শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০৮:১৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
খানসামায় সাদা সোনা খ্যাত রসুনের বাম্পার ফলন হলেও দাম নিয়ে শঙ্কায় চাষীরা রৌমারীতে বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে ‘পাওয়ার থ্রেসার’ বিতরণ বেনাপোল স্থলবন্দরের অন্যতম সংগঠনের নির্বাচনে ভোট গ্রহন চলছে শান্তিপূর্ণ ভাবে পলাশবাড়ীতে স্ত্রী’র কন্যা সন্তান হওয়ায় ১৪ দিনের মাথায় তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী’কে বিয়ে. অতঃপর মহাসড়কের পার্শ্বে ওজন কেন্দ্র হবে এমন খবরে বাড়ী নির্মাণের হিড়িক ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী’র বাংলাদেশ আগমনের প্রতিবাদ- আধিপত্য প্রতিরোধ আন্দোলন শিবগন্জ ফেরিঘাটে চাঁদাবাজী সিরিয়া সংকট বদলে দিতে পারে মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপট বঙ্গবন্ধুর এবারের সংগ্রাম… বন্দর নগরী বেনাপোল শহর জুড়ে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী পোস্টার ব্যানারে আল্লামা ফখরুদ্দীন রহ দেশের সংবাদ,দেশের টিভির জন্য সংবাদদাতা বিজ্ঞাপনদাতা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি । সাপাহারে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক-১ ‘আপনি যাই নোয়াখালী চালাতে থাকেন’ পাপুলের শূন্য ঘোষিত আসনে আ.লীগের মনোনয়ন ফরম নিলেন যারা

চসিক নির্বাচন জাতীয় পরিচয়পত্রসহ চলাচলের নির্দেশ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৪১৭টি কেন্দ্রকে বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় নিয়েছে পুলিশ। ওইসব কেন্দ্রে ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে পুলিশের বিশেষ নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর। এছাড়া নির্বাচনের দিন নগরীতে চলাচলের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে সবাইকে বের হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) সিএমপি পুলিশ লাইনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সিএমপি কমিশনার বলেছেন, ‘৪১৭টি কেন্দ্রকে আমরা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছি। এসব কেন্দ্রগুলোতে আমরা কমপক্ষে ছয় জন করে পুলিশ মোতায়েন করছি। ক্ষেত্র বিশেষে আমরা এসব কেন্দ্রে আরও বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করবো। এর পাশাপাশি ওইসব কেন্দ্রে আনসার সদস্যরা থাকবেন। আমাদের মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং টিম থাকবে। তারা সার্বক্ষণিক ওইসব কেন্দ্র মনিটরিং করবে।’

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেসব ঝুঁকি আমরা অনুমান করেছি সেগুলো মোকাবিলায় আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। আপনারা জানেন, নির্বাচনের আগের দিন থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা নির্বাচনি এলাকায় সব ধরনের জনসমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। নির্বাচনে যারাই জয়ী হোক, তাদের আমরা কঠোর বার্তা দিতে চাই। কোনও ধরনের তথাকথিত বিজয় মিছিল অথবা বিরোধীপক্ষকে ঘায়েল করার অপচেষ্টা করলে আমরা তাদের কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করবো। তারা কোন দলের আমরা সেই দিকে দেখবো না, যে-ই আইনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি হবেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

যেকোনও মূল্যে বহিরাগতদের ঠেকানো হবে জানিয়ে সালেহ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বহিরাগতরা নগরীতে অবস্থান করছে– বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। বহিরাগতদের ঠেকাতে দুই সপ্তাহ আগে থেকে আমরা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করেছি। আমরা ভোটারদের অনুরোধ করছি, তারা যেন আগামীকাল ভোটের দিন জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে বাসা থেকে বের হন। যারা জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে বের হবেন তাদের জন্য আগামীকাল ভোট অনেক আনন্দদায়ক হবে। আর যারা পরিচয়পত্র নিয়ে আসবেন না, তাদের ও বহিরাগতদের জন্য আমাদের দ্বার বন্ধ। শুধু ভোটার নয়, যারা নগরীতে অফিস আদালত করবেন তাদের প্রতিও আমাদের অনুরোধ থাকবে, আপনারা নির্বাচনের দিন জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে বের হবেন।’

পুলিশ কমিশনার বলেন, ‘আমরা বহিরাগত ঠেকাতে চাই। আপনারা জানেন কারা পেশিশক্তি প্রয়োগ করতে চায়। নিশ্চয় কোনও বৃদ্ধ বা বয়স্ক ব্যক্তি এটি করেন না। তাই তাদের ক্ষেত্রে এই কঠোরতা শিথিল থাকবে। বহিরাগতদের আমরা একটি বার্তা দিতে চাই, এখানে এসে আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থি কিছু করলে আমরা কোনওভাবে ছাড় দেব না।’

বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় গিয়ে পুলিশ হয়রানি করছে এমন প্রশ্নের জবাবে সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউকে আটক করা হচ্ছে না। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের নামে আগে কোনও মামলা ছিল। ওয়ারেন্ট ছিল, সেই কারণেই তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। আমাদের একটি সিএমএস তালিকা আছে, সেটি যাছাই বাছাই করার জন্য আমাদের পুলিশ সদস্যরা বিএনপির কারও কারও বাসায় যেতে পারেন। কিন্তু এটা বলা যাবে না, পুলিশ তাদের বাসায় গিয়ে ধরে এনে গায়েবি মামলা দিচ্ছে। এ ধরনের কোনও কর্মকাণ্ড আমাদের এখানে হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুই পক্ষের প্রতি আমরা সমান আচরণ করছি। যে কারণে চসিক নির্বাচনে গত কয়েক দিনে কোনও সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি, সাধারণত স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে যে ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করি তেমন। শুধুমাত্র ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে একটি ঘটনা ছাড়া এখন পর্যন্ত আর কোনও বড় ধরনের সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি। কারণ আমরা সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ দেওয়ার জন্য আইন সমানভাবে প্রয়োগ করেছি।’

বিএনপির অভিযোগ, কিছু অতি উৎসাহী পুলিশ সদস্য তাদের নেতাকর্মীদের নাজেহাল করছে– এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনারের কাছে অভিযোগ এসেছে। সেই সব অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন একজন অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) অপসারণ করেছে। আমরা সব প্রার্থীকে সমান চোখে দেখছি। যার প্রমাণ আপনারা ইতোমধ্যে পেয়েছেন।’

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38364771
Users Today : 6281
Users Yesterday : 5133
Views Today : 23115
Who's Online : 47
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/