মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০৪:১৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বরিশাল পুলিশ লাইন্সএ নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মৃতিম্ভতে পুস্পার্ঘ্য অর্পন শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছে: মিজানুর রহমান মিজু রাণীশংকৈলে জাতীয় বীমা দিবসে র‍্যালি ও অলোচনা  গণতন্ত্রের আসল অর্জনই হলো বিরোধিতা করার অধিকার – সুমন  জাতীয় প্রেস ক্লাবে মোমিন মেহেদীকে লাঞ্ছিতর ঘটনায় উদ্বেগ বেরোবি ভিসিকে নিয়ে মন্তব্য করায় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ পটুয়াখালী এই প্রথম জোড়া লাগানোর শিশুর জন্ম! তানোরে ইউনিয়ন পরিষদের ভবন উদ্বোধন ফেসবুক ইউটিউব টুইটারকে যেসব শর্ত মানতে হবে ভারতে ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকার যানজট মুক্তির স্বপ্নপূরণে যত উদ্যোগ আজ অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন রাশিয়া প্রথম হয়েছিল বাংলাদেশের দুই টাকার নোট। অজুহাত দেখিয়ে মে’য়েরা বিয়ের প্রস্তাবে ল’জ্জায় গো’পনে ১০টি কাজ করে তামিমা স’ম্পর্কে এবার চা’ঞ্চল্যকর ত’থ্য দিল তার মেয়ে তুবা নিজেই ছে’লে: “বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোনদিন শোধ হয় না

চার ম্যাচ খেলেও হারের বৃত্ত থেকে বেরোতে পারলো না সিলেট

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের চট্টগ্রাম পর্বেও জয়ের দেখা পেলো না সিলেট থান্ডার। এ পর্বে প্রথম দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে দলটি হেরেছে ৪ উইকেটের ব্যবধানে। ম্যাচের এক পর্যায়ে জয়ের সুবাস পেতে শুরু করলেও সোহানের ব্যাটিং দৃঢ়তায় আর সফল হতে পারেনি মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের দল।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হয় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। টস জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। প্রথমে ব্যাট করে ১২৯ রানের মামুলি সংগ্রহ পায় সিলেট। রান তাড়ায় এক পর্যায়ে মাত্র ৩৪ রানেই ৩ উইকেট হারায় চটগ্রাম। আভিষ্কা, কায়েস, রিয়াদ আউট হন যথাক্রমে ৫, ৬ ও ২ রানে।

চতুর্থ উইকেট হিসেবে ৯ রান করে ওয়াল্টন বিদায় নিলে বিপদ আরো বাড়ে চট্টগ্রামের। তবে এমন অবস্থায় দলের হাল ধরেন লেন্ডল সিমন্স ও নুরুল হাসান সোহান। দুজনে মিলে গড়েন ২৮ রানের জুটি।

সোহানের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ৪৪ করে রান আউট হন সিমন্স। এর পরপরই কোনো রান না করে সাজঘরে ফেরেন মুক্তার আলী। ম্যাচ জিততে তখনো চট্টগ্রামের প্রয়োজন ছিল ৪৫ রান। এসময় জয়ের সুবাস বেশ ভালোভাবেই পাচ্ছিলো সিলেট।

তবে কেসরিক উইলিয়ামসকে নিয়ে বাকি পথ ভালোভাবেই পাড়ি দেন সোহান। ম্যাচের ১২ বল বাকী থাকতে চট্টগ্রাম জয় তুলে নেয় ৪ উইকেটে। সোহান ৩৭ ও কেসরিক ১৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।

সিলেটের হয়ে ৩ উইকেট নেন ক্রিসমার সান্তোকি। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন দেলোয়ার হোসেন ও এবাদত হোসেন।

এর আগে চট্টগ্রামের বোলাররা দিনের শুরুতেই বল হাতে চেপে ধরে সিলেটের ব্যাটসম্যানদের। দলীয় ২৩ রানের মাঝেই সাজঘরে ফিরে যান রনি তালুকদার ও শফিকুল্লাহ। আন্দ্রে ফ্লেচার ও মিথুন প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেন। তবে ফ্লেচারের বিদায়ের পরই ভেঙ্গে পড়ে সিলেটের ইনিংস।

দলীয় সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন ফ্লেচার। এরপর ব্যাট হাতে যেটুকু লড়েছেন অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। তিনি করেন ৩০ রান। আর কেউ সেভাবে অবদান রাখতে না পারায় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ১২৯ রান পর্যন্ত যেতে পারে সৈকতের দল।

চট্টগ্রামের হয়ে বল হাতে নেতৃত্ব দেন মেহেদী হাসান রানা। তার ৪ উইকেট শিকারেই মূলত বেশিদূর এগোতে পারেনি সিলেট। এছাড়া রুবেল দুটি, কেসরিক উইলিয়ামস ও মুক্তার আলী একটি করে উইকেট নেন।

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে চার ম্যাচ খেলে সবগুলোতেই হারের মুখ দেখলো সিলেট। অপরদিকে চার ম্যাচে ৩ জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে চট্টগ্রাম।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38343805
Users Today : 2082
Users Yesterday : 5054
Views Today : 8329
Who's Online : 32
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/