বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ১১:৫৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের জন্য যাত্রীবাহী ট্রেন চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে রেলওয়ে বিচারপতি সিনহার অর্থ আত্মসাতের মামলার রায় আজ সাপাহারে ফাইনাল ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত বোচাগঞ্জে আব্দুর রৌফ চৌধুরীর ১৪তম মৃত্যু বার্ষিকী পালন তানোরের কলমা ইউপিতে উঠান বৈঠক সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার দাবি রাবি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের তানোরে ইউপি নির্বাচনে মেইন ফ্যাক্টর প্রতিক ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) ১৪৪৩ হিজরি উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সার্বিয়াকে জনশক্তি নেওয়ার প্রস্তাব পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আজ থেকে সপ্তাহে ৫ দিন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-দিল্লি বিমানের ফ্লাইট নতুন নামে কোম্পানি করে ব্র্যান্ডিংয়ে যাচ্ছে ফেসবুক যেভাবে মূলপর্বে যেতে পারে বাংলাদেশ! কলেজছাত্রকে অপহরণের পর জোর করে বিয়ে করলেন তরুণী! বিপদসীমার ৬০ সেমি ওপরে তিস্তার পানি সহিংসতা এড়াতে ২৬ জেলার পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

জিয়ার আমলে সেনা ও বিমান বাহিনীর নিহত সদস্যদের তালিকা প্রকাশের দাবি

জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সেনা ও বিমান বাহিনীর নিহত সদস্যদের তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছে তাদের পরিবার। ১২০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা শুক্রবার (১ অক্টোবর) নাজিমুদ্দিন রোডের পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে আলোচনা সভায় এ দাবি জানান। এ সময় হত্যাকারীদের শাস্তিরও দাবি জানান তারা।

আলোচনা সভা থেকে জিয়াউর রহমানের সমাধি সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানানো হয়। এ সময় আগামী ৭ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্ট অভিমুখে পদযাত্রার কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয় এবং শহীদদের স্মৃতি রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করা হয়।

পরিবারের সদস্যরা বলেন, আমরা হতভাগ্য সন্তান, আমরা আজ একত্রিত হয়েছি ৪৪ বছর আগে নিহত দেশপ্রেমিক সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের হত্যার বিচারের দাবিতে। ১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর জাপানি বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় ঢাকা বিমানবন্দরে তথাকথিত বিদ্রোহ দমনের নামে তৎকালীন স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের নির্দেশে ফাঁসি দেওয়া হয় অসংখ্য বীর মুক্তিযোদ্ধাকে। রাতের আঁধারে কারফিউ দিয়ে ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ধর্মীয় বিধিতে সৎকার ছাড়াই লাশগুলো আজিমপুর কবরস্থানে মাটিচাপা দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন পরিবারগুলোর কাছে এই তথ্য অজানা ছিল। আমরা জানি না কোথায় আমাদের পিতা, স্বামী কিংবা ভাইয়ের কবর।

তারা আরও বলেন, আমরা জানি, পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসির মঞ্চে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল সেই বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমান ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের। কালের রাজস্বাক্ষী হিসেবে ফাঁসির মঞ্চটি এখনও আছে। খুনি জিয়ার নিষ্ঠুরতার সাক্ষী সেই ফাঁসির মঞ্চে আমাদের পিতা, সন্তান কিংবা স্বামীর জীবনপ্রদীপ নিভে যায়। আমরা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই এবং রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ডের শিকার মানুষগুলোকে নির্দোষ হিসেবে দায়মুক্তি দেওয়ার দাবি জানাই।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone