রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
রাজধানীর দুই এলাকায় করোনার সর্বাধিক সংক্রমণ গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শেষ হচ্ছে ১৫ এপ্রিল রামগতিতে ট্রাক্টরচাপায় শিশুর মৃত্যু সন্ধ্যা ৬টার পর ফার্মেসি-কাঁচাবাজার ছাড়া সব দোকান বন্ধ বিয়েবাড়িতে মেয়েদের নাচানাচির ছবি তোলা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০ পাঁচ উপায়ে দূর করুন বিরক্তিকর ব্রণ ডালিমের ১০ আশ্চর্য গুণ যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছরে একশত বিলিয়ন মার্কিন ডলারের জলবায়ু তহবিল করবে বাসাভাড়া নিতে বাড়িওয়ালাকে নকল স্বামী দেখালেন প্রভা! প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ‘মহব্বত’ সংকটে করোনা রোগীরা হাসপাতালগুলোতে ঘুরেও মিলছে না শয্যা অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা ব্রিটেনের রানি ও প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার চিঠি টিকা প্রতিরোধী ভয়ঙ্কর ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল হবে বাংলাদেশ! লকডাউনে পোশাক কারখানা বন্ধ কিনা, জানা যাবে কাল

চার দিনে ঢাকা মেডিকেলে করোনায় ২৮ জনের মৃত্যু

চলতি মাসের ২ এপ্রিল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চালু হওয়া বার্ন ইউনিট ভবনে করোনায় আক্রান্তদের ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়।আর এ চার দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তি হওয়া ২৮ জন মারা গেছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, মারা যাওয়া ২৮ জনের মধ্যে ৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন, সেটা নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকিদের কেউ কেউ করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন, আমাদের হাসপাতাল কিন্তু অন্য হাসপাতালের মতো নয়। অন্য হাসপাতালগুলো শুধু যারা করোনা পজিটিভ, তাদের ভর্তি করছে। কিন্তু আমরা করোনা সন্দেহে এবং করোনায় আক্রান্ত সব রোগীকে আমাদের হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি করছি। এ পর্যন্ত চার দিনে চারজন রোগী মারা গেছেন, যারা করোনা পজিটিভ। বাকি যে ২৪ জন মারা গেছেন, তাদের নানা রোগ ছিল। কেউ কেউ করোনার সন্দেহভাজনও আছেন।

কারও স্যাম্পল নেওয়া হয়েছে, কারও কারও স্যাম্পল নেওয়ার সুযোগ হয়নি। যে ২৮ জন মারা গেছেন, তাদের করোনা সন্দেহেই ভর্তি করে নেওয়া হয়। সরকারের পক্ষ থেকে করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের যে সংখ্যা ঘোষণা করা হয়, সেই হিসাবে ঢাকা মেডিকেলে করোনা পজিটিভ হিসেবে যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের তথ্যও সেখানে রয়েছে। আমরা কিন্তু প্রতিদিন অনলাইনে আমাদের প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দিই।

এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় যারা মারা গেছেন, তাদের অধিকাংশের বয়স ৫০এর ওপরে। এর মধ্যে দু-একজনের বয়স ৩০এর কোঠায়। যে ২৮ জন মারা গেছেন, তাদের মধ্যে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউতে) ভর্তি ছিলেন ছয়জন। আর করোনা সন্দেহভাজন যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যেও একজন শিশু রয়েছে। ওই শিশুর বয়স ৭ মাস। তবে ওই শিশু করোনায় মারা গেছে বলে মনে করি না। ওই শিশুর মারাত্মক নিউমোনিয়া ছিল। এ জন্য করোনা ভেবে আমাদের হাসপাতালে পাঠিয়ে দিয়েছে। আমাদের এখানে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা ভর্তি ছিল, পরে সে মারা যায়।

পরিচালক বলেন, যারা খারাপ অবস্থায় আসছেন, তাদেরও ভর্তি করা হচ্ছে। আমাদের এখানে যে রোগীরা আসছেন, তাদের জ্বর থাকতে পারে, শ্বাসকষ্ট থাকতে পারে। আমরা কিন্তু তাদের করোনা সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি করছি। অনেকে একেবার শেষ মুহূর্তে আসছেন। সব জায়গা ঘুরে আসছেন। আর ঢাকা মেডিকেলে সব সময় ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে রোগীরা আসে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহ ব্যক্তিদের ভর্তি করা কিন্তু আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ।

পূর্বপশ্চিমবিডি

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38441028
Users Today : 504
Users Yesterday : 1570
Views Today : 4024
Who's Online : 28
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone