রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৬:২৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
চলমান লকডাউন আরো দুই দিন ভিভো ভি২০, ওয়াই২০ ও ওয়াই১২এস স্মার্টফোনে ডিসকাউন্ট! শিক্ষকের বাসা থেকে গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার ঝর্ণার সন্ধান পাচ্ছেন না গোয়েন্দারা কঠোর লকডাউন: বন্ধ হতে পারে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট প্রেমিকের সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ে দিলেন স্বামী ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্য করতে গিয়ে মরতে বসেছিলেন সজল-নওশাবা বাংলাদেশি ভেবে ভারতীয় যুবককে গুলি করলো বিএসএফ করোনায় সাভার মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীর মৃত্যু আইপিএলে কোহলি-ধোনিরা ভালো খেললেই হবে ডোপ পরীক্ষা লাইফ সাপোর্টে সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ বরের উচ্চতা ৪০ ইঞ্চি কনের ৪২ সাংবাদিক সুমনকে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের ৩ দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ ! রাজারাহাটে  ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের ত্রাণ বিতরণ নেত্রকোণায় শ্লীলতাহানির ঘটনায় জড়িত তিন অটোরিকশা চালক

ক’রোনা ইস্যুতে পোশাক শিল্প বন্ধ হলে, অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে -( বিজিএসএফ)

 

মুন্সী মেহেদী হাসান, সাভার :
পোশাক কারখানা বন্ধ না  করে, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধমূলক ব্যাবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে কারখানা সচল রাখার উপায় ভেবে দেখার আহবান জানিয়েছেন, বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন ( বিজিএসএফ)।
সোমবার বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান  ( বিজিএসএফ)শ্রমিক সংগঠনের   সভাপতি।
বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি – অরবিন্দু বেপারী বিন্দু জানান, করোনা ইস্যুকে কেন্দ্র করে তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হলে,  দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সে কারনেও তৈরি হতে পারে আরো ভয়ানক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি। ৪৫ থেকে ৫০ লক্ষ শ্রমিকের অধিকাংশ জীবন জীবিকার একমাত্র উপার্জন মাধ্যেম হলো পোশাক কারখানা। এ কারখানা বন্ধ হলে অধিকাংশ শ্রমিক পরিবার দারিদ্র্য সীমার নীচে পতিত হবে এবং মানবেতর জীবন ধারণ করতে হবে তাদের। বাড়তে পারে শ্রমিক অসন্তোষ। বিরাট একটি অংশ বেকারত্বের কারনে বাড়তে পারে অপরাধমূলক কর্মকান্ড। তখন পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রুপ নিতে পারে। অন্যদিকে ৪৫ থেকে ৫০ লক্ষ শ্রমিক কারখানা লক ডাউনের ফলে গনপরিবহন ব্যবহার করে গ্রামের বাড়িসহ বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করবে ফলে জনসমাগম ঈদের মতোই হতে পারে, এতে করে করোনা ঝুঁকি আরো বাড়তে পারে।
তাই আমরা মনে করছি পোশাক কারখানা গুলোতে লকডাউন না করে, যদি সকল কারখানায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধমূলক ব্যাবস্থা গ্রহনের মাধ্যমে সচল রাখা যায়, তাহলে করোনা মোকাবেলার পাশাপাশি অর্থনীতির চাকা সচল থাকবে এবং করোনা পরবর্তী সংকট মোকাবেলায় অন্যতম সহায়ক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও ঢুকে পড়েছে করোনা ভাইরাস  আতংক। বর্তমানে  দেশে এ ভাইরাসে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। আতংকে দেশের সকল কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ছে। দিন দিন করোনা ঝুঁকি বাড়ছে। সারাদেশে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নেওয়া হচ্ছে প্রতিরোধমূলক ব্যাবস্থা।
আর যদি সরকারের পক্ষ থেকে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করতেই হয়। তাহলে প্রতিটি কারখানা শ্রমিকদের ন্যায্য বেতন ভাতা পরিশোধসহ পরবর্তীকালীন শ্রমিকদের চাকুরী নিশ্চয়তাসহ    সকল দ্বায়- দ্বায়িত্ব সরকারের বহন করতে হবে। বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষথেকে  সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ও সরকারের কাছে    উপরোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর আহবান জানাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38441554
Users Today : 1030
Users Yesterday : 1570
Views Today : 11626
Who's Online : 30
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone