Home / ঢাকার সংবাদ / করোনা ঢাকা সিটিতেই প্রায় ৮৫ শতাংশ: স্বাস্থ্য অধিদফতর

করোনা ঢাকা সিটিতেই প্রায় ৮৫ শতাংশ: স্বাস্থ্য অধিদফতর

সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের প্রায় ৮৫ শতাংশ রাজধানী ঢাকাতেই।

সবশেষ গত ৭ মে এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত করোনায় মোট শনাক্তের মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৮৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং ঢাকা সিটির বাইরে কিন্তু ঢাকা ডিভিশনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জে সর্বাধিক ৪৪ দশমিক ৮৬ শতাংশ, চট্টগ্রাম ডিভিশনে ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ, ময়মনসিং ডিভিশনে ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ, রংপুরে ২ দশমিক ২৯ শতাংশ, সিলেটে ১ দশমিক ৬১ শতাংশ,  রাজশাহী ডিভিশনে ১ দশমিক ৯৪ শতাংশ ও বরিশালে ১ দশমিক ২৯ শতাংশ।

শুক্রবার রাজধানীর মহাখালীতে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এসব কথা বলেন।

ঢাকা সিটির মধ্যে সর্বাধিক ১০টি জায়গায় আক্রান্তের সংখ্যা নির্ণয় করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, রাজারবাগ, কাকরাইল, যাত্রাবাড়ী, মুগদা, মহাখালী, মোহাম্মদপুর, লালবাগ, তেজগা, মালিবাগ এবং বাবুবাজার এই দশটি জায়গায় সর্বাধিক থেকে সর্বনিম্ন আক্রান্তের তালিকা করা হয়েছে।  যেটা সর্বোচ্চ দুই শতাধিক এবং শেষ হয়েছে ৭৩ জনের মধ্যে।

ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৯১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ ২ হাজার ১০১ জন।

‘কোন বিভাগে কতজন সুস্থ হয়েছে যদি বিভাগ অনুযায়ী বলি, তাহলে সর্বাধিক সুস্থ হয়েছে রাজশাহী বিভাগে ৪৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় হাসপাতাল থেকে ২৩ জন, ঢাকা বিভাগীয় হাসপাতাল থেকে ২২ জন এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের আওতায় যে সব হাসপাতাল আছে সেখান থেকে সুস্থ হয়েছেন- যেমন কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল থেকে ১৫ জন, কুর্মিটোলা হাসপাতাল থেকে ১৫ জন, রিজেন্ট হাসপাতাল থেকে ২ জন, সাজেদা ফাউন্ডেশন হাসপাতাল থেকে ৮ জন ও রাজারবাগ হাসপাতাল থেকে ১৮ জন। শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ১৪ জন। এছাড়া খুলনা ডিভিশন থেকে ১০ জন সুস্থ হয়েছেন।

কোভিড-১৯ কারিগরি কমিটি সিদ্ধান্ত মোতাবেক যেসব রোগীর নিম্নোক্ত নির্ণয়কগুলো ঠিক থাকবে তাদেরকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া যাবে উল্লেখ করে অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, জ্বর কমানোর ওষুধ প্যারাসিটামল সেবন করলে যদি জ্বর সেরে যায়, শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের শুষ্ক কাশি, নিঃশ্বাসের সমস্যা ইত্যাদি উপসর্গ ও লক্ষণ এর উন্নতি হলে, ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর দুটি পরীক্ষায় করোনার নেগেটিভ হলে, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর রোগীকে অবশ্যই নিজ বাসায় অথবা মনোনীত জায়গায় আইসোলেশন অথবা অন্তরীণ এর নিয়ম মেনে চলতে হবে। হাসপাতাল হতে ছাড়পত্র পাওয়ার দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী ১৪ দিন সেখানেই অবস্থান করতে হবে। পরবর্তীতে সম্ভব হলে বাসায় থেকেই রোগীর করোনা পরীক্ষার নমুনা দেয়া যেতে পারে। এগুলো হলো রোগীর ছাড়পত্র পাওয়ার বিষয়ের নির্ণয়ক বলেও যোগ করেন তিনি।

নিউজটি লাইক দিন ও আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

About jahir

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

“অসহায় শিশুদের মাঝে ফল বিতরন”

 তাওহীদ হাসান, ঢাকা| অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ফল বিতরন করেছে এভারগ্রিন জুম ...