শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের জন্য যাত্রীবাহী ট্রেন চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে রেলওয়ে বিচারপতি সিনহার অর্থ আত্মসাতের মামলার রায় আজ সাপাহারে ফাইনাল ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত বোচাগঞ্জে আব্দুর রৌফ চৌধুরীর ১৪তম মৃত্যু বার্ষিকী পালন তানোরের কলমা ইউপিতে উঠান বৈঠক সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার দাবি রাবি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের তানোরে ইউপি নির্বাচনে মেইন ফ্যাক্টর প্রতিক ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) ১৪৪৩ হিজরি উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সার্বিয়াকে জনশক্তি নেওয়ার প্রস্তাব পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আজ থেকে সপ্তাহে ৫ দিন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-দিল্লি বিমানের ফ্লাইট নতুন নামে কোম্পানি করে ব্র্যান্ডিংয়ে যাচ্ছে ফেসবুক যেভাবে মূলপর্বে যেতে পারে বাংলাদেশ! কলেজছাত্রকে অপহরণের পর জোর করে বিয়ে করলেন তরুণী! বিপদসীমার ৬০ সেমি ওপরে তিস্তার পানি সহিংসতা এড়াতে ২৬ জেলার পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

খানসামা উপজেলায় বেড়েছে মৌসুমী জ্বরের রোগী, ফার্মেসীতে প্যারাসিটামল গ্রুপের ঔষুধ সংকট

এস.এম.রকি,খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় করোনার প্রকোপ কমলেও ঋতু পরিবর্তনের প্রভাবে হঠাৎ মৌসুমী জ্বর ও সর্দি রোগী বেড়ে যাওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতেও জ্বর, সর্দি, কাশি, শরীর ব্যথা নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জনবল সংকট নিয়ে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মীরা। অন্যদিকে জ্বরের প্রভাবে স্থানীয় ঔষধ দোকানগুলোতে প্যারাসিটামল গ্রুপের ট্যাবলেট কেনার হিড়িক পড়েছে। আর এই সময়ে হঠাৎ বাজার ও ফার্মেসী থেকে উধাও হয়েছে প্যারাসিটামল গ্রুপের ঔষধ। তবে আতংকিত না হয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান চিকিৎসকরা।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা প্রায় ৫০ ভাগ রোগীই জ্বর-সর্দি, কাশি ও দূর্বলতা নিয়ে আসছে। এর মধ্যে অনেকেই চিকিৎসক দেখানোর পর বাসায় ফিরছে আর যাদের সমস্যা গুরুতর তারা ভর্তি হয়ে সেবা নিচ্ছে। এরমধ্যে গত এক সপ্তাহে হাসপাতালের জরুরী বিভাগ ও বর্হিবিভাগে জ্বরের রোগী সেবা নিয়েছে ১২শ জন এবং অন্তঃবিভাগে সেবা নিয়েছেন প্রায় ২৩০ জন। রোগীদের সেবায় চিকিৎসক,নার্স-মিডওয়াইফ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা.শামসুদ্দোহা মুকুল বলেন, করোনা ভাইরাস নয় ঋতু পরিবর্তনেরও প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এ কারনে এবং সাধারণ ভাইরাসে আক্রান্তের হার বাড়াই সবখানেই এখন জ্বর, সর্দি ও জ্বর পরবর্তী সময়ে শরীর দূর্বলতার রোগী বাড়ছে। এই সময়ে নিয়ম মেনে চলা, মাস্ক পড়া ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা জরুরী।

দেখা যায়, এই রোদ এই বৃষ্টি এ ধরণের আবহাওয়ার কারণে সর্দি-কাশির সঙ্গে বাড়ছে জ্বরের প্রকোপ। দিনের তাপমাত্রা বাড়লে গভীর রাত কিংবা ভোরের দিকে বেশ ঠাণ্ডা পড়ে। সব মিলিয়ে এই ধরনের আবহাওয়া মানুষকে অনেকটাই কাবু করে ফেলছে।

অপরদিকে উপজেলার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র পাকেরহাটে ঔষধের দোকানগুলোতে পুরো দেশে রোগীদের চাহিদার শীর্ষে থাকা বেক্সিমকো গ্রুপের নাপা,নাপা এক্সট্রা, নাপা এক্সটেন্ড, নাপা সিরাপ, স্কয়ার কোম্পানির এইচ প্লাস, এইস এক্সট্রা, এইস সিরাপ ও একমি কোম্পানির ফাস্ট, ফাস্ট প্লাস, ফাস্ট এক্সার, ফাস্ট সিরাপ এবং এসব কোম্পানির এজিথ্রোমাইসিন গ্রুপের ট্যাবলেট, সিরাপ ও ইনজেকশন সংকটের কথা শোনা গেছে।

দোকানে দোকানে ঘুরেও এসব ঔষধ না পেয়ে হতাশ হচ্ছেন রোগী ও স্বজনরা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা। ছোট ব্যবসায়ীরা তাকিয়ে আছেন ঔষধ কোম্পানির এজেন্টদের দিকে। বড় ঔষধ ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোম্পানি থেকেই এসব গ্রুপের ঔষধের ডেলিভারি অনেক কম।

পাকেরহাট এ.এফ.আর মেডিসিন মার্টের সত্ত্বাধিকারী বখতিয়ার উদ্দিন বলেন, রোগীদের কাছে যেসব ঔষধের চাহিদা বেশী সেসব কোম্পানি যে পরিমাণ ঔষধ সরবরাহ করে তা চাহিদার তুলনায় একেবারে অপ্রতুল। গত ৮-১০ দিন ধরে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই কোম্পানি গুলোকে ঔষধের জন্য তাগিদ দেয়া হচ্ছে। তবে অন্য কোম্পানির প্যারাসিটামল গ্রুপের পর্যাপ্ত ঔষধ আছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা.মো. মিজানুর রহমান বলেন , এটি মৌসুমী জ্বরের প্রকোপ তাই আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। আর বাজারে এসব কোম্পানির প্যারাসিটামল গ্রুপের ঔষধ সংকটের কথা শুনেছি। তবে সাধারণ জ্বর, মাথা-ব্যথার ক্ষেত্রে এসবই একমাত্র ওষুধ না।বাজারে অন্য কোম্পানিরও ভালো ঔষধ  আছে এবং হাসপাতালে প্যারাসিটামল গ্রুপের পর্যাপ্ত ঔষধ আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone