শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০৭:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
নারী চালকদের কাজের সুযোগ তৈরিতে বেটার ফিউচার ফর উইমেন-উবার চুক্তি মুশতাক হত্যার বিচার চাই, সরকার পতন নয়-মোমিন মেহেদী বিবাহিত জীবন আরও ফিট রাখতে বিশেষ যে ৭ খাবার! সন্তান নিতে কতবার স’হবাস করতে হয় জানালেন ‘ডা. কাজী ফয়েজা’ বী’র্যপাত বন্ধ রে’খে অধিক সময় যৌ’ন মি’লন ক’রার সেরা প’দ্ধতি আশ্চর্য যে ফল খেলে আপনাকে মি’লনের আগে আর উ’ত্তেজক ট্যাবলেট খেতে হবে না সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে নরমাল ডেলিভারীর সংখ্যা প্রত্যেকদিন সকালে সহবাস করলেই অবিশ্বাস্য উপকারিতা আত্রাইয়ে ইরি-বোরো ধান পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক দেখুন এই ৫ রাশির মেয়েরাই স্ত্রী হিসাবে সবচেয়ে সেরা, বিস্তারিত যে কারণে নিকটাত্মীয় ভাই-বোনদের বিয়ে ঠিক নয়, জেনে রাখা দরকার সুন্দরগঞ্জে জনবল সংকটে স্বাস্থ্য সেবা বিঘিœত ভারতে মিয়ানমারের ১৯ পুলিশের আশ্রয় প্রার্থনা মিয়ানমারের ওপর বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের ৬৬০ থানায় একযোগে ৭ মার্চ উদযাপন করবে পুলিশ

গাইবান্ধায় বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলিন হওয়ায় খোলা আকাশের নিচে ক্লাস

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কেতকীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। মাস খানেক আগেও এই বিদ্যালয়ের কোমরমতি ছাত্র-ছাত্রীরা নতুন দোতলা ভবনে ক্লাস করত। নতুন ভবনের পাশের একতলা পুরনো ভবনটিতেও ছিল তাদের ক্লাস রুম। প্রশস্ত মাঠে ছিল খেলার সুযোগ। কিন্তু ব্রহ্মপুত্র নদের ভয়াবহ ভাঙনে আসবাবপত্র, বেঞ্চ, টেবিল ও বিদ্যালয়ের দুটি ভবনসহ খেলার মাঠটি নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে। একই চিত্র গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার আরও ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। কেতকীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাধুরী আক্তার বলেন বিদ্যালয়টি নদীতে বিলীন হওয়ায় লেখাপড়ায় মনোযোগ বসে না। একটি ছাপরা ঘরে কয়েকটি শ্রেণির ক্লাস একসঙ্গে হয়। ফলে শব্দের কারণে লেখাপড়া করতে কষ্ট হয়। এছাড়াও রোদ বৃষ্টিতে গাছ তলায় পাঠ দান অনেক কষ্টের। অবিভাবক রশিদুল ইসলাম বলেন রোদ বৃষ্টি আর খোলা আকাশের নিচে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা লেখাপাড়ার মনোযোগী হতে পারছে না । আগামী বার্ষিক পরীক্ষায় তাদের রেজাল্ট আশানুরূপ হবে না। তাই সরকারের শুভ দৃষ্টি একান্ত জরুরি। কেতকীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজিয়া খাতুন বলেন বিদ্যালয় ভবনের পাশে গাছতলা ও ছাপড়া ঘরে বসে ক্লাস নিতে হচ্ছে। ক্লাস নিতে গিয়ে মন খারাপ হয়, কষ্টে চোখে জল আসে। সামনে সমাপনী পরীক্ষা। কোলাহলপূর্ণ খোলা জায়গায় বসে ক্লাস নিতে নানা সমস্যায় পড়েন শিক্ষকরা। রোদ-বৃষ্টিতে এই সংকট আরও বাড়ে। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের জোর দাবি জানান তিনি। গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ হোসেন আলী বলেন এ বছর বন্যা ও নদী ভাঙনের ফলে বিদ্যালয় ধসে ও জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। শিক্ষার মান উন্নয়নে মানবিকতা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে কেউ আগ্রহী হয়ে জমি দান করলে বিদ্যালয় ভবন তৈরি সহজ হতো। শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ভয়াবহ বন্যায় গাইবান্ধায় ২২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ করে দেয়া হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ২০৮টিতে ক্লাস শুরু হয়। আর ১২টি বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এর মধ্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ৫টি, ফুলছড়ি উপজেলায় ৫টি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় দু’টি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে শিক্ষা খাতে দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38356004
Users Today : 2646
Users Yesterday : 6146
Views Today : 10375
Who's Online : 67
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/