রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
চলমান লকডাউন আরো দুই দিন ভিভো ভি২০, ওয়াই২০ ও ওয়াই১২এস স্মার্টফোনে ডিসকাউন্ট! শিক্ষকের বাসা থেকে গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার ঝর্ণার সন্ধান পাচ্ছেন না গোয়েন্দারা কঠোর লকডাউন: বন্ধ হতে পারে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট প্রেমিকের সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ে দিলেন স্বামী ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্য করতে গিয়ে মরতে বসেছিলেন সজল-নওশাবা বাংলাদেশি ভেবে ভারতীয় যুবককে গুলি করলো বিএসএফ করোনায় সাভার মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীর মৃত্যু আইপিএলে কোহলি-ধোনিরা ভালো খেললেই হবে ডোপ পরীক্ষা লাইফ সাপোর্টে সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ বরের উচ্চতা ৪০ ইঞ্চি কনের ৪২ সাংবাদিক সুমনকে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের ৩ দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ ! রাজারাহাটে  ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের ত্রাণ বিতরণ নেত্রকোণায় শ্লীলতাহানির ঘটনায় জড়িত তিন অটোরিকশা চালক

‘চাঁদা দিলাম টাকা গেল কই?’

অবিলম্বে সড়কে বাসসহ সব যানবাহন চলাচলের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চেয়ে তিন দফা দাবি জানিয়েছে বাস ও পরিবহন শ্রমিকরা। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে তিন দফা দাবির বাস্তবায়নে অবরোধ ও বিক্ষোভ করে শ্রমিকরা। তবে পুলিশ ঘণ্টা দুয়েক পর তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেন।

শ্রমিকদের তিন দফা দাবি হলো, বসে থাকা শ্রমিকদের নিয়মিত ত্রাণ সহায়তা করতে হবে। শ্রমিক কল্যাণের নামে বিভিন্ন শ্রমিক মালিক সমিতির ব্যানারে যেসব চাঁদা আদায় বন্ধ হয় সেগুলো বন্ধ করতে হবে এবং অবিলম্বে গণপরিবহন চালু করতে হবে।

শ্রমিকদের অভিযোগ, সড়কে যান চলাচল না থাকায় তারা পরিবার নিয়ে ‘অভুক্ত’ রয়েছেন। গাড়ির চাকা না ঘুরলে যেসব শ্রমিকের খাবার বন্ধ থাকে, সেসব শ্রমিকের পাশে নেই মালিক ও শ্রমিক নেতারা। ‘খাবার দিন, না হলে রাস্তায় গাড়ি চালাতে দিন’, ‘আমরা কি না খেয়ে মরবো’, ‘চাঁদা দিলাম টাকা গেল কই?’ এমন স্লোগানে রাস্তা অবরোধ করে শ্রমিকরা।

ডিএমপির দারুস সালাম জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মিজানুর রহমান জানান, ‘শ্রমিকরা ত্রাণের দাবিতে গাবতলীতে রাস্তা অবরোধ করেছিল। আমরা তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে তুলে দিয়েছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে।’

ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আসলামুল হক আসলাম শ্রমিকদের সহায়তা করার আশ্বাস দেন। এরপর রাস্তা ছেড়ে দেন পরিবহন শ্রমিকরা।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার কয়েক দফায় সাধারণ ছুটি বৃদ্ধি করেছে। সর্বশেষ ১৬ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে গণপরিবহনও আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পরিবহন বন্ধ থাকায় বিপাকে রয়েছে পরিবহন শ্রমিকরা। গাবতলিতে আন্দোলনকারী বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন, দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর থেকে তাদের কেউ খোঁজ-খবর নিচ্ছে না। মালিক সমিতি, পরিবহন নেতা, সংগঠন কেউ তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। প্রথমদিকে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু সাহায্য করা হলেও সেটা এখন বন্ধ।

প্রতিমাসে বাস, ট্রাক, মিনিবাস, কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন পরিবহন থেকে মাসে কোটি কোটি টাকা চাঁদা তোলা হয় শ্রমিকদের কল্যাণে। বিপদকালীন সময়ে সেখান থেকে সাধারণ শ্রমিকদের সাহায্য করতে এসব চাঁদা তুলে থাকে পরিবহন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনগুলো। কিন্তু এই করোনা পরিস্থিতিতে সেসব টাকা, কিংবা খাদ্য সহায়তা কিছুই পাচ্ছেন না এসব সাধারণ শ্রমিকরা।

পাটুরিয়া পরিবহনের শ্রমিক আনিস আলম জানান, করোনার কারণে গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। কিন্তু তাদের জন্য কেউ এগিয়ে আসেনি। তারা কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। এলাকার জনপ্রতিনিধিরা তাদের ভোটার আইডি কার্ড নিলেও কেউ এখনও কোনও খাবার বা ত্রাণ দেননি। তার মতো কর্মহীন হয়ে পড়েছে কয়েক শতাধিক গণপরিবহনের শ্রমিক।

সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘করোনার কারণে চালকরা গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হতে পারছে না। ফলে তারা পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। মালিক সমিতি থেকে করোনার শুরুতে সাধারণ শ্রমিকদের পাশে ছিল। কিন্তু মালিকরা কত দিন তাদের পাশে থাকবে? তাদেরও তো ব্যবসা বন্ধ।’

সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান বলেন, ‘একজন সিএনজিচালক থেকে শুরু করে বাস-ট্রাকসহ বিভিন্ন পরিবহনের শ্রমিকদের প্রতিদিন রাস্তায় বের হলে চাঁদা দিতে হয়। কিন্তু করোনাকালে তাদের পাশে নেই সংগঠনগুলো। আর চাঁদার সেসব টাকা গেল কোথায়!’

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38441561
Users Today : 1037
Users Yesterday : 1570
Views Today : 11877
Who's Online : 34
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone