Home / অপরাধ / কক্সবাজারে সালিশী বৈঠকে হামলায় আহতের ঘটনার ৩ দিনেও মামলা হয়নি

কক্সবাজারে সালিশী বৈঠকে হামলায় আহতের ঘটনার ৩ দিনেও মামলা হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার :
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাইছড়ি গ্রামের ধোপার ডেইল এলাকায় সালিশী বৈঠকে নিজের ভাই, ভাতিজা ও ভাগিনাদের হামলায় একজনের হাড়ভাঙা গুরুত্বর জখমের ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করার ৩ দিন গত হয়ে গেলেও মামলা রুজু হয়নি। অন্যদিকে ঘটনায় গুরুত্বর আহত হাজী জাফর আলমের (৪৫) শরীরের একাধিক হাড়ভাঙ্গা জখমের ফলে দিন দিন অবস্থার অবনতি হচ্ছে। গত মঙ্গলবার (২ জুন) দুই ভাই ও ভাতিজাদের জমিজমা সংক্রান্তে সৃষ্ট বিরোধ স্থানীয় ভাবে নিরসনের জন্য এলাকায় বসা সালিশী বৈঠকে ভাই, ভাতিজা ও ভাগিনাদের এলোপাতাড়ি হাতুড়ির আঘাতে গুরুত্বর আহত হাজী জাফর আলমের মেরুদন্ডের ও ডান হাতের কনুইয়ের হাড়ঁ ভেঙ্গেঁ যায়। এ ঘটনায় ঘটনার দিনই আহতের স্ত্রী ছেনুয়ারা বেগম বাদী হয়ে উখিয়া থানায় এজাহার দিলেও রহস্য জনক কারণে দীর্ঘ ৩ দিনেও মামলা রুজু না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, এলাকার মৃত হাজী ইসলাম মিয়ার ছেলে মনজুর আলম ও ফরিদ আলমের  মধ্যে চলাচলের পথ ও জমির সীমানা বিরোধের ফলে গত ১ জুন সকালে ফরিদ আলম, তার দুই ছেলে মোবারক ও ফারুখ মনজুর আলমকে ছুরির আঘাত সহ মারধর করে। এ ঘটনায় মনজুর আলম (৩৮) ঐ দিনই উখিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত ঘটনা স্থানীয় ভাবে আপোষ-মীমাংশা করার জন্য আত্মীয়-স্বজন ও এলাকার গণ্যমান্য লোকজনের সমন্বয়ে ২ জুন এলাকায় সালিশী বৈঠক হয়। সালিশী বৈঠকের এক পর্যায়ে ফরিদ আলম (৫০), তার দুই ছেলে মোবারক (২৭) ও ফারুখ (২৫) এবং ভাগিনা মৃত রশিদ আহমদের ছেলে সাগর আলী (৩০) হাতুড়ি ও লোহার রড় দিয়ে মধ্যস্থকারী হাজী জাফর আলমকে বেদম
মারধর করে। আহত হাজী জাফর আলম কে প্রথমে উখিয়া হাসপাতালে ও পরে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেদিনই আহতের স্ত্রী ছেনুয়ারা বেগম বাদী হয়ে উখিয়া থানায় এজাহার দায়ের করেন। কিন্ত রহস্য জনক কারণে ঘটনার ৩ দিন গত হয়ে গেলেও এ নির্মম ঘটনায় থানা পুলিশ মামলা রুজু করেনি।
আহতের স্ত্রী  ছেনুয়ারা বেগম জানানা, আসামীরা আমার স্বামীকে আঘাত করে মেরুদন্ডের ও বাম হাতের হাড় ভেঙ্গে দিয়ে চিরতরে পঙ্গু করে দিয়েছে। গত ৩ দিন ধরে থানা পুলিশের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও এখনও মামলা রুজু হয়নি। আসামীরা এলাকায় প্রকাশ্যে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মর্জিনা আক্তার মর্জু জানান, ঘটনায় এজাহার পেয়েছি। মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সহ গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
নিউজটি লাইক দিন ও আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

About jahir

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ভারতীয় নারীকে বিয়ে-প্রতারণা, বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

ভারতীয় এক নারীকে গোপনে বিয়ে করে প্রতারণার অভিযোগে মনিরুল আহসান তালুকদার নামে ...