মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
যে দেশে নারীদের চেয়ে পুরুষরা বেশি ধর্ষিত পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ফরম বিতরণ শুরু মঙ্গলবার বিছানায় মেয়েরাই বেশি নোংরা সেনাবাহিনী যেকোনো প্রয়োজনে দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত: সেনাপ্রধান সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন, জাতীয় দিবসে খোলা সকালে সহবাস করলেই অবিশ্বাস্য উপকারিতা মাদক পরীক্ষায় ধরা পড়লেন ৬৮ পুলিশ, চাকরি গেল ১০ জনের ২০০ প্লটের মালিক গোল্ডেন মনির, বাসাতেই ৬০০ ভরি স্বর্ণ করোনা ভ্যাকসিনের সম্ভাব্য দাম কঠোর হচ্ছে সরকার, মাস্ক না পরলে জরিমানা ৫ হাজার টাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক মন্টুর স্মরণে পাবনা জেলা শ্রমিক লীগের কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল বরিশালের দুই পৌর নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা বরিশালে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদ্ধসঢ়;ঘাটন হয়নি ॥ বাড়ছে লাশের সংখ্যা কুড়িগ্রামের বাঁশজানি সীমান্তে এক বাংলাদেশীকে আটক করেছে বিএসএফ সিলেট অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে নতুন মাত্রা কৈতক ট্রমা সেন্টার  –মুহিবুর রহমান মানিক এমপি

তানোরে উন্নয়ন ইস্যুতে বেকায়দায় মেয়র মিজান

আলিফ হোসেন,তানোর
রাজশাহীর তানোর পৌরসভায় নির্বাচনের হাওয়া বইছে। ইতমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীগণ নিজেদের অনুগত নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে দীর্ঘদিন উন্নয়ন বঞ্চিত থেকে নাগরিকগণের মধ্যে বোধদয় হয়েছে সরকার সমর্থক জনপ্রতিনিধি ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়। এদিকে এই সুযোগে প্রসিদ্ধ ব্যবসায়ী ও বিশস্ট সমাজ সেবক আবুল বাসার সুজন পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা-ঘাট, মসজিদ-মন্দির, স্কুল-কলেজ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে দৃশ্যমান উন্নয়ন করে পৌরবাসীর মন জয় করে নিয়েছে, পাল্টে গেছে রাজনীতির সকল হিসাব-নিকাশ, তাকে ঘিরে সৃস্টি হয়েছে নয়াসমিকরণ।বিগত ৫ বছরে বর্তমান মেয়র মিজানুর রহমান মিজান যা করতে পারেনি, নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে সুজন অল্প দিনেই তার দিগুন দৃশ্যমান উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পন্ন করেছে। স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর পক্ষ থেকে তিনি এসব উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পন্ন করেছেন।
জানা গেছে, তানোর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তাঁতিয়ারপাড়া, মথুরাপুর আদিবাসীপাড়া ও সরদারপাড়া গ্রামের যাতায়াতের ২টি রাস্তা দীর্ঘ ৫ বছর ধরে চলাচলের প্রায় অনুপোযোগী হয়ে পড়ে রয়েছে। পৌরসভার মেয়রকে বার বার অনুরোধ করার পরেও ৫ বছরেও রাস্তার উন্নয়নে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তিনি নির্বাচনের সময় থেকেই শুধু আশ্বাস দিয়ে আসছেন। ফলে বাধ্য হয়ে গ্রামবাসী বিশিস্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক আবুল বাসার সুজনের দৃস্টি আকর্ষণ করেন। এদিকে চলতি বছরের ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার গ্রামবাসীর দৃস্টি আকর্ষণে সাড়া দিয়ে আবুল বাসার সুজন স্থানীয় আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর পক্ষ থেকে রাস্তার উন্নয়নে অনুদান হিসেবে নির্মাণ সামগ্রী (ইট) দিয়ে রাস্তায় চলাচলের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এছাড়াও মাসিন্দা হালদার পাড়া-হাবিবনগর,আকচা-বুরুজ, সরদারপাড়া-গোল্লাপাড়া,চাপড়া-গোকুল,বেলপুকুর ও তালন্দ উপরপাড়া এলাকায় বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়ন করেছেন সুজন। এসব বিবেচনায় এবার প্রতিক নয় সরকার দলীয় প্রার্থীকে  বিজয়ী করে উন্নয়নের খরা কাটাতে চাই পৌরবাসী। অন্যদিকে  পৌরবাসীর মাঝে এই বোধদয় সৃস্টির ফলে ভোটের মাঠে ভিন্নমাত্রা  ও পরিবর্তনের পুর্বাভাস লক্ষ্য করা গেছে। এসব বিবেচনায় আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর বিজয় প্রায় নিশ্চিত বলে মনে করছে পৌরবাসী।
জানা গেছে, শুধুমাত্র সরকার বিরোধীরা মেয়রের দায়িত্বে থাকায় পৌরসভার নাগরিকগণ দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।  রাস্তা- ঘাট, গ্রামীণ অবকাঠামো ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসুচি ইত্যাদি উন্নয়ন ও অর্জনের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়েও পিছিয়ে থেকে ডিজিটাল নর্দমা বলে পরিচিতি লাভ করেছে তানোর পৌরসভা। তবে কেনো এর দায় কি শুধু মেয়রের না নাগরিকগণের কিছু রয়েছে। মোদ্দা কথা বলতে গেলে এই দায় নাগরিকদের। কারণ তারা না বুঝে বা জেনে বুঝে অথবা ফালতু আবেগের বশবর্তী হয়ে কিংবা কারো মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ফাঁদে পড়ে বার বার সরকার বিরোধীদের ভোট দিয়ে মেয়র নির্বাচিত করে উন্নয়ন বঞ্চিত রয়েছেন। এদিকে পৌরবাসির মধ্যে বোধদয় সৃস্টির পর পাল্টে গেছে ভোটের হিসেব-নিকেশ। সচেতন মহলের ভাষ্য, সরকারের দেয়া সুযোগ-সুবিধা লোপাট করে ফুঁলেফেঁপে উঠে এসব মেয়র নিজেরা বিলাস জীবনযাপন করে জনগণকে বোঝায় তারা বিরোধীদলের মেয়র তাই সরকার ও স্থানীয় সাংসদরা তাদের কিছুই দেন না, ফলে তাদের আন্তরিক ইচ্ছে থাকলেও তারা জনগণের কোনো কাজ করতে পারেন না যেটা ডাহা মিথ্যা কথা পৌরসভার বিষয়ে সাংসদদের হস্তক্ষেপ করার তেমন কোনে সুযোগ নাই। তাদের উন্নয়ন বরাদ্দের টাকা তারা যথারীতি উত্তোলন করেন তবে নানা অজুহাতে কাজ করেই সেই টাকা মেয়রের পকেটে চলে যায়। আবার তাদের অভিযোগ যদি সত্য হয় তাহলে তারা তো জানেন তারা বিরোধীদলের লোক বিজয়ী হলেও কোনো কাজ করতে পারবেন না, তার পরেও তারা ভোট করেন কেন-? কেন  মেয়রের চেয়ার দখলে রেখে পৌরসভাকে উন্নয়ন বঞ্চিত করেন। অথচ পৌরসভার রাজস্ব ও বিভিন্ন দাতা সংস্থার সাহায্যেের টাকায় পৌরসভায় উন্নয়নের বিপ্লব ঘটানো সম্ভব বলে মনে করেন উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা। #

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37854331
Users Today : 184
Users Yesterday : 1947
Views Today : 586
Who's Online : 12
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone