সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ০৪:৩২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ ১৬ কোটি ৩৭ লাখেরও বেশি মানুষের দেহে করোনা শনাক্ত গাজায় একদিনেই ৪২ জন নিহত রাজারহাটে ইউপি চেয়ারম্যান রবীনন্দ্রনাথ কর্মকারের বিরুদ্ধ প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের টাকা মারিং কাটিং করে খাওয়ার অভিযোগ। মাগুরায় অসাধু মাংস ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটে অতিষ্ঠ সাধারণ ক্রেতা যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না সোমবার পুরো পরিবার শেষ, বাঁচল শুধু পাঁচ মাসের শিশুটি ২৯ মে পর্যন্ত বাড়লো প্রাথমিকের ছুটি নাড়ির টানে ঘরে ফেরা, পদ্মায় ঝরলো ৩১ প্রাণ ইসরাইলি ববর্তার বিরুদ্ধে উত্তাল বিশ্ব বেড়েছে লকডাউন, বন্ধই থাকছে লঞ্চ-ট্রেন-দূরপাল্লার বাস যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন বিমান বাহিনীর প্রধান ওআইসি’র বৈঠক জরুরি ভিত্তিতে ফিলিস্তিন ইস্যুর সমাধান চায় বাংলাদেশ ৪ দেশে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল শিগগিরই দেশে আসছে শক্তিশালী ব্যাটারি ও আল্ট্রা স্লিম ডিজাইনের অপো এফ১৯

গাইবান্ধায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের ঘর তৈরী করে দিচ্ছে কলেজ শিক্ষার্থীরা

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: এ বছর গাইবান্ধায় ভয়াবহ বন্যায় সব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে সর্বহারা পরিবার গুলো। এমন অসহায় পরিবার গুলোকে বসতবাড়ি করে দিতে এগিয়ে এসেছে গাইবান্ধা সরকারি কলেজের একদল তরুণ শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে গ্রিন ভয়েস ও বাপা নামে দু’টি বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এবারের স্বরণকালের বন্যায় সহায় সম্বলহীন হতদরিদ্র মানুষদের ঘরবাড়ি তৈরি করার কাজ শুরু করেন গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়। এ দুই উপজেলার হতদরিদ্র পাঁচ পরিবারের মধ্যে একটি করে টিনের ঘর তৈরি করে দিবেন কলেজ শিক্ষার্থীরা। এ পর্যন্ত বন্যার্তদের মধ্যে জেলায় অন্তত ২০টি ঘর তৈরি করে দেন তারা। ঘর ছাড়াও দরিদ্র অনেকের দোকানের পণ্য কিনতে আর্থিক সহায়তাও দিচ্ছেন তারা। গাইবান্ধা ফুলছড়ি এলাকার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ফরিদুল ইসলাম বলেন সম্প্রতি বন্যায় আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে, নদীর প্রবল স্রোতে বাঁধ ভেঙে বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বাধ্য হয়ে বাঁধে আশ্রয় নিয়েছিলাম। ছেলে মেয়ে ও সংসার কিভাবে চালাবো কোথায় থাকব ভেবে পাচ্ছিলাম না। কয়েকদিন আগে গাইবান্ধা সরকারি কলেজের ১০/১২ জন শিক্ষার্থী এসে আমার নাম লিখে নিয়ে যায়। এরপর তারা সবাই মিলে এসে আমাকে টিনের ঘর তৈরি করে দেয়। বর্তমানে বাঁধ ছেড়ে তাদের দেওয়া ঘরে থাকতে পারছি এতেই আমি খুশি। জড়িনা বেগম বলেন তার স্বামী ছিল মুদি দোকানদার। বন্যায় বিদ্যুৎ¯পৃষ্টে মারা গেছেন তিনি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে অসহায় অবস্থায় দিনাতিপাত করছে তার পরিবার। কলেজ শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে দোকানে মালামাল তুলেছেন। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলার বন্যায় বাড়িহারা মানুষ খুঁজে বের করে তালিকা করে তাদের বাড়িঘর তৈরি করে দিচ্ছেন কলেজের এই শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে গাইবান্ধা কলেজের কয়েক শিক্ষার্থী ও গ্রীন ভয়েস গাইবান্ধা শাখার সমন্বয়ক মাসউদুর রহমান বলেন আমরা মানবিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। বিশেষ করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ও বাড়িঘর হারা মানুষদের একটি করে টিনের ঘর তৈরি করে দিচ্ছি। এছাড়াও যাদের বাড়িঘর আছে কিন্তু একেবারে হতদরিদ্র তাদেরকেও আমরা আর্থিক সহায়তা দিচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone