মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ১২:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
নোয়াখালী সুবর্ণচরের বিএনপি নেতা এনায়েত উল্লাহ বি কম এর ইন্তেকাল নওগাঁর মহাদেবপুরে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গণকবর প্রাচীর দিয়ে সংরক্ষণের দাবি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শিক্ষা জাতীয় করন নিয়ে মনের কষ্ট ফেসবুকের মাধ্যমে ব্যক্ত করলেন অধ্যক্ষ এস এম তাইজুল ইসলাম কুলিয়ারচরে দিনব্যাপী ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদযাপন ২৫ ও ২৬ মার্চ হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল জিয়া মমতাকে ছেড়ে আসা মিঠুন এখন মোদির দলে সন্তান কোলে নিয়েই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন নারী ট্রাফিক পুলিশ স্ত্রীসহ করোনায় আক্রান্ত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ মিয়ানমারে রাস্তায় হাজারো হাজার লোকের বিক্ষোভ স্কুল শিক্ষককে বিয়ে করলেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী নারী প্রতারণার মামলায় ডা. সাবরিনার জামিন আবেদন নামঞ্জুর চট্টগ্রামে প্রবাসী হত্যায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড সামাজিক মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ লেখা সতর্ক করলেন প্রধান বিচারপতি নিবন্ধনধারীদের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগের নির্দেশ ১৫ দিনের মধ্যে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ

জানাজা শেষে মুচকি হেসে বাসায় ফিরতো বাপ্পি, রাত হলেই কবরের লাশ তুলে বাসায় নিতো!

বিচিত্র জগৎ ডেস্ক : এলাকায় কোনো মানুষ মরলেই এক ধরনের খুশি হতো বাপ্পি। তাদের জানাজাতেও অংশ নিতো সে। জানাজা শেষে মুচকি হেসে বাসায় ফিরে যেতো। আর রাতের আঁধারেই নতুন কবরের লাশ তুলে নিজের বাসায় নিয়ে আসতো। এরপর লাশে কেমিক্যাল মিশিয়ে ঘুমাতে যেতো। বাপ্পি সম্পর্কে এমনই ভয়ংকর তথ্য দিয়েছে স্থানীয়রা।

বাপ্পি ময়মনসিংহ নগরীর আর কে মিশন রোড এলাকায় ‘আশানীড়’ নামে একটি তিনতলা ভবনের দোতলায় থাকতো। সে নগরীর কালিবাড়ি কবরখানা এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। শনিবার রাত ২টার দিকে বাপ্পির বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। বাসায় তল্লাশি চালানোর সময় বস্তা আর কার্টনভর্তি মানুষের মাথার খুলি ও হাড় দেখে আঁতকে ওঠেন পুলিশ সদস্যরা।

সেই অভিযানে থাকা কোতোয়ালি মডেল থানার ৩ নম্বর ফাঁড়ির এসআই রাশেদুল ইসলাম জানান, বস্তা ও কার্টনভর্তি মানুষের মাথার খুলি ও হাড় দেখে আমরা অবাক হই। কার্টন থেকে একে একে বের হয় ১২টি মাথার খুলি ও দুই বস্তা হাড়। সেই সঙ্গে পাওয়া যায় বিশেষ কেমিক্যাল। যা দিয়ে মানবদেহ দ্রুত পচানো ও কঙ্কাল প্রক্রিয়াজাত করা হতো। এমন ঘটনায় রীতিমতো হতবাক এলাকাবাসী।

রোববার বিকেলে নগরীর আর কে মিশন রোড এলাকায় গিয়ে কথা হয় স্থানীয়দের সঙ্গে। আব্দুল কাইয়ুম নামে এক যুবক বলেন, বাপ্পির বাসার দোতলার বারান্দা পুরোটাই একটা পর্দা দিয়ে ঢাকা থাকতো। বাসার জানালাও কখনো খোলা থাকতে দেখা যায়নি। মাঝে মধ্যে কিছুটা সন্দেহ হলেও ভাবতাম তার স্ত্রী হয়তো পর্দাশীল। তাই সে বিষয়ে খুব একটা মাথা ঘামাতাম না।

আবুল কালাম নামে স্থানীয় আরেক ব্যক্তি বলেন, বাপ্পিকে ঘরের বাইরে খুব একটা বের হতেও দেখিনি। তবে সে অনেক রাত জাগতো। রাত ৩টা বা ৪টা পর্যন্ত তার বাসার লাইট জ্বলতো। ভেতরে এত কিছু হতো তা আমাদের ধারণাতেই ছিল না।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার বলেন, বাপ্পি দীর্ঘদিন ধরে কঙ্কালের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এর আগেও সে একবার কঙ্কালসহ গ্রেফতার হয়েছিল। ওই মামলায় জেলও খেটেছে। কিন্তু এরপরও এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল। কঙ্কাল চুরির সঙ্গে বাপ্পিসহ বেশ কয়েক সদস্যের একটি চক্র জড়িত। কবর থেকে লাশগুলো তুলে কেমিক্যালের মাধ্যেম প্রক্রিয়াজাত করা হতো। পরে এসব কঙ্কাল দেশ-বিদেশে বিক্রি করা হতো।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38374967
Users Today : 1687
Users Yesterday : 4902
Views Today : 9405
Who's Online : 40
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/