বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১, ০৭:২৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
শেখ হাসিনার উপহার গৃহহীনদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ,বাগেরহাটে ৪৩৩টি ঘর হস্তান্তরের অপেক্ষায় বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের বাঘের চামড়াসহ চোরা কারবারি আটক বরিশালে শহীদ দিবস পালিত নবগঠিত গাজীপুর জেলা ভাড়াটিয়া পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা তানোরে প্রতিবন্ধী স্কুলের  সভাপতির  বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ সাঁথিয়ায় এলজিইডির সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়ম ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে এক নারী নিহত ৫ জন গুরুতর আহত রৌমারীতে অভিষেক অনুষ্ঠান বনাপোলে ভূয়া সিআইডি কর্মকর্তাকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ রংপুর চিনিকলে আখ মাড়াই বন্ধ হওয়ায় চরম বিপাকে আখচাষীরা শহীদ আসাদ দিবসে এনাম ডেন্টাল কেয়ার শহীদ আসাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন বিরামপুরে ৪নং দিওড় ইউনিয়নে জনগণের উন্নয়নের ঝান্ডা নিয়ে এসতারা পারভীন জো বাইডেন বিভেদকে দূরে ঠেলে ঐক্যকে শক্তিশালী করবেন: খন্দকার মাসুদ ভোটাধিকার ও কার্যকর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চেয়ে হানিফ বাংলাদেশীর ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ ৩৫তম দিনেও অব্যাহত গোবন্দিগঞ্জে স্বপ্ননীড়ে ঠকিানা পাচ্ছে ১২০ গৃহহীন পরবিার

ছাত্রীর বুকে হাত ডুকিয়ে দেওয়ায় শিক্ষককে কান ধরে ওঠ-বস করালেন ছাত্রী। পা ধরে ক্ষমা চেয়ে মুক্তি

বরিশাল নগরীর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক এক শিক্ষককে কা’ন ধরে ওঠ-বস করানোর ঘট’না ঘটেছে। এরই মধ্যে কান ধ’রে ওঠ-বস করা’নোর ভিডিও ফেসবুকে ভাই’রাল হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, জমজম ইনস্টিটিউট নগরীর রূপাতলী শাখার সাবেক শিক্ষক মিজানুর রহমান সজলকে কান ধ’রে-ওঠ-বস করা’নো হচ্ছে। ভিডিওতে অন্য কাউকে দেখা না গেলেও কয়েকজনের কণ্ঠস্বর শোনা যায়। কোনো ছাত্রীকে বেশি নম্বর দেয়ার প্রলোভনে অ’নৈতিক প্রস্তাব কখনও দেবেন না বলে মিজানুর রহমান সজলকে শপথ করান ওসব ব্য’ক্তি।

সম্প্রতি ফেসবুকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। এরপর ভিডিওটি ভাই’রাল হয়। ভিডিওটি বহু মানুষ শেয়ার করেছেন। তবে ভিডিওটি কে করেছেন বা কে প্রথম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন তা জানা যায়নি। মিজানুর রহমান সজলের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের আয়লা গ্রামে।

এ বিষয়ে শিক্ষক মিজানুর রহমান সজল বলেন, ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত জমজম ইনস্টিটিউটের নগরীর রূপাতলী শাখায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলাম। মেডিকেল টেকনোলজি কোর্সসহ স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সম্পর্কিত নানা কোর্স ইনস্টিটিউটে পড়ানো হয়। আমি ম্যাটস বিভাগের শিক্ষক ছিলাম। ২০১৮ সালে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরি ছেড়ে দেই। তবে করোনাকালে মার্চ মাসে খ’ণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে অনলাইনে ৮-১০ ক্লাস নিয়েছিলাম।

সজল বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করার সময় কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে বি’রোধ দেখা দেয়। এর মধ্যে মো. ইমন ও তার স্ত্রী মনিরা ছিল। তারা ক্লাস ফাঁ’কি ও লেখাপড়ায় অ’মনো’যোগী ছিল। তাদের লেখাপড়ায় মনোযোগ দিতে বলা হয়। কিন্তু তারা ক’র্ণ’পাত না করে উল্টো পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাইয়ে দিতে নানা সময় তাদের বহিরাগত বন্ধুদের দিয়ে চা’প দিয়ে আসছিল। পাশাপাশি ইমন আমাকে কখনও সালাম দিতো না।

এ নিয়ে ইনস্টিটিউটের কয়েকজন ছাত্র ইমনকে ভর্ৎ’সনা করেছিল। তবে সালাম না দেয়া নিয়ে আমার মা’থাব্য’থা ছিল না। তারপরও ইমন আমার ওপর ক্ষি’প্ত ছিল। এসব কারণে ২৬ আগস্ট হাতেম আলী কলেজ সংলগ্ন এলাকায় ইমন ও তার ৬/৭ জন বন্ধু আমার পথরো’ধ করে। এরপর তারা আমার মুঠোফোন ও মোটরসাকেলের চা’বি নিয়ে যায়। সেখান থেকে আমাকে তারা জোর করে অক্সফোর্ড মিশন রোড এলাকায় নিয়ে যায়। এরপর আমাকে সেখান থেকে গোরস্থান রোডে নিয়ে মা’রধ’র করে তারা। এ সময় ইমনের সঙ্গে ৬/৭ জন যুবক ছিল। একজনের হা’তে লা’ঠি ছিল। তাদের কি’ল-‘ঘু’ষিতে আমার না’ক ফে’টে যায়। তাদের ভয়ে মান’সিকভা’বে ভে’ঙে পড়েছিলাম। কি ক’রব বা তাদের হাত থেকে কিভাবে র’ক্ষা পাব কিছুই মাথায় আসছিল না তখন।

মা’রধ’রের একপর্যায়ে ইমন আমাকে কা’ন ধরে ও’ঠ-ব’স করায়। এরপর ইমন আমাকে কিছু কথা বলতে বা’ধ্য করে। সেগুলো একজন মুঠোফোনে ধারণ করে। তারা যেভাবে যা বলতে বলেছে, আমিও তাদের হাত থেকে বাঁ’চতে তাই বলেছি। বিষয়টি অনেক ক’ষ্টদা’য়ক ছিল। ছাত্রের হাতে এভাবে মা’রধ’রের শি’কার হতে হবে তা কল্পনাও করতে পারিনি। আমার দু’র্ভা’গ্য। যে অবস্থার মধ্য থেকে আমাকে যেতে হয়েছে তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়।

শিক্ষক মিজানুর রহমানের অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে শিক্ষার্থী মো. ইমনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে ইমনের ঠিকানা ও মুঠোফোন নম্বর না পাওয়ায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।তবে ইমনের এক সহপাঠী বলেন, ইমনকে আমাকে বলেছে তার স্ত্রী মনিরাকে অ’নৈ’তিক প্রস্তাব দিয়েছিলেন সজল স্যার। কুয়াকাটায় রাত কা’টালে নাকি ভালো নম্বর দেবেন বলেছেন। তবে বিষয়টি সত্য না মি’থ্যা তা বলতে পারব না। ইমন এবং তার স্ত্রী ভালো জানেন। পরে শুনেছি সজল স্যারকে কান ধ’রে ও’ঠ-ব’স করিয়েছে ইমন।

জমজম ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক সাজ্জাদুল হক বলেন, ফেসবুকে ভাই’রাল হওয়া ভিডিওটি আমি দেখেছি। ভিডিওতে যে শিক্ষককে দেখা গেছে তার নাম মিজানুর রহমান সজল। তিনি আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে দুই বছর আগে চাকরি ছেড়ে চলে গেছেন। তবে করোনাকালে গত মার্চে খ’ণ্ড’কালীন শিক্ষক হিসেবে অনলাইনে ৮-১০টি ক্লাস নিয়েছেন তিনি। কিন্তু তার বি’রু’দ্ধে এ পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থী লিখিত বা মৌখিক কোনো অভি’যোগ করেনি। অথচ ভিডিওতে দেখা গেছে তাকে কান ধরে ও’ঠ-ব’স ক’রানো হচ্ছে। কারা করাচ্ছে, কে’ন করা’চ্ছে তা বোঝা যাচ্ছে না।

সাজ্জাদুল হক আরও বলেন, মিজানুর রহমান সজল যখন জমজম ইনস্টিটিউটে শিক্ষকতা করতেন তখনকার শিক্ষার্থীরা পাস করে অন্যত্র চলে গেছেন। ওই শিক্ষকও এখন প্রতিষ্ঠানে নেই। তাই বিষয়টি নিয়ে জমজম ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষের কিছুই করার নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38161053
Users Today : 4569
Users Yesterday : 9080
Views Today : 14949
Who's Online : 64
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone