বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০১:০৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ইসলাম ধর্মের টানে অভিনয় ছেড়ে দিলেন বলিউড তারকা সানা ১২ বছরের শিশুকে পতিতাবৃত্তির লাইসেন্স দেয়া হচ্ছে! সেনবাগে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ৩ নোয়াখালীর সুবর্ণচরে কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটির গণশুনানীতে জেলা প্রশাসক চাটখিলে চাচিকে ধর্ষণ করে নগ্ন ছবি ধারণ,যুবলীগ সভাপতি গ্রেফতার জিয়া, এরশাদ ও খালেদার আমলে যে সব বিচারপতিদের অন্যায়ভাবে বিদায় করা হয়েছিল। বলাৎকারকারী!! “স্যার, ওরা তো খুব ছোট। তাই আমি সবসময় চেষ্টা করি, যেন ওরা বেশি ব্যথা না পায়। ব্রাভোর সঙ্গে সানি লিওনের যে ভিডিও ভাইরাল (ভিডিওসহ) নিজের ছেলেকেই ‘হাতুড়ি’ দিয়ে পিটিয়ে মারলেন বাবা (ভিডিওসহ) জন্ম নিয়েই মাস্ক ধরে টান চিকিৎসকের প্লেন থেকে ঝাঁপ দিলেন ১০৩ বছরের বৃদ্ধ! (ভিডিওসহ) গরুর জন্মদিন পালনের ভিডিও শেয়ার করলেন শেবাগ (ভিডিওসহ) যৌন সমস্যার ডাক্তারি সমাধান পার্ট ২ জেনে নিন কোথায় স্পর্শ করলে মেয়েদের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে রৌমারীতে শিক্ষার ক্ষেত্রে ও মানবসেবায়  অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন আঃ হাকিম মেম্বারের   

কুষ্টিয়ায় উন্নয়নের কান্ডারি জননেত্রী শেখ হাসিনার জম্মদিন পালন

 

কুষ্টিয়ার ব‍্যুরো চীফ রিপোর্টার কবি কে,এম,তোফাজ্জেল হোসেন জুয়েল ##

জননেত্রী শেখ হাসিনা আজ তোমার শুভজম্ম দিন

তুমি কোটি কোটি মানুষের মা শস্য,শেমলা,শুফলা বাংলা

আজ তোমারি গান গায় ,তুমি আপামর জনতার কান্ডারী

তুমি দেশনেত্রী শেখ হাসিনা তুমি উরব্বর জমিনের ন্যায়

বাংলাদেশকে সুন্দর সুফলা করিয়াছ এই দেশ তোমারি

আজ তোমার শুভজম্ম দিন ,এই নৌকা প্রতিক তোমারি

জয়গান গায় এই বাংলার মানুষ তোমারি জয় গান গায় ।

তুমি দুঃসাহসি নাবিকের ন্যায় অসম্ভবকে জয় করিয়াছ

এই আকাশ চন্দ্র তারা তোমারি জয়োগান গায় ,

তুমি কত দুঃখ কষ্ট সহে এই বাংলার বুকে হয়েছ বড় ।

বাংলাদেশ সমস্ত নেতা,নেএী বিন্দু,শুধু তোমার চোখে দেখে

ভালবাসা আর ভালবাসা উন্নয়ন আর উন্নয়ন ,

তুমি জন নেএী শেখ হাসিনা আজ তোমার শুভজম্ম দিন

আমরা তোমার , এই দেশ তোমার আজ তোমার শুভজম্ম

দিনে সমস্ত কুষ্টিয়া বাসির পক্ষ থেকে জম্মদিনের শুভেচ্ছা

এই বঙ্গভূমি তোমার তুমি থাকবে বাংলার বুকে আজীবন

এই জনতার মাঝে আকাশে বাতাসে মহাআকাশে শুধু

শেখ হাসিনা উন্নয়নের কান্ডারি আজ তোমার শুভ জম্মদিন

আজ উন্নয়নের কান্ডারি শেখ হাসিনার জন্মদিন প্রথম হাঁটতে শিখেছেন স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আঙ্গুল ধরে। প্রথমে সেই বাড়িয়ে দেয়া হাত ধরে, পরে জাতির জনকের দেখিয়ে দেয়া পথ ধরে তিনি হাঁটছেন। আজও হাঁটছেন। হাঁটতে হাঁটতে পার করে দিয়েছেন ৭৩ বছর। তিয়াত্তর বছরের সবটুকু ন্যস্ত করেছেন দেশ মাতৃকার জন্য। তিনি আর কেউ নন, তিনি হচ্ছেন দেশের দূরদর্শী, বলিষ্ঠ নেতা, মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার বাতিঘর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ তাঁর ৭৪তম জন্মদিন, জয়তু শেখ হাসিনা। রাজনীতি শেখ হাসিনার জন্য নতুন কিছু নয়, জন্ম সূত্রে পাওয়া এক উত্তরাধিকার। শৈশব থেকেই তাঁর পিতা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক-সংগ্রমী জীবনকে দেখেছেন। এই তিয়াত্তর বছরের মধ্যে অর্ধেকের বেশি সময় ধরে নৌকা নামের একটি প্রতীকের হাল ধরে আছেন। সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের। জীবনের প্রায় সিকিভাগ পার করে দিয়েছেন সরকারপ্রধান হিসেবে দেশের হাল ধরে। ১৯ বার তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। মৃত্যু ভয়কে পায়ের ভৃত্য করে ক্লান্তিহীন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন দেশ মাতৃকার জন্য। এখন জীবনের একটাই প্রত্যয়- জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়া। সে প্রত্যয় নিয়েই এগিয়ে চলছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। পাকিস্তানের জেল-জুলুম নির্যাতন সহ্য করে, বার বার মৃত্যুর মুখ দাঁড়িয়ে ১৯৭১ সালে অধিকারবঞ্চিত বাঙালীদের যেভাবে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ঠিক তেমনিভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের যেখানেই মানুষ তাঁর অধিকারবঞ্চিত হন, নিষ্পেষিত হবে মানুষ আর মানবতা, সেখানেই ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সালের এই দিনে মধুমতি নদী বিধৌত গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশবকাল কাটে পিত্রালয়ে। ’৫৪-এর নির্বাচনের পর শেখ হাসিনা বাবা-মার সঙ্গে ঢাকায় চলে আসেন। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে ছাত্রজীবন থেকে প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন তিনি। শুধু জাতীয় নেতাই নন, তিনি আজ তৃতীয় বিশ্বের একজন বিচক্ষণ বিশ্বনেতা হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন নতুন ভূমিকায়। ১১ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে ‘বিশ্ব মানবতার বাতিঘর’ হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন বিশ্ব নেতাদের কাছ থেকে। ৩৯ বছরের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পরিক্রমায় শেখ হাসিনা কেবল সেই মহান নেতার কন্যা এবং তাঁর রাজনীতির উত্তরসূরি হিসেবে গণমানুষের প্রধান নেতার আসনে স্থান পাননি, তিনি জেল-জুলুম, মামলা-হামলা, হত্যা প্রচেষ্টাসহ হাজারো হুমকির মুখে অটল থেকে নেতৃত্বের অগ্নিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। তিনি নব পর্যায়ের বাংলাদেশের নতুন ইতিহাসের নির্মাতা। হিমাদ্রি শিখর সফলতার মূর্ত-স্মারক, উন্নয়নের কান্ডারি। উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার। সাগর সমান অর্জনে সমৃদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতির কর্মময় জীবন। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রাজনৈতিক পথপরিক্রমায় ছাত্রনেত্রী থেকে জননেত্রীতে পরিণত হওয়া শেখ হাসিনার জন্মদিন পালিত হবে অতি সাধারণভাবেই। প্রতি বছর রাষ্ট্রীয় কাজে জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগদানের জন্য জন্মদিনের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই থাকতে হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। কিন্ত করোনা মহামারীর কারণে এবার তিনি যেতে পারেননি, ভার্চুয়াল পদ্ধতিতেই বাংলাদেশে থেকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেশের পক্ষে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। অনেকদিন পর জন্মদিনে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশে, তাই এ বছর দলের নেতাকর্মী, সমর্থকদের মধ্যে আবেগ, উচ্ছ্বাসও অনেক বেশি। করোনার কারণে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শুধু দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করলেও আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের অজস্র সংগঠন নানা কর্মসূচীর মাধ্যমে কুষ্টিয়ার কবি কে,এম,তোফাজ্জেল হোসেনের খোকসা কমলাপুরের বাড়িতে যাকজমক ভাবে পালন করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। ১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব নেন শেখ হাসিনা। এরপর তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে দেশের এই প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিয়ে রাজনীতির মূল স্রোতধারার প্রধান নেতা হিসেবে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৯৬ সালে তাঁর নেতৃত্বেই তৎকালীন বিএনপি সরকারের পতন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিজয় অর্জন করে আওয়ামী লীগ। বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় প্রধান বিরোধী দলের নেতা হিসেবে তাঁর নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে প্রথমে ১৪ দলীয় জোট এবং পরে মহাঐক্যজোট গড়ে ওঠে। ১৪ দল ও মহাঐক্যজোটের তীব্র আন্দোলনের মুখে অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ২২ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচন করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরী অবস্থা জারি করে ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে ওই বছরের ১৬ জুলাই গ্রেফতার হন শেখ হাসিনা। সংসদ ভবন চত্বরের বিশেষ কারাগারে তাঁকে প্রায় ১১ মাস বন্দী থাকতে হয়। গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে গিয়ে এর আগেও কয়েক দফা গৃহবন্দী হয়েছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বেই দেশে ফিরে আসে পুনরায় গণতন্ত্র, দেশের ইতিহাসে একটানা তৃতীয় মেয়াদসহ চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার শিক্ষাজীবন শুরু হয় টুঙ্গিপাড়ার এক পাঠশালায়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর পরিবারকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। তিনি পুরান ঢাকার মোগলটুলির রজনী বোস লেনে বসবাস শুরু করেন। পরে তিনি যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হন। আবাস স্থানান্তরিত হয়কবিতা

বঙ্গবন্ধুর বসত বাড়ি

কবি কে এম তোফাজ্জেল হোসেন( জুয়েল )
খোকসা কুষ্টিয়া বাংলাদেশ 08/07/20
মোবাইল নং-01716-951502.

বঙ্গবন্ধুর বসত বাড়ি ঢাকা ধানমন্ডির বএিশ নান্বারে

ইটে বাঁধানো তার অনেক ছবি

দু- ধারে তার বকুল গাছ তারি অঙেগ পংখী কূঁজন

বকুল ফুঁল আর পাখির গানে মুখরিত হয়ে ওঠে

বঙ্গবন্ধুর বাড়ির আঙগীনা দিয়ে ।

গোলাপ ফুঁটে তাঁকিয়ে হরেক রং বে রংঙেগ

তার সাথে ফুঁটেছে হাসনা হেনা চম্পা ও বকুল

সন্দর্যের অবকাশে মুগ্ধ হয়ে মন সারাক্ষন নাচে

প্রকৃতি যেন লুটিয়ে পড়েছে আমাদের মাঝ খানে ।

বাগানের গেটে চেরি ফুঁল

দুলিতেছে বাতাসের তালে তালে

যেন সমস্ত সন্দর্য টুকু নিয়ে দু-হাত ভরে

বঙ্গবন্ধুর বসত বাড়ি ঢাকা ধানমন্ডির বএিশ নান্বারে

প্রতিদিন স্রোতের ন্যায় বাহারী মানুষ আসে

মানব স্রোতে ঢেও খেলে যায়

বঙ্গবন্ধুর বাড়ির আঙিনা দিয়ে ।

বিকেল হলেই হাসের ঝাঁক সাঁতরে বেড়াই লেকে

রাতের বেলায় রুপালি চাঁদ মিটি মিটি হাঁসে

গল্পে গল্পে রাত কাঁটিয়ে দেয় বঙ্গবন্ধুর সাথে

আওলাবাতাস পাগলা হয়ে সকাল সাঝেঁ ভাসে

সূর্য ওঠে সকাল হলেই পাখীর কল রবে ।

থোকায় থোকায় জোনাক জলে সন্ধা নামার সাথে

রাত কাঁটিয়ে দেয় তার গল্প করে বঙ্গবন্ধুর সাথে

হটাৎ ঐ দুর বনে শিয়ালটা আজ হাঁকিছে বারে বারে

মরজিদ থেকে মোয়াজ্জেমের আজান

যেন কি করূন সুর ,

ঐ যে ঘাতকেরা এল পায়ের শব্দ

সবাই নিবাক নিঃশচুপ

রক্তে ভেজা শরির রক্তে ভেজা ঘড়

পড়ে আছে চশমা প্রয়জনিয় সব

বঙ্গবন্ধু কে ঘাতকেরা বাঁচতে দিলনা আর ।

পড়ে আছে পানের ডাবা পিকের ডাবা পাশে

পিকে পিকে গলা ডুবু ডুবু বুকের রক্তে পিকের ডাবা

ভরে গিয়েছিল সব টুকু মেঝেতে তাজা প্রান

রক্তে ভেজা র্শাট রক্তে ভেজা পানজ্ঞাবি

ঘাতকরা সব পালাল পালাল এই বুঝি

মেশিন গানের শব্দ থেকে থেকে

আকাশে বাতাসে ভেসে আসে

কিছুক্ষন বাদে সূর্য উঠল

পাখির আধ আধ কল রবে ।

উড়ছেনা প্রজাপতি দুল ছেনা গোলাপ

পাগল বেশে বায়ু ঝড়ে

মেঘের কান্না যেন থামছেনা থামছেনা আজ

হাজার স্রোতা হাজার জনতা কাঁদছে নেতাকে নিয়ে

নেতা খুন নেতা খুন হয়ে আধোচাপা আর কাঁন্ন সরে ।

সে কি ট্রজেডি সে কি দুঃখ অনেক কষ্ট মাথায় চেপে

বাড়ীটি দাঁড়ীয়ে আছে আজও

ভয়ে জড়ো সর হয়ে বির শ্রেষ্ঠ মুক্তি যোদ্ধা

বঙ্গবন্ধুর স্রিতিকে বুকে চপে ।।

ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময় কাটিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত এ বাড়িটি বাঙালির জাতিসত্তার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মুক্তির ঠিকানা।

এ বাড়ি থেকেই বাঙালি জাতি পেয়েছিল মুক্তির দিকনির্দেশনা ও স্বাধীনতার ঘোষণা। এ বাড়ি থেকেই বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে এনে দিয়েছিলেন স্বাধীন-সার্বভৌম ভূখ- ও লাল-সবুজের পতাকা। আর এ বাড়িতেই তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে সপরিবারে শহীদ হন।

তার স্মৃতি ধরে রাখতেই এ বাড়িটিকে তার নামানুসারে জাদুঘর হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। জাদুঘরটির নাম- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী অপারেশন ‘সার্চলাইট’ নামে নিরীহ-নিরস্ত্র বাঙালির ওপর নির্বিচারে হত্যা ও গণহত্যা চালায়। এ খবর পেয়ে বঙ্গবন্ধু এ বাড়ির নিচতলায় তার ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার থেকে টেলিফোনে রাত সাড়ে ১২টায় স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যার যা কিছু আছে তা নিয়ে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দেন। তার স্বাধীনতা ঘোষণার খবর ওয়্যারলেস, টেলিগ্রামের মাধ্যমে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পেঁৗছে দেয়া হয়।

এ বাড়ি থেকেই ২৫ মার্চ রাত দেড়টা তথা ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে প্রথমে ঢাকা সেনানিবাস ও পরে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের মিওয়ানওয়ালি কারাগারে বন্দী করে রাখে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বাড়িটি দখল করে রাখে। অন্যদিকে ধানম-ির ১৮নং সড়কের ২৬ নম্বর বাড়িতে মুজিব পরিবারকে বন্দী করে রাখা হয়।

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফেরেন। ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও তাঁর পরিবার নিয়ে সরকারি বাসায় না উঠে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে এ বাড়িতে বসবাস করতে লাগলেন।

বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করার পর ঘাতকচক্র এ বাড়িটি সিল করে রাখে ও বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। ১৯৮১ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ বাড়িটি হস্তান্তর করা হয়। শেখ হাসিনা বাড়িটিকে জাদুঘরে রূপান্তরের জন্যে বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কাছে হস্তান্তর করেন। বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট বাড়িটিকে জাদুঘরে রূপান্তরিত করে। ১৯৯৪ সালের ১৪ আগস্ট এ ঐতিহাসিক বাড়িটিকে জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হয়।

নিচতলা, দ্বিতীয় তলা ও তৃতীয় তলা মিলে জাদুঘরের গ্যালারিগুলো সাজান। জাদুঘরটির প্রথম তলায় দেখা যাবে বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন আলোকচিত্র। এসব আলোকচিত্রের মধ্যে আছে সে সময়কার বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আলাপচারিতা ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের দৃশ্য। প্রথম তলার কক্ষটি ছিল বঙ্গবন্ধুর ড্রইং রুম। এখানে বসে তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এ কক্ষের পাশের কক্ষটি ছিলো তাঁর পড়ার ঘর। এখানে বসে তিনি লেখালেখিও করেছেন।

সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠার সময় দেখা যাবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতের ভয়াবহতার কিছু নিদর্শন। বঙ্গবন্ধু ওপর তলা থেকে নিচতলায় এ সিঁড়ি বেয়ে নামার সময়ই ঘাতকরা তাকে গুলি করে। গুলি খেয়ে বঙ্গবন্ধু এ সিঁড়িতেই পড়ে যান। এখানে শিল্পীর তুলিতে অাঁকা বঙ্গবন্ধুর গুলিবিদ্ধ অবস্থার একটি প্রতিকৃতি আছে।

দোতলার প্রথমে যে কক্ষটি আছে এটি বঙ্গবন্ধুর বাসকক্ষ। এর পরের কক্ষটি তার শোবার ঘর, তার পরের কক্ষটি শেখ রেহানার শোবার ঘর। এ কক্ষগুলোতে এখন দেখা যাবে বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের নানা স্মৃতিচিহ্ন।

এ কক্ষগুলোয় থাকা নিদর্শনের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত পাইপ, চশমাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র, শেখ রাসেলের খেলার সামগ্রী-বল, হকিস্টিক, ব্যাট, হেলমেট, সুলতানা কামালের সঙ্গে তার ছবিসহ বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নানা নিদর্শন। এভাবে বাড়িটির প্রতিটি তলায় রয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত নানা নিদর্শন।

২০১১ সালের ২০ আগস্ট এ বাড়িটির উত্তরে জাদুঘরের সম্প্রসারিত ভবন উদ্বোধন করা হয়। ষষ্ঠ তলা এ ভবনে ২৬টি পর্বে বঙ্গবন্ধুর তথ্য ও সচিত্র ঘটনাবলি তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রসারিত ভবনের পঞ্চম তলায় একটি লাইব্রেরি আছে। শৈশব থেকে ১৯৭০-এর নির্বাচন পর্যন্ত চতুর্থ তলায় তুলে ধরা হয়েছে। তৃতীয় তলায় ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে ১৯৭৩ সালের দেশ পুনর্গঠন পর্যন্ত সচিত্র তথ্য সংযোজন করা হয়েছে। পারিবারিক জীবন থেকে জীবনাবসানের মর্মান্তিক ঘটনাবলি দ্বিতীয় তলায় সনি্নবেশিত। দর্শক চতুর্থ তলা থেকে শুরু করে ক্রমান্বয়ে নিচের দিকে নামতে পারেন। নিচতলা অডিটোরিয়াম, সভা, সেমিনারের জন্যে ব্যবহৃত হয়। এরপর মূল ভবনে যেতে পারেন।

এছাড়া জাদুঘরটির সামনে একটি বিক্রয়কেন্দ্র আছে। এখানে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বইসহ নানা স্মারক পাওয়া যাবে। বুধবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে এ জাদুঘরটি। প্রবেশমূল্য প্রতিজন ৫ টাকা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি আমার এই কবিতা এইচ এসসি আথবা এস এসসির বইয়ে ছাপান হয় ভবিষ্যতে নতুন প্রজম্মরা যাতে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কে জানতে পারে। বঙ্গবন্ধুর জাদুঘরেও যেন বাধিয়ে রাখা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37640865
Users Today : 5856
Users Yesterday : 3129
Views Today : 13726
Who's Online : 190
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone