দেশের সংবাদ l Deshersangbad.com » চট্টগ্রাম-১৫ আসনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের পছন্দের প্রার্থী কে??



চট্টগ্রাম-১৫ আসনে তৃণমূল নেতাকর্মীদের পছন্দের প্রার্থী কে??

৯:০৩ অপরাহ্ণ, অক্টো ১৬, ২০১৮ |জহির হাওলাদার

54 Views

জনি অাচার্য্য চট্টগ্রাম।

——–
সাতকানিয়া-লোহাগাড়া বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীদের অভিমত অনুযায়ী চট্টগ্রাম-১৫ আসনের তৃণমূলের পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন
ও সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, এম.এ মোতালেব সিআইপি।
কারন হিসেবে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা বলেন দীর্ঘদিন যাবত সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আওয়ামী পরিবার যে অভিভাবক হীন অবস্থায় ছিল উপরোক্ত দুই নেতার কারনে তাহা অনেকটা পূরন হয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা প্রয়োজনে উক্ত দুই নেতার সান্নিধ্য ও সহযোগিতা পেয়ে আসছেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেও সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় তৃণমূল নেতা কর্মীরা ক্ষমতার স্বাদ থেকে বঞ্চিত। এমনকি অনেকে আওয়ামী নেতাকর্মী স্থানীয় সংসদ সদস্যের রোষানলে পড়ে, মিথ্যা মামলা-হামলা ও পুলিশি হয়রানির কারনে এলাকাছাড়া হয়ে আছেন, কেউ জেলের ঘানী টানছে, কেউ আবার জামিনে বের হলেও এলাকায় আসেনা সংসদের ভয়ে।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন বিপদআপদে সবসময় কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম আমিন ত্রাতার ভূমিকায় অবতির্ণ হন। অন্যান্য নেতারাও বিভিন্ন সময় নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিয়ে সভাপতি এম এ মোতালেব এবং সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন চৌধুরী উপজেলা আওতাধীন বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্মেলনের মাধ্যমে শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলেন। লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি খোরশেদ আলম ও সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন হিরু তদ্রুপ তৃণমূলকে শক্তিশালী করার পদক্ষেপ গ্রহন করে।
দুই উপজেলায় আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করার ক্ষেত্রে আমিনুল ইসলামের সর্বাত্মক সহযোগীতা পেয়েছেন বলে জানান উপজেলা নেতৃবৃন্দ। এলাকায় তৃণমূলের কাছে আমিনুল ইসলাম দক্ষ সংগঠক, অনলবর্ষী বক্তা এবং দল ও কর্মীবান্ধব নেতা হিসাবে সুপরিচিত, এবং টিভি টকশোতে নিয়মিত বিভিন্ন রাজনৈতিক তর্ক-বিতর্কে অংশগ্রহণ তার প্রতি জনমনে আগ্রহ বাড়িয়েছে, এছাড়াও সাধারন মানুষের কাছে আমিনুল ইসলাম বেশ জনপ্রিয়।
এম এ মোতালেব ধনাঢ্য ব্যাবসায়ী হিসাবে রাজনীতির পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তি ও ধর্মীয়, শিক্ষা প্রতিষ্টানকে আর্থিক অনুদান প্রদানে জনগণের কাছে দানশীল ও সজ্জন ব্যক্তি হিসাবে সুপরিচিতি লাভ করেছেন। এছাড়াও আলোচনায় আছেন ১৯৯৬ সালে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাইনুদ্দিন হাসান চৌধুরী ও ২০০৮ সালে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া বর্তমান জেলা পিপি এ কে এম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী উভয়ই ক্লিন ইমেজের ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তি হলেও এলাকায় পর্যাপ্ত যাতায়াত না রাখায় জনমনে ও দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে  তেমন সাড়া ফেলতে পারেননি। তবে সম্প্রতি এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত বাড়িয়েছেন। স্বাচিপ নেতা মিনহাজ রহমানও এলাকায় নিজ প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে শুনা যাচ্ছে।
স্থানীয় এমপির পূর্বেকার গভীর জামায়াত সম্পৃক্ততা ও অরাজনৈতিক ব্যক্তি হওয়া সত্বেও! দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার কারনে দলীয় নেতৃবৃন্দ সংগঠনের বিভিন্ন কর্মকান্ডে তাকে সম্পৃক্ত রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু এমপির আত্মকেন্দ্রিক চিন্তাভাবনা, দাম্ভিকতা, জামাতের পৃষ্ঠপোষকতা, সংখ্যালঘুদের সহিত বৈষম্যমুলক আচরণ? দলীয় নেতাকর্মীদের সহিত দুর্ব্যবহার ও মারমুখী আচরণ, বিভিন্ন মিথ্যা মামলা ও পুলিশি হয়রানি করার অহরহ নজির রয়েছে। এছাড়াও টিআর কাবিকা সহ সরকারি বিভিন্ন সুযোগ সুবিধায় দলীয় নেতাকর্মী বাদ দিয়ে নিজের আত্মীয় স্বজনদের প্রাধান্য দেওয়ার কারনে তৃণমূল নেতাকর্মীর সহিত দুরত্ব ও বৈরী সম্পর্ক তৈরি হয় সংসদের।
সাংগঠনিক নিয়মনীতি উপেক্ষা করে দলীয় বিভিন্ন কমিটিতে নিজ আজ্ঞাবহ ব্যক্তিদের দিয়ে দলকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ব্যর্থচেষ্টা করেছে এমপি। সংসদ নদবীর স্বৈরাচারী মনোভাব নেতা কর্মীদের মনে ক্ষোভের সঞ্চার করে, ভয়ে কেউ মূখ খোলেনি। উপরন্তু এমপির স্ত্রী রিজিয়া রেজা জামাতের মজলিসে সুরার সদস্য মুমিনুল হক চৌধুরীর কন্যা ও সাবেক ইসলামী ছাত্রী সংস্থার নেত্রী হওয়া সত্বেও শুধুমাত্র এমপি পত্নী হিসাবে দলীয় নেতা কর্মীদের উপর বেপরোয়া খবরদারি তৃণমূল নেতাকর্মীরা মেনে নেয়নি। তারপরও দীর্ঘ সময় সুযোগ থাকা সত্বেও তৃণমূলের সহিত সম্পর্ক তৈরিতে এমপি নদবী সম্পূর্ণ ব্যর্থ হন। এবং গোটা এলাকা নিজের তালুকে পরিণত করেন।
অধিকন্তু দল ও দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য ও তুচ্ছ তাচ্ছল্য করেন বলিয়া শুনা যায়। যার পূর্ণ সদ্বব্যবহার করেছে সাতকানিয়া লোহাগাড়ায় জামাত-শিবির। দলের নেতাকর্মীদের দামন নিপিড়নে ব্যাস্ত সংসদ! স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে জামাতের ক্যাডারের চাইতে মিথ্যা মামলার আসামী আওয়মী কর্মীদের পেছনে সময় বেশি দিতে হয়েছে সংসদের নির্দেশে। এই সুযোগে প্রতিনিয়ত  নিজেদের সুসংগঠিত রেখেছে জমাত শিবির।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের মনের চাপা ক্ষোভ যে কোন সময় বিস্ফোরিত হয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সাধারণ নেতাকর্মীদের মনের একান্ত আশা, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা অভিভাবক হিসাবে নেতাকর্মীর চোখের ভাষা ও মনের ভাষা বুঝে তৃণমূলের পছন্দের ব্যাক্তিকেই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দেবেন। আর তৃণমূলের পছন্দের ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিলে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করার জন্য সবাই সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিবেন বলে জানান।
Spread the love

৭:৫৭ অপরাহ্ণ, নভে ১২, ২০১৮

নির্বাচনে কোন আসনে কোন তারকা...

49 Views

৭:২৭ অপরাহ্ণ, নভে ১২, ২০১৮

সাত ঘণ্টায় বিএনপির ১১৯৮ ফরম বিক্রি...

9 Views

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




উপদেষ্টা পরিষদ:

১। ২।
৩। জনাব এডভোকেট প্রহলাদ সাহা (রবি)
এডভোকেট
জজ কোর্ট, লক্ষ্মীপুর।

৪। মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
ডাইরেক্টর
ষ্ট্যান্ডার্ড ডেভেলপার গ্রুপ

প্রধান সম্পাদক:

সম্পাদক ও প্রকাশক:

জহির উদ্দিন হাওলাদার

নির্বাহী সম্পাদক
উপ-সম্পাদক :
ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম সবুজ চৌধুরী
বার্তা সম্পাদক :
সহ বার্তা সম্পাদক :
আলমগীর হোসেন

সম্পাদকীয় কার্যালয় :

১১৫/২৩, মতিঝিল, আরামবাগ, ঢাকা - ১০০০ | ই-মেইলঃ dsangbad24@gmail.com | যোগাযোগ- 01813822042 , 01923651422

Copyright © 2017 All rights reserved www.deshersangbad.com

Design & Developed by Md Abdur Rashid, Mobile: 01720541362, Email:arashid882003@gmail.com

Translate »