সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০৫:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সাইবার বুলিং ও গুজব বিরোধী সমাবেশে-বক্তারা সচেতন পিতা-মাতাই সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়ে দিতে পারেন বাগেরহাটে মোরেলগঞ্জে শিশু আব্দুল্লাহ হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন রাজশাহীর তানোরে সুজনকে  ঘিরে চক্রব্যুহ ! স্বেচ্ছাসেবক লীগ পাবনা জেলা শাখার কমিটির অনুমোদন ডাবলু সভাপতি ও রুহুল আমিন সাধারণ সম্পাদক উলিপুরে অভাবের তাড়নায় সন্তান দত্তক দেয়া সেই গৃহবধু শেফালীকে সাহায্যানুদান প্রদান  নওয়াপাড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতির সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শার্শার ১১টি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গনের হাতে করোনা প্রতিরোধী সামগ্রী তুলেদেন এমপি শেখ আফিল উদ্দিন শার্শায় উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষে চিকিৎসকদের মাঝে চিকিৎসা উপকরণ বিতরণ দিনাজপুর বিরামপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রণোদনা ঈমাম মুয়াজ্জিনদের মাঝে চেক বিতরণ করলেন ইউএনও বাগেরহাটে মোরেলগঞ্জে ঘরের অভাবে রোদ বৃষ্টির দিনলিপি এক দিনমজুরের ছাতকে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের পক্ষে ফুলের তোড়া দিয়ে মহিবুর রহমান মানিক এমপি কে অভিনন্দন জানান।। এমটিবি এবং কোয়ালিটি ফিডস্ধসঢ়; লিমিটেড (কিউএফএল)- এর মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর ত্রিশালে মাস্ক ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন সাঁথিয়ায় দাবি আদায়ে কালেক্টরেট সহকারীদের সংবাদ সম্মেলন নড়াইল-যশোর সড়কে ট্রাকের ধাক্কায় কাঁচামাল ব্যবসায়ী নিহত

জিয়া, এরশাদ ও খালেদার আমলে যে সব বিচারপতিদের অন্যায়ভাবে বিদায় করা হয়েছিল।

আহমেদ আল আমীন
এইচ এম এরশাদ, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার আমলে প্রধান বিচারপতিসহ সুপ্রিম কোর্টের অন্তত ১৯ জন বিচারপতিকে বিদায় করা হয়েছে।
অবসরের বয়সসীমা কমানোর মাধ্যমে প্রধান বিচারপতির পদ থেকে এরশাদের আমলে সরানো হয়েছিল বিচারপতি কামালউদ্দিন হোসেনকে।
১৯৮২ সালের ১১ এপ্রিল সামরিক ফরমানে পদ হারিয়ে এজলাস থেকেই তাকে চলে যেতে হয়। একজন প্রধান বিচারপতিকে এজলাসে বসেই সেদিন শুনতে হয়েছে ‘এই মুহূর্ত’ থেকে তার আর চাকরি নেই! বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে এমন ঘটনা নেই বললেই চলে। এর আগে জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৭ সালে আপিল বিভাগের বিচারপতি দেবেশ ভট্টাচার্যকে সামরিক ফরমান বলে অবসরে পাঠানো হয়। চলে যেতে হয়েছিল বিচারপতি কে এম সোবহান ও বিচারপতি কাজী সফিউদ্দিন আহমেদকেও। এ ছাড়া বিচারপতি আ স ম হোসাইন ও আবদুর রহমান চৌধুরীকেও এরশাদের শাসনামলে অপসারণ করা হয়। তারা দুজনেই ছিলেন হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতি। সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের ঘটনায় ক্যাসেট কেলেঙ্কোরিতে ২০০০ সালের নভেম্বরে পদত্যাগ করেন হাই কোর্টের বিচারপতি লতিফুর রহমান। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া হাই কোর্টের কয়েকজন বিচারপতিকে বিগত চারদলীয় জোট সরকার বাদ দেয়। সেই সময় বাদ পড়া বিচারপতিরা হলেন বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী, বিচারপতি নিজামুল হক, বিচারপতি আবদুস সালাম, বিচারপতি মোমতাজ উদ্দিন, বিচারপতি শামসুল হুদা, বিচারপতি ফারুক হোসেন, বিচারপতি আবদুল হাই, বিচারপতি আবদুর রাজ্জাক, বিচারপতি মারজুল হক, বিচারপতি মুনসুরুল হক চৌধুরী এবং এ এফ এম মেসবাহ উদ্দিন। পরে আদালতের আদেশে তাদের অধিকাংশই চাকরিতে বহাল হন। চাকরিতে বহাল হয়ে স্বাভাবিকভাবে দায়িত্ব পালন শেষে তাদের অনেকেই ইতিমধ্যে অবসরে গেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37876269
Users Today : 1197
Users Yesterday : 2922
Views Today : 5664
Who's Online : 24
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone