শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০৬:৫২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
আত্রাইয়ে ইরি-বোরো ধান পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক দেখুন এই ৫ রাশির মেয়েরাই স্ত্রী হিসাবে সবচেয়ে সেরা, বিস্তারিত যে কারণে নিকটাত্মীয় ভাই-বোনদের বিয়ে ঠিক নয়, জেনে রাখা দরকার সুন্দরগঞ্জে জনবল সংকটে স্বাস্থ্য সেবা বিঘিœত ভারতে মিয়ানমারের ১৯ পুলিশের আশ্রয় প্রার্থনা মিয়ানমারের ওপর বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের ৬৬০ থানায় একযোগে ৭ মার্চ উদযাপন করবে পুলিশ জাপান থেকে দেশের পথে মেট্রোরেল জেলখানায় ‘প্ল্যান’, প্রিজন ভ্যান থেকে পালালেন আসামি! শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে ‘দেশেই তৈরি হবে বিলাসবহুল বাস-ট্রাক’ ডিস লাইনের তার নিয়ে শিশু ছাত্রকে পেটালেন মাদ্রাসা শিক্ষক লক্ষ্মীপুরে সড়ক খোঁড়াখুঁড়িতে গ্যাস ও বিটিসিএল লাইন বিচ্ছিন্ন যৌন হয়রানির দায়ে ডিসি অফিস সহকারীর কারাদণ্ড প্রতিবেশী দেশগুলোর সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী

তানোরে বিজয় দিবসে ইউএনও’র চাঁদাবাজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজশাহীর তানোরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাঃ নাসরিন বানুর বিরুদ্ধে গণ-চাঁদাবাজির গুঞ্জন উঠেছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনে সহযোগীতার নামে এই গণ-চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। নিজেকে সততার প্রতীক দাবি করা ইউএনও’র এমন চাঁদাবাজির গুঞ্জনের খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড় প্রতিনিয়ত এসব গুঞ্জনের ডালপালা মেলছে। এদিকে বিজয় দিবস উদযাপনে সরকারীভাবে অর্থ বরাদ্দ থাকার পরেও এভাবে অনুদান বা সহযোগীতার নামে চাঁদাবাজী অন্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা বলে সচেতন মহল মন্তব্য করেছে।
সূত্রে জানা গেছে, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপনে সকলের সহযোগীতা প্রত্যাশা করে প্রায় ১৫ দিন ধরে চিঠি বিতরণ ও সহযোগীতার নামে আনুঃপাতিক হারে চাঁদা আদায় করা হয়েছে। সূত্র জানায়, উপজেলার স্কুল, কলেজ , মাদ্রাসা, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, বিসিআইসি সার ডিলার সমিতি, বিভিন্ন বণিক সমিতি, ইটভাটা, স-মিল, ক্লিনিক, ডায়াগণস্টিক সেন্টার, পুকুর মালিক, পেট্রোল পাম্প. কোল্ড স্টোর ও বড় ব্যবসায়ীদের চিঠি দিয়ে আনুঃপাতিক হারে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রাইমারী স্কুলের প্রধানগণ জানান, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পৃথকভাবে মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অথচ তার পরেও তাদের উপজেলা পরিষদের ফান্ডে (চাঁদা) টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। তারা প্রতিবছর ১০০ টাকা করে চাঁদা দিয়ে আসলেও এবছর স্কুল প্রতি ৫০০ টাকা চাঁদা নির্ধারণ করা হয়েছে। সূত্র জানায়, প্রাইমারী স্কুল প্রতি ৫০০ টাকা ,হাই স্কুল ও কলেজ প্রতি ৭০০ টাকা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিসকে এসব টাকা আদায়ে নির্দেশনা দেয়া হয়। এছাড়াও স’মিল প্রতি এক হাজার টাকা, ইটভাটা প্রতি ১০ হাজার টাকা, সাবরেজিস্ট্রার অফিস ১৫ হাজার টাকাসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে থেকে আনুঃপাতিক হারে চাঁদার টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে এলাকায় ব্যাপক প্রচার আছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্লিনিক মলিক প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তার কাছে ৫ হাজার টাকার কথা বলা হয়েছে এই টাকা দিতেই হবে না দিলে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানা আদায়ের হুমকি দেয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছাঃ নাসরিন বানু এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা করা হচ্ছে। #

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38355878
Users Today : 2521
Users Yesterday : 6146
Views Today : 9761
Who's Online : 30
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/