রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২০, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ওসি প্রদীপ মিথ্যা মামলা করার আইনি পরামর্শও নিয়েছিলেন প্রত্যাহার আর বদলিতে সীমাবদ্ধ “লাগামহীন ওসি”দের শাস্তি ! ঘুম থেকে তুলে ক্রসফায়ার দেন ওসি প্রদীপ, টাকাও নেন ১৮ লাখ (ভিডিও) সিনহাকে ‘হত্যা’র পর ‘বাঁচার জন্য’ আইনজীবীকে ফোন ওসি প্রদীপের (অডিও)ভাইরাল পুলিশ নিজেদের এখন ‘ওয়েস্টার্ন হিরো’ ভাবছে: সোহেল চেকপোস্টে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তদারকি আরো বাড়াতে হবে: ডিএমপি কমিশনার থানায় বোমা বিস্ফোরণের পর মিরপুর পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বদলি মাহিন্দা রাজাপাকসেকে অভিনন্দন জানালেন শেখ হাসিনা বৈরুতে আহত বাংলাদেশিদের দূতাবাসে যোগাযোগের আহ্বান জোয়ারে প্লাবিত লক্ষ্মীপুর : ক্ষতির শিকার ১১ হাজার হেক্টর ফসলী জমি লক্ষ্মীপুর জেলা উন্নয়ন বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন অটোরিকশার ৭ যাত্রীকে পিষে দিলো বাস গণমাধ্যমে প্রচার হওয়া ,ফোনালাপ যাচাই করা হবে: র‌্যাব প্রেম করে বিয়ে করছেন? তাহলে দেখে নিন কী কী ভুল হতে পারে আপনার! যে কারণে ছেলেদের দেখলে মেয়েরা বার বার ওড়না ঠিক করে

টানা ২০ বছর ধরে পানিতেই দাঁড়িয়ে আছেন নারী!

পানির অপর নাম জীবন। পানি না খেলে মানুষ বাঁচতে পারে না। তবে এ কথা কি শুনেছেন? কেউ পানির মধ্যে বাস করে। তাও আবার এক বছর দুই বছর নয়, টানা ২০ বছর ধরে পানির মধ্যে বাস করছেন। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন!

তেমনটাই হয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি গ্রামে। যেখানে একজন ৬৬ বছর বয়সী নারী বাস করেন। তার নাম পাতুরানি ঘোষ। এই নারী গ্রামের একটি পুকুরে বিগত ২০ বছর ধরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পানিতে বাস করছেন। তিনি প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা পুকুরের মধ্যে থাকেন।

শুধু তার ঘুমের চাহিদা পূরণ করার জন্য পানি থেকে তাকে তুলে আনা হয়।বিগত ২০ বছর ধরে প্রতিদিন সকালে সূর্য ওঠার আগেই এই নারী পুকুরে চলে যান। সে পানিতে দাঁড়িয়ে থাকেন। তার মুখ অবশ্য পানির উপরে থাকে।

শোনা যায়, পাতুরানি নামে এই নারী ১৯৯৯ সালে একটি বিরল রোগে আক্রান্ত হন। আর এই কারণে সূর্যের আলো লাগলে তার শরীরে জ্বালা করা শুরু হয়। তাই তিনি পানির সংস্পর্শে থাকেন স্বস্তি পেতে। এই ঘটনার ২০ বছর পার হয়ে গেছে। রাত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে পানি থেকে তুলে আনা হয়। যাতে সে ঘুমাতে পারে।

এই গ্রামের লোকজন খুবই গরিব। তাই এই নারীর পরিবার তার সুষ্ঠু চিকিৎসা করতে সক্ষম হয়নি। এই নারী ভারতের জলপরী নামে পরিচিত। তার খাবারের তালিকায় রয়েছে ভাত এবং অল্প সবজি। আর তাও তাকে পানির মধ্যে খাওয়ানো হয়।

তার মতে, পানিতে থাকলে তার শরীরের জ্বালা-পোড়া ভাব কমে। যখনই তিনি পানিতে থাকেন তখন তার আত্মীয়রা তাকে এসে দেখে যায়। সে ঠিক আছে কিনা তা দেখার জন্য। পাতুরানির গ্রামের কুসংস্কারীরা বিশ্বাস করে, তিনি একদিন এই পুকুরের অংশ হয়ে যাবে।

তবে তার পরিবারের আশা করছে, তারা বৃদ্ধার এই রোগের চিকিৎসা করবেন। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, পাতুরানির এভাবে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পানিতে বসে থাকা একটি মানসিক রোগ। সঠিকভাবে চিকিৎসা করলে তার পক্ষে সুস্থ জীবনে ফিরে আসা সম্ভব।

সূত্র: অডিটিসেন্ট্রাল

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone