শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
শারীরিক মিলন নিয়ে ১৫টা অজানা সত্যি তথ্য জেনে নিন নারীকে কাম উত্তেজিত ও দীর্ঘ সময় মিলনের সহজ উপায় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির দায়িত্বে রেজিস্ট্রার, ক্ষোভ-বিক্ষোভ অসন্তোষ শেখ ফজলুল হক মনি: যুব রাজনীতির স্থপতি এএসপিআই প্রতিবেদন মুসলিম নিধনে বেপরোয়া চীন বিতর্কিত কৃষি বিলের প্রতিবাদ ভারতজুড়ে কৃষকদের বিক্ষোভ ফের উত্তপ্ত মালয়েশিয়া, সরকার পরিবর্তনের ইঙ্গিত ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভাতিজির প্রতারণা মামলা সাত দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা বেশি দুমকিতে পল্লীবিদ্যু গ্রাহক হয়রানীর প্রতিবাদে মানববন্ধন বুড়িগোয়লিনি ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে এ্যাড জহুরুল হায়দারকে ফুলেল শুভেচ্ছা বিসিকের প্রাচীর নির্মানেও নিম্নমানের ইট-বালি তানোরে খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদুকের মামলা আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু যুব পরিষদ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার ২১ সদস্য কমিটি অনুমোদন শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে তিনদিনের ছুটি সহ সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবীতে পতœীতলায় মানববন্ধন

গাইবান্ধায় সোনালী আঁশ প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত কৃষক

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: সোনালি আঁশ পাট গাইবান্ধার কৃষকের অর্থকরী ফসলের মধ্যে উন্নতম একটি ফসল। সোনার বাংলার সোনাফলা ফসলের মাঠে পাট চাষ হবে না এমনটা ভাবতেই পারে না গাইবান্ধার কৃষক। চলতি মৌসুমে বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন কৃষকগণ। বন্যার কারণে জেলার ৭ উপজেলার পাট,আউশ ধান,বীজতলা, সবজি বাগান, চীনাবাদাম, কাউন, তিল ও মরিচসহ ২ হাজার ৫শত ৩৩ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। শুধু ১ হাজার ৯শত ১৩ হেক্টর জমির পাট নষ্ট হয়েছে। তবে গাইবান্ধা জেলায় ১৩ হাজার ৮৭ হেক্টর জমির পাট ক্ষেত বন্যার ছোবল থেকে রক্ষা পেয়েছে। সোনালী আঁশে প্রক্রিয়ার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। পাট কাটার মৌসুম প্রায় শেষ হলেও বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পাট কেটে ছাল পচাতে জাগ দিচ্ছেন তারা। পাট গ্রামীণ জনপদের পারিবারিক আর্থিক চাহিদা পুরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। পাট কাটা, জাগ দেয়া, আঁশ ছাড়ানো, আঁশ ধোয়া ও রোদে শুকানোসহ প্রক্রিয়া করতে কিছুদিন সময় লাগে। তাই পাট নিয়ে ব্যস্ততা বেড়েছে চাষিদের। বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে সোনালী আঁশে, সোনালী দিনের স্বপ্ন দেখছে তারা। সোনালী আঁশ নিয়ে যে সোনালী দিনের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক, পাটের ন্যায্য দাম না পেলে সে স্বপ্ন ভেঙ্গে যাবার শঙ্কা রয়েছে। পাট দেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল হলেও সরকারীভাবে ধান-চালের মত পাটের মূল্য নির্ধারণ করা হয় না। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর গ্রামের কৃষক শামিউল ইসলাম বলেন বিঘাপ্রতি জমিতে পাট চাষ করতে খরচ হয় প্রায় ১০ হাজার টাকা। পাট উৎপাদন হয় প্রতি বিঘায় ১০ থেকে ১২ মণ। গাইবান্ধা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান বলেন, অনুক‚ল আবহাওয়া বিরাজ করায় চলতি মৌসুমে পাট ভাল হয়েছে। বাজার মূল্য ঠিক থাকলে কৃষকেরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। মুল্য ভাল পেলে আবারও সোনালি আঁশের সুদিন ফিরবে।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37491578
Users Today : 5607
Users Yesterday : 6154
Views Today : 15445
Who's Online : 43
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone