রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
নড়াইলের নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে জেলা মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির মতবিনিময়। কুলিয়ারচরে দড়িগাঁও সরঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক সভা অনুষ্ঠিত দেশের ২০ জেলায় ২৯ পৌরসভায় ভোট আজ দীর্ঘ এক বছর বন্ধ থাকার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে ৩০ মার্চ কোম্পানিগঞ্জে মুজাক্কিরের কবর জিয়ারত করেছেন বিএমএসএফ নেতৃবৃন্দ চরমোনাই মাহফিল থেকে ফেরার পথে মুসল্লিবাহী ট্রলারডুবি স্ত্রীসহ জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা ধানমন্ডিতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল নিয়ন্ত্রণে এসেছে কারওয়ান বাজারের হাসিনা মার্কেটের আগুন রাত পোহালেই ২৯ পৌরসভায় ভোট রৌমারীতে প্রয়াস নাট্য সংঘের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত পেঁপে চাষে চাষে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন উলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় শিশু নিহত অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে সমালোচনা সইবার সৎসাহসের পরিচয় দিন: টিআইবি মার্চ ফর ডেমোক্রেসির ৬২তম দিনে রংপুরে হানিফ বাংলাদেশী আগামীকাল যাবেন কুড়িগ্রামে

গাইবান্ধায় বিবাহ বিচ্ছেদে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: গাইবান্ধায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বিবাহ বিচ্ছেদ। অভাব অনটন, মাদকে আসক্তি, পরকীয়া, শারীরিক অক্ষমতা এবং যৌতুকের জন্য নির্যাতনকেই দায়ী করছে বিশেষজ্ঞরা। মধ্যবিত্ত, নি¤œবিত্ত ও দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে এ প্রবণতা সবচাইতে বেশী। এছাড়া ফেসবুকে অনেকে পরকীয়ায় আসক্তি হয়ে ভাঙছে সংসার। পরিসংখ্যান অনুযায়ী নি¤œবিত্ত পরিবারের যারা ঢাকায় রিকশা-ভ্যান চালান, গার্মেন্ট বা বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত তারাই বেশি পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ছে। এ কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। গাইবান্ধায় বিবাহ বিচ্ছেদে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে আছে। এছাড়াও সাংসারিক জীবনযাত্রা ব্যয়বহুল হওয়ায় দরিদ্র এবং নি¤œবিত্ত পরিবারগুলো আয় থেকে প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করতে পারছে না। ফলে দা¤পত্য কলহ থেকেও বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে। মদ, জুয়ায় আসক্তি ও পুরুষ-নারীর শারীরিক অক্ষমতার কারণেও কোনো কোন ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটছে। গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্টার কাজী সাইফুল ইসলাম বলেন সাধারণত গাইবান্ধার বাইরে যারা চাকরি করতে যান, গার্মেন্টস, রাজমিস্ত্রী, রিকশাচালকরাই বিবাহ বিচ্ছেদে এগিয়ে রয়েছেন। খোলাহাটি ইউনিয়নের কিশামত বালুয়া গ্রামের কাজী মিলন মিয়া বলেন পরকীয়ার কারণে অনেক বিয়ে বেশি দিন টিকছে না। পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের নিকাহ তালাক রেজিস্টার কাজী আব্দুল গফফার আকন্দ বলেন উচ্চবিত্ত পরিবারগুলোর মধ্যে এবং শহর এলাকায় তালাকের প্রবণতা অপেক্ষাকৃত কম। তবে গ্রামাঞ্চলে মধ্যবিত্ত, নি¤œবিত্ত এবং দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে বর্তমানে তালাকের পরিমাণ বহুলাংশে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গাইবান্ধা প্রধান ডাকঘরের সহকারী পরিদর্শক মোঃ মোসলেম উদ্দিন বলেন প্রধান ডাকঘরের আওতায় বিভিন্ন এলাকা থেকে চিঠি আসা এবং বিভিন্ন এলাকায় প্রেরণ করা চিঠির সংখ্যা আগের চেয়ে কিছুটা কমলেও এখনও প্রতিদিন যথেষ্ট চিঠি আসে। সাধারণত ব্যক্তিগত চিঠি এখন আর আসে না। কেননা মোবাইলে যোগাযোগ, চিঠির চাইতে অনেক দ্রুত করা যায়। তবে তালাকের নোটিশ বেশি আসছে। প্রতিদিন গড়ে ডাকঘরে ২০ থেকে ২৫টি বিবাহ বিচ্ছেদের চিঠি আসে। উপজেলা ডাকঘর ও সাব-ডাকঘর মিলে বিবাহ বিচ্ছেদের চিঠির পরিমাণ গড়ে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫টি হবে। এ চিঠিগুলো মেয়েদের পক্ষ থেকেই বেশি আসছে।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38336066
Users Today : 1869
Users Yesterday : 4300
Views Today : 7514
Who's Online : 32
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/