়ে
প্রমাণ করে ফেলছাে?খ
জানি, তখন তােমার বিবেকে নাড়া দিবে, তুমি চোখের জল
ফেলবে এবং বলবে যে, কেন আগে এসব করলাম।
হয়তাে স্বামীর কাছে অস্বীকার করে পার পেয়ে যাবে,
হয়তাে তােমার স্বামী #ভাবিয়া_করিও_কাজ_করিয়া_ভাবিও_না
আচ্ছা! তােমার কি লজ্জা করে না?
তােমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে অবাধ মেলামেশা করাে!
বাসায় ফিরে সেই নষ্ট শরীর নিয়ে নিজের মা-বাবার সামনে…দাঁড়াও.. তোমার কি লজ্জা করে না..?
ঘন্টার পর ঘন্টা আবাসিক হােটেলে অথবা বন্ধুর বাসায়
মেলামেশায় ব্যস্থ এবং কোন কারণে ব্রেকাপ হওয়ার পর
অবশেষে অপরিচিত একজনের সাথে যখন সেজে গুজে বিয়ের
পিড়িতে বসাে!
– তখন একবারও কি লজ্জা লাগে না?
একবারও কি ভাবাে না?
আমি কেন এত সাজুগুজু করছি,
কি আছে আমার কাছে,
আমি তাে চরিত্রহীনা,
আমি তাে আমার স্বামীর হক নস্ট করে ফেলেছি,
আমি তাে তাকে ঠকিয়ে ফেলতেছি।
একবারও কি মনে হয় না, কিসের এত আয়ােজন?
এই নস্ট শরীরটাকে লাল কাপড়ে পেচিয়ে,
সােনার হার-বালা-কানের দুল পরে এবং শরীরের উচুভূমিকে
জোর করে সমতল ভূমি বানিয়ে বিয়ের আসর পার করে দিলেই
কি তুমি নিজেকে সত্বী মেয়ে
প্রমাণ করে ফেলছাে?খ
জানি, তখন তােমার বিবেকে নাড়া দিবে, তুমি চোখের জল
ফেলবে এবং বলবে যে, কেন আগে এসব করলাম।
হয়তাে স্বামীর কাছে অস্বীকার করে পার পেয়ে যাবে,
হয়তাে তােমার স্বামী সব বুঝেও কিছু জিজ্ঞেস করবে না। কারণ
স্বামী মেনে নিতে বাধ্য। কিন্তু সারাটি জীবন তাে কলংকের দাগ
থেকেই যাবে!তাইতাে বলছি,
নিজের সতীত্বের সম্মান দিতে শিখাে।
সামান্য একটা বয়ফ্রেন্ডের দু চারটা মিস্টি কথা শুনে
যে, সব বিলিয়ে দিতে হবে এমন তাে নয়!
– নিজের মনকে শক্ত করাে, আল্লাহ কে ভয় করাে!
মেয়েদের জীবন বড়ই কঠিন!
সতীত্ব ঠিক রাখা সেই কঠিন জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজ!m
আজকাল অনেক ছেলে মেয়েদের মাঝে ভালােবাসা মানে
#সেক্স!
২/৩ মাসের সম্পকের পরই নাকি এটা প্রয়ােজন হয়ে দাড়ায়!
কিছু মাস বা ১/২ বছর পর এমন এক পরিস্থিতি দাড়ায়, এক
জিনিস কয়দিন ভালাে লাগে!
নতুন স্বাদের আশায় ভিন্ন মানুষ!
কিন্তু এটা চরম সত্য যে, ৯৮% ছেলেই কোন স্বার্থ ছাড়া
শারীরিক সম্পকের পর কোন মেয়েকে তার ঘরের বউ হিসেবে
মেনে নিতে চায়না!খ
• #মেয়েদের_বলছিঃ
আধুনিক যুগে মন দিয়েছাে বুঝলাম!
একবার ভেবে দেখাে তােমাকে বিয়ে করতে একটা ছেলের
চাকরি জোগাড়, পরিবারকে রাজি করানাে, মােহরানা, বিয়ের
খরচ ইত্যাদি কত ঝামেলা আর টাকার ব্যাপার—-
এর পর সে তােমাকে পাবে।
|
এখন তুমি যদি তার আগেই তাকে সব দিয়ে দাও তাহলে এত
ঝামেলা করতে কি তার মন চাইবে?
বিয়ে না করে ২টা মিষ্টি কথায় সব হলে পাগলেও
বিয়ে করবে না তােমাকে!
#বােন_নিজেকে_সস্তা_করাে_না….
তোমরা মা জাতি, তোমাদের অনেক সম্মান, যা সব ছেলেরা দিতে পারেনা।
যে ছেলে তোমার ভালোবাসা সরলতার সুযোগ নিয়ে তোমার দেহ ভোগ করতে চাবে, সে তোমাকে মন থেকে ভালোবাসে না। তাই বলছি সাবধান হয়ে যাও, যারা এই কথা বলে, তার থেকে নিজেকে দূরে রাখ।
#কারো_মনে_যদি_আঘাত_দিয়ে_থাকি এই পোস্টে প্লিজ মাফ করে দিয়েন।#সেক্স হচ্ছে শরীরের একটা চাহিদা।
ঠিক যেমন আমাদের ঘুম পায়, ক্ষুধা লাগে, তেমনি আমাদের লাগাইতে ইচ্ছে করে। লাগানোর ইচ্ছা করাটা অপরাধ না।
প্রশ্ন হচ্ছে, কাকে লাগাবো?
উত্তর টা সোজা, ক্ষুধা লাগলে খান কোথায়? বাসায়, অথবা হোটেলে পয়সা দিয়ে খান।
লাগানোর ব্যাপারটাও একই, বাসায় লাগান অথবা পয়সা দিয়ে অন্য কোথাও লাগান। যদি লাগাতে দেয়।
না, আমি নাটক করি, অথবা খুব পাওয়ারফুল, আমি চাইলেই কাউকে জড়িয়ে ধরতে পারি, জোর করে লাগাতে পারি।
জ্বি না খানকির পোলা, আপনি সেটা পারেন না। ঠিক যেমন ক্ষুধা লাগলে আপনি অন্যের থেকে জোর করে নিয়ে খেতে পারেন না, তেমনি লাগাইতে ইচ্ছা করলে অন্য কাউকে জোড় করে জড়িয়ে ধরতে পারেন না।
আমার ঘুমাইতে খুব সমস্যা হয়, খুবই গরম। পাশের বাড়িতে এসি আছে। এখন, সে যদি দয়া করে তার বিছানায় আমাকে শুইতে দেয়, সেটা তার মেহেরবানি। কিন্তু অন্যের বিছানায় জোড় করে ঘুমানোটা অন্যায়, জোর করে ছিনিয়ে খাওয়াটা অন্যায়।
তেমনি, অন্য কাউকে জোর করে লাগাইতে চাওয়াটা অপরাধ, এটা হচ্ছে রেপ। চোদনা, এটা আপনাকে অবশ্যই বুঝতে হবে।
তাইলে উপায় কি? ক্ষুধা তো লাগে, ঘরে ভাত ভালো লাগেনা, অথবা ঘরে ভাত নাই। তাইলে বড়জোড়, যার কাছে ভাত আছে, তারে রিকোয়েস্ট করতে পারেন। যদি দয়া করে খেতে দেয় সেটা তার মেহেরবানি।
লাগানোর ইচ্ছা করলে কাউকে করুণ গলায় ভিক্ষা চেয়ে দেখতে পারেন। দিলে ভালো, আবার লাথি দিলেও কিছু করার নাই।
সেক্স এর পেরা আপনার উঠবেই, জায়গা না পেলে একটা অন্য উপায় আছে, বিশেষ জায়গায় ইট বেধে রাখতে পারেন। জিনিস লম্বা হবে। এরপরে দুই পায়ের মাঝ দিয়ে পেছন দিয়ে নিজেকেই নিজে লাগাতে পারবেন। সেল্ফ সার্ভিস।
প্লিজ কাউকে জোর করবেন না, তাইলে আপনি একটা জাত মাদারচোদ ছাড়া উপাখ্যান পাবেন না।#ধর্ষণ
 কথাটার মানে তখনও অজানাই ছিলো আমার কাছে । বয়স তখন তিন কিংবা সাড়ে তিন । নিজেদের ঘরেই খেলছিলাম পুতুল নিয়ে । বাবা অন্যদিনকার মতোই অফিসে গিয়েছিলো আর মা গিয়েছিলো পাশের বাড়ির কাকিমার কাছে । ঘরে তখন শুধু আমি আর আমার দূর সম্পর্কের এক মামা । খেলতে খেলতে হঠাৎই মামা ডাকলো হাতে একখানা ক্যাডবেরি নিয়ে । ছোট্ট মেয়ে আমি ক্যাডবেরির লোভে দৌড়ে গেলাম মামার কাছে । আমার হাতে ক্যাটবেরিটা দিয়ে কেমন যেন অদ্ভুত ভাবে আমায় আদর করতে লাগলো মামা । ছোট্ট মেয়ে আমি , তবুও সেই নোংরা আদরে শরীরটা কেমন যেন শিরশির করে উঠেছিলো । আমার সারা শরীর , অগঠিত বুক , পেট , অপরিপূর্ণ যোনী-তে খেলা করছিলো দু’খানা হাত । পরিষ্কারভাবে না বুঝলেও এটুকুনি বুঝেছিলাম যে এই আদর এর আগে কখনো খাইনি । বাবা -মা- দাদু এমনকি ঠাম্মিও পর্যন্ত কোনোদিন এইভাবে আদর করেনি । খুব ব্যাথা লাগছিলো যখন দুটো হাত বারবার আমার শরীর মুচড়ে দিচ্ছিলো । যন্ত্রণায় মুখখানা নীল হয়ে গিয়েছিলো আমার । সেই মামার দু’চোখে তখন দেখেছিলাম এক হিংস্র দৃষ্টি , যা দেখে আমার বুক ভয়ে থরথর করে কেঁপে উঠেছিলো । এসব ঘটনা পরে বাবা -মা কে  বলতেও পারিনি । ছোট্ট মেয়ে তো , কোনটা উচিত আর কোনটা উচিত নয় , সেই জ্ঞানটাও হয়তো তখন ঠিক মতো হয়নি আমার । তাই হয়তো সাড়ে তিন বছরের ছোট্ট শিশুকে ধর্ষণ করেও অব্যাহতি পেয়ে গেছে সেই ধর্ষক ।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37868751
Users Today : 3949
Users Yesterday : 2663
Views Today : 13037
Who's Online : 91
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone