সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ০৩:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
অজুহাত দেখিয়ে মে’য়েরা বিয়ের প্রস্তাবে ল’জ্জায় গো’পনে ১০টি কাজ করে তামিমা স’ম্পর্কে এবার চা’ঞ্চল্যকর ত’থ্য দিল তার মেয়ে তুবা নিজেই ছে’লে: “বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোনদিন শোধ হয় না গবেষণা করতে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন পাঁচ সন্তান নিয়ে কানাডিয়ান নারী স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে ‘শেষ চিঠি’ নিয়ে আসছে ইয়াশ-দীঘি রিতেশ আমাকে বিয়ে করতে চেয়ে আর আসেনি: রাখি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আর অংশ নেবে না বিএনপি নওগাঁর মহাদেবপুরে সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত সুইস ব্যাংকে কার কত টাকা, তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট প্রাক প্রাথমিক ছাড়া সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৩০ মার্চ খোলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে কোন শ্রেণির কতদিন ক্লাস? তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা কুড়িগ্রামে বর্ণিল কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এসএসসি ব্যাচ ‘৮৬র সম্মেলন সমাপ্ত সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ  পক্ষ থেকে ৫ গুনি ব্যক্তিকে স্বঃস্বঃ কর্মক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান পাবনায় ডিসিআই-আরএসসি ও ফারাজ হোসেন ফাউন্ডেশন’র যৌথ উদ্যোগে ‘বিনামূল্যে চক্ষু শিবির’ অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে তীব্র শীত ; শীতার্ত মানুষের দুর্ভোগ

আনোয়ার হোসেন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : তারিখ-১৭.১২.১৯ইং
কুড়িগ্রামে গত কয়েকদিন যাবত শীত শুরু হয়েছে। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় প্রতিদিনই শীতের প্রকোপতা বেড়েই চলছে। গত ৪ দিন ধরে শীত দেখা গেলেও ঘন কুয়াশা তেমনটি ছিলনা। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যের পর থেকে শীতের প্রকোপ ক্রমেই বেড়ে সারারাত ধরে টিপ টিপ করে বৃষ্টির মত কুয়াশা পড়তে থাকে। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, কুড়িগ্রামে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে, মঙ্গলবার ভোরবেলা থেকে কুয়াশা বাড়তে থাকায় দুপুর পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিকেল হওয়ার পর থেকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকে গোটা জনপদ। সন্ধ্যে হলে ক্রমেই তা বাড়তে থাকে। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কুড়িগ্রামে সাধারণ মানুষসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষের কষ্ট শুরু হয়েছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ চরাঞ্চলসহ পুরো জেলার মানুষগুলো ঠান্ডার প্রকোপে পড়েছে চরম বিপাকে। দিনমজুর শ্রেণির মানুষগুলো কাজে যেতে হিমশিম খাচ্ছে। সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়নের কিসামত ভালভাঙ্গা গ্রামের কুমারী রানী জানায়, হামরা শীতত কোনটে যাই। জারের(ঠান্ডা) জন্য বাঁচিনা। হামাক কাইয়ো একনা কম্বল দিলে ভাল হইল হয়। এবারে শীত মৌসুমে গত রোববার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৮.৫ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার সকাল থেকে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া বেশি থাকলেও তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মাত্র ১৪ডিগ্রি সেলসিয়াস যা অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশি। শীতের প্রভাব সম্বন্ধে রাজারহাট আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, তাপমাত্রা আরও হ্রাস পেয়ে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহের দিকে এ জেলায় শৈত্য প্রবাহ দেখা দিতে পারে। এদিকে, শীতবস্ত্র ও অন্যন্য সুবিধা প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মোছা: সুলতানা পারভীন জানান, শীতের গরম কাপড়সহ শীতার্ত মানুষদের সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38339827
Users Today : 3158
Users Yesterday : 0
Views Today : 10585
Who's Online : 82
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/