মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
কী কারণে মমতার নির্বাচনী প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞা জারি লকডাউনের আওতায় থাকবে না যারা পাবজি গেম প্রেমীদের জন্য দেশের বাজারে এলো অপো এফ১৯ প্রো, পাবজি মোবাইল স্পেশাল বক্স ঝালকাঠিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গুলি, আহত-১, বন্দুক ও গুলি উদ্ধার, অাভিযুক্তের আত্মসমর্পন ঝালকাঠির নলছিটিতে সিটিজেন ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ যখন টাইটানিক ডুবছিল তখন কাছাকাছি তিনটে জাহাজ ছিল। সেদিন আমি স্নানও করিনি, যদি ওই অবস্থায় দেখে ফেলে! সাকিবকে সাতে খেলানো ভালো লাগেনি হার্শার নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার সীমানা প্রাচীর হোসিয়ারী ব্যবসায়ীর দখলে আলীনগরে বৃদ্ধাকে বেদম পিটিয়েছে উচ্ছশৃঙ্খল মা-মেয়ে ও পুত্র ‘খালেদা জিয়ার মতো নেতাকে জেলে নিয়ে পুরলে তোমার মতো নুরুকে খাইতে ১০ সেকেন্ড সময়ও লাগবে না’ চুপি চুপি বিয়ে করে ফেললেন নাজিরা মৌ লকডাউনে বন্ধ থাকতে পারে শেয়ারবাজার কোরআনের ২৬ আয়াত বাতিলের আবেদন খারিজ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন, ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ওপর হামলা

ঝুঁকিপুর্ন ভবনে চলছে শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদান, যে কোন সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা!

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ঝালকাঠির রাজাপুরের ১৩ নং দক্ষিণ পশ্চিম কাঠিপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুকিপুর্ন ভবনে পাঠদান করা হচ্ছে। প্রতি বছরের ঝুকিপুর্ন তালিকায় ওই বিদ্যালয়ের নামটি দেয়া হলেও কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। পলেস্তরা খসে বা ছাদ ভেঙ্গে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা খাতুন বলেন, ১৯৯৫/৯৬ সালের অর্থ বছরে ৪টি কক্ষ বিশিষ্ট বিদ্যালয় ভবনটি নির্মান করা হয়। নির্মানের প্রায় পাঁচ বছরের মধ্যেই ওই ভবনের বিভিন্ন স্থানের পলেস্তরা খসে রড বেরিয়ে বেকে গেছে। ২০০১/০২ অর্থ বছরে এবং ২০১২ সালে দুইবার মেরামত করা হলেও পরবর্তি এক বছরের মধ্যে পলেস্তরা খসে এবং পিলার ফেটে গিয়ে আরো খারাপ অবস্থা হয়েছে। ২০১৪ সালে পুরাতন ভবনের পাশেই দুই কক্ষ বিশিষ্ট একটি নতুন ভবন নির্মান করা হয়। কক্ষ অপ্রতুল হওয়ায় বাধ্য হয়ে পুরাতন ভবনে ঝুকি নিয়ে কমপক্ষে একটি ক্লাশ বসাতে হচ্ছে। সেখানে শিক্ষার্থীরা সব সময় আতঙ্কে থাকে। যে কোন সময় পলেস্তরা খসে অথবা ছাদ ভেঙ্গে পরে হতাহতরে মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদেরকে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষার্থে পুরাতন ভবনটি যতসম্ভব দ্রæত অপসারন করে একটি নতুন ভবন নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্থানীয় অভিভাবকরা দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: নবেজউদ্দিন সরকার বলেন, ওই ভবন সম্পর্কে আমার জানা নাই। তবে এরকম হয়ে থাকলে সেখানে ক্লাশ করানো যাবে না। এর জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও ইউআরসি কর্মকর্তা মিলে একটি কমিটি রয়েছে। সেই কমিটি ওই ধরনের ভবন পরিত্যাক্ত বলে ঘোষনা করতে পারেন এবং নতুন ভবনের জন্য উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা তালিকা করে আবেদন করবেন। অপরদিকে ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অথবা স্থানিয় জনপ্রতিনিধি অথবা যে কোন শিক্ষানুরাগী স্থানীয় এমপি’র সুপারিশ নিয়ে নতুন ভবন পাওয়ার জন্য চেষ্টা করতে পারেন।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38443445
Users Today : 400
Users Yesterday : 1256
Views Today : 4562
Who's Online : 39
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone