মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২০, ১১:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
৩ রাষ্ট্রদূতের চুক্তির মেয়াদ বাড়ালো সরকার পুলিশের গুলিতে মেজর (অব.) সিনহার মৃত্যু, মাঠে তদন্ত দল প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষকরা পদোন্নতি পেয়ে হবেন প্রধান শিক্ষক গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্রের পানি এখনও বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার উপরে করোনা ঝুঁকি উপেক্ষিত সাপাহারে ঐতিহ্যবাহী জবই বিল দর্শনার্থীদের পদ চারনায় মুখোরিত বকশীগঞ্জে পুকুরে ডুবে ২ শিশু মৃত্যু, চিকিৎসকের উপর  হামলা আহত ৪ সকল ব্যর্থতাকে সফল বলা সরকারের বিকৃত মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ  .…….…আ স ম রব মানুষ মানুষের জন্য কলেজ শিক্ষার্থী’র জীবন বাচাঁতে এগিয়ে আসার আহবান ধর্ম এলম শিক্ষা করার ফযীলত ফকিরহাটে বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু নড়াইল পৌর এলাকার দোকানপাটসহ গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণা!! জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মোঃআজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ই আগস্টের সকল শহীদের রূহের মাগফেরাত কামনা করেন। আত্রাইয়ে ওসি‘র হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল স্কুলছাত্রী বিফা গাঁজাক্ষেতের খোঁজ, আটক ৩ কুষ্টিয়ায় সাপের ছোবলে সাপুড়ের মৃত্যু ১

গাইবান্ধায় গরুর মূল্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় খামারিরা

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

গাইবান্ধায় গরু ন্যায্য মূল্য নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছে খামারিরা। কোরবানির পশুর হাটে করোনা আর বন্যার প্রভাবে গরুর চাহিদা ও দাম কমার শঙ্কায় রয়েছে গাইবান্ধার গরুর খামারিগণ। ফলে কোরবানির ঈদে এবার লোকসান গুনতে হতে পারে। খামারিগণ বলেন করোনার প্রভাবে হাটে পশু বেচাকেনা অনেক কম। অন্যদিকে বন্যায় চারণভ‚মি ডুবে যাওয়ায় পাওয়া যাচ্ছে না সবুজ ঘাস। চড়া দামে সংগ্রহ করতে হচ্ছে ঘাসসহ অন্যান্য গো-খাদ্য। বেড়েছে গরু পালনের খরচ। এ অবস্থায় গরু বিক্রয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে খামারিগণ। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ,

ফুলছড়ি,সাঘাটা,সাদুল্লাপুর,গাইবান্ধা সদর ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৫০ হাজার গরু-মহিষ, ছাগল ও ভেড়া কোরবানির বাজারে বিক্রয়ের জন্য রয়েছে। গরু খামারি, কৃষক ও মৌসুমি ব্যবসায়ীরা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গবাদিপশু মোটাতাজা করে এখন করোনা আতঙ্কে ভুগছে। তাদের দুশ্চিন্তা করোনা আর বন্যা পরিস্থিতিতে পশুর চাহিদা ও দাম কমে গেলে তাদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে। সারাবছর গরু মোটাতাজাকরণ করে অনেকে বড় অংকের টাকা বিনিয়োগ করেছে।

আসন্ন ঈদে গরু বিক্রয় করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে চিন্তা রয়েছে তাদের। কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গ্রামের বিধবা, বেকার যুবক এবং কৃষকগণ গরু-মহিষ, ছাগল ও ভেড়া পালন করে থাকেন। অনেকই বাণিজ্যিকভাবে গরু মোটা তাজাকরণ করেন। বন্যার পানিতে বাড়ি ও খামার তলিয়ে যাওয়ায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর,বেলকা,চন্ডিপুর,কঞ্চিবাড়ী,শ্রীপুর,কাপাসিয়া ইউনিয়ন, ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ি, ফজলুপুর, ফুলছড়ি, উড়িয়া, গজারিয়া

ইউনিয়ন,গাইবান্ধা সদর উপজেলার মোল্লারহাট,গিদারী কামারজানি ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকগণ পশু নিয়ে বাঁধ,রাস্তায় কিংবা উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। বন্যা কবলিত এসব এলাকার চারণভ‚মিগুলো থেকে গো-খাদ্য সংগ্রহ করা না যাওয়ায় পশু খাদ্যের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। খাদ্যের অভাবে পশু দুর্বল হয়ে পড়ায় ভালো দাম পাওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে চরাঞ্চলের খামারিরা বাধ্য হচ্ছে কম দামে পশু বিক্রয় করতে। ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ উদাখালী গ্রামের খাজা মিয়া বলেন তার খামারে ১৬টি গরু রয়েছে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে তিনি। শুধু খাজা মিয়া নয়, কালাসোনার আজগর আলী, রতনপুরের আরজান, হাজীর হাটের শাহীনসহ জেলার অন্য খামারিদের মধ্যে সৃষ্টি চরম হতাশা। বিগত বছরগুলোতে ঈদের আগে পশু ব্যবসায়িগণ খামারে এসে দরদাম হাঁকতো এবার তাদের নেই আনাগোনা। একদিকে গো-খাদ্যের দাম বেশী, অপরদিকে করোনায় মন্দাবাজার। ফুলছড়ি উপজেলা প্রাণিস¤পদ অফিস সুত্রে জানা যায়, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে উপজেলায় ষাড় গরু মোটাতাজা করা হয়েছে ২ হাজার ৫১৪টি, বলদ গরু ১৮৯টি, গাভী গরু ১ হাজার ৯৫৯টি, মহিষ ১৫৮টি, ছাগল ২ হাজার ৩৪৯টি এবং ভেড়া ১৩৫টি।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone