সোমবার, ১০ মে ২০২১, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
করোনা মুক্তির দোয়া করতে মুসলমানদের মসজিদে যাওয়ার অনুরোধ করলো ভারতের পুলিশ লক্ষ্মীপুরে ভুমি কর্মকর্তাকে মারধর মামলায় : আ’লীগ নেতা গ্রেপ্তার মিরসরাই সমিতি কুয়েতের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল ঈদের আগে স্বর্ণের দামে সুখবর কাঁকনহাটে গম জব্দ অভিযোগের তীর উঠেছে মেয়রের দিকে নড়াইলে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা নকলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক ভবনে আগুন। ২ লাখ খামারি ২৯২ কোটি টাকা প্রণোদনা পাবে পাকেরহাটে নাসিম সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ তানোরে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান নিয়ে মেয়রের প্রচারণা ? শ্যামনগর জোবেদা সোহরাব মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় অভ্যন্তরে ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশব্যাপী রাতে গণপরিবহন চালুর দাবি করোনায় ঈদবাজার ও ঈদ উদযাপন  সাইফুল ইসলাম চৌধুরী  ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের সুফল পাচ্ছেনা বরিশালবাসী মা দিবসের শুভেচ্ছা

গাইবান্ধায় নদী ভাঙনে বাড়ছে ছিন্নমূল মানুষের সংখ্যা

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: তিস্তা-ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে গাইবান্ধায় প্রতি বছরেই বাড়ছে পারিবারিক ও সামাজিক স¤পর্ক ছিন্ন মানুষের সংখ্যা। গত এক মাসে নদীতে বিলীন হয়েছে গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার অন্তত ২ হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি ও কয়েক হাজার একর ফসলি জমি। ভাঙনের শিকার হয়ে কে কোথায় আশ্রয় নিয়েছে তা জানা নেই ক্ষতিগ্রস্থদের।গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে পানি বাড়ছে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদীতে। সেই সঙ্গে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে নদী ভাঙন। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার লালচামাড়ার, হরিপুর, চন্ডিপুর, তারাপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নে তিস্তার ভাঙনের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি। এরই মধ্যে নদীতে বিলীন হয়েছে কয়েকটি গ্রামের ৭ শতাধিক বসতঘর। ভাঙনে বিলীন হয়েছে অন্তত এক হাজার একর ফসলি জমি। রক্ষা পায়নি গাছপালা আর ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা। এতে ভাঙন আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদী তীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারী মানুষ। লালচামাড় ঘাটের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ বলেন, বন্যার আগেও নদীর ভাঙনে বাড়িঘর, ফসলি জমি বিলীন হয়েছে। এখন আবার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে। দফায় দফায় ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ভাঙনের শিকার অনেকে আশ্রয় নিয়েছেন বাঁধ আর অন্যর জমিতে। খেয়ে না খেয়ে তাদের দিন কাটছে কোন রকমে। হরিপুর ঘাটের বাসিন্দা আব্দুল মতিন বলেন, ভাঙনের কারণে প্রতিনিয়ত তাদের বাড়িঘর সড়িয়ে নিতে হচ্ছে। ঘরবাড়ি সড়িয়ে নিয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেন তাও জানা নেই তার। বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে না উঠতেই নদীর ভাঙনে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অনেকে। নদী ভাঙনে শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে অনেকের আশ্রয় হয়েছে অন্যর জায়গা আর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে। খোলা আকাশের নিচে কোন রকমে দিন কাটছে তাদের। এছাড়া হুমকির মুখে বসতঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ভাঙন কবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু তাতে কোন কাজ হচ্ছেনা বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ বিষয়ে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এটিএম মোনায়েম হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে জরুরি পদক্ষেপে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর কাজ চলছে। ভাঙন রোধে তীর রক্ষায় বেশ কয়েকটি প্রকল্প জমা দেয়া হয়েছে মন্ত্রণালয়ে। অনুমোদন হলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। অব্যাহত নদীর ভাঙনে উদ্বিগ্ন গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তিনি বলেন, ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড তৎপর রয়েছে। বরাবরেই ভাঙন রোধে নদী তীরবর্তী এলাকায় শুধু অস্থায়ীভাবে বালুর বস্তা ফেলানোর কাজেই হয়েছে। তবে এবার ৬টি পয়েন্টে ৪১২ কোটি টাকার প্রকল্পে একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই প্রকল্প অনুমোদন হলে স্থায়ীবাঁধ নির্মাণসহ পুরো এলাকাকে সুরক্ষিত করা সম্ভব হবে। শুধু আশ্বাসেই নয়, ভাঙন রোধে মজবুত বাঁধ নির্মাণসহ ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান এলাকার মানুষ।

Please Share This Post in Your Social Media


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

https://twitter.com/WDeshersangbad

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone