রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
রাজধানীর দুই এলাকায় করোনার সর্বাধিক সংক্রমণ গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শেষ হচ্ছে ১৫ এপ্রিল রামগতিতে ট্রাক্টরচাপায় শিশুর মৃত্যু সন্ধ্যা ৬টার পর ফার্মেসি-কাঁচাবাজার ছাড়া সব দোকান বন্ধ বিয়েবাড়িতে মেয়েদের নাচানাচির ছবি তোলা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩০ পাঁচ উপায়ে দূর করুন বিরক্তিকর ব্রণ ডালিমের ১০ আশ্চর্য গুণ যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছরে একশত বিলিয়ন মার্কিন ডলারের জলবায়ু তহবিল করবে বাসাভাড়া নিতে বাড়িওয়ালাকে নকল স্বামী দেখালেন প্রভা! প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ‘মহব্বত’ সংকটে করোনা রোগীরা হাসপাতালগুলোতে ঘুরেও মিলছে না শয্যা অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা ব্রিটেনের রানি ও প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার চিঠি টিকা প্রতিরোধী ভয়ঙ্কর ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল হবে বাংলাদেশ! লকডাউনে পোশাক কারখানা বন্ধ কিনা, জানা যাবে কাল

তানোরে রাব্বানী- সাইদুরকে নিয়ে সমালোচনার ঝড়

 

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

রাজশাহী-১ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী করোনা দুর্যোগ প্রতিরোধে হটলাইন খুলে ও মানবিক সহায়তা তহবিল গঠন করে তার দুই প্রতিনিধি তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না এবং গোদাগাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গির আলমকে নিয়ে নিম্ন আয়ের কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে খাবার পৌচ্ছ দিতে নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছেন। অথচ সেই সময়ে তার দলেরই দায়িত্বশীল দুই নেতা ভিন্ন এলাকায় খাদ্য সহায়তার নামে নাটক ও ফটোসেশন করছে বলে গুন্জন বইছে।  কারন তারা যদি সত্যিই মানবিক দিক বিবেচনা করে খাদ্য সহায়তা দিতেন তাহলে অবশ্যই নিজ নিজ এলাকার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতেন কখানোই সেটা উপেক্ষা করে বাইরের এলাকায় গিয়ে লোক দেখানো এসব করতেন না। এছাড়াও পৌরসভার অনুকুলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার বরাদ্দকৃত জিআর প্রকল্পের চাল নয়ছয় করে নিজের ব্যক্তিগত তহবিলের বলে বিভিন্ন এলাকায় বিতরণ

করা হয়েছে বলেও প্রচার রয়েছে।

অন্যদিকে রাজশাহী-১ আসনের নির্বাচনী এলাকায়  আওয়ামী লীগের দুই নেতার খাদ্য সহায়তা (ত্রাণ) বিতরণ ও আর্থিক অনুদান প্রদান করা নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া  দেখা দিয়েছে পাশাপাশি মুখরুচোক নানা গুন্জন বইছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়। স্থানীয়রা বলছে, তানোরের মুন্ডুমালা পৌরসভান মেয়র গোলাম রাব্বানী ও পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমানের খাদ্য সহায়তা বিতরণ ও আর্থিক অনুদান প্রদান করা নিয়ে জনমনে এসব প্রতিক্রিয়া ও গুন্জনের সুত্রপাত হয়েছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। এদিকে রোববার মেয়র গোলাম রাব্বানী কলমা ইউপির কন্দপুর গ্রামে পুকুরের প্রটেকশান ওয়াল ও রাস্তা উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন করেছেন। অথচ তার পৌরসভার প্রতিটি রাস্তার বেহাল দশা, অধিকাংশ  দরিদ্র পরিবার মানবিক সহায়তা পাচ্ছে না, তার বিরুদ্ধেও কাউন্সিলরগণ দুর্নীতি দমন কমিশন দুদুকে অভিযোগ করেছেন তার পরেও তিনি পৌরসভার বাইরে গিয়ে এসব করছে। এসব কারণে  পৌরবাসীর মনে তীব্রক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃস্টি হয়েছে।স্থানীয় সুত্রের ভাষ্য, তানোরের মুন্ডুমালা পৌর মেয়র গোলাম রাব্বানী অধিকাংশ সময় গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল, ললিত নগর, আইহাই তানোরের কলমা, বিল্লী, কাঁমারগা ইত্যাদি এলাকায় খাদ্য সহাযতা দিচ্ছেন, অথচ তার পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় অনেক হতদরিদ্র পরিবার রয়েছে যারা এখানো তেমন কোনো খাদ্য সহায়তা পায়নি। তাহলে কোনটা তার আগে মুন্ডুমালা পৌরসভা না  বাইরের এলাকা, তবে হ্যাঁ সহায়তা যে কেউ যেকোনো জায়গায় দিতেই পারে, কিন্তু যখন  নিজের ঘরে খাবার নাই  জেনেও লোক দেখাতে অন্যকে খাবার দেয়া হয় তখন বিষয়টি নিয়ে নেতিবাচক আলোচনা আসতেই পারে সেটাই স্বাভাবিক।

অন্যদিকে মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মেয়রের ঘনিস্ঠ সহচর সাইদুর  রহমান তাকে নিয়েও দেশের প্রথম শ্রেণীর দৈনিকে কুলি থেকে কোটিপতি  শিরোনামে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, তবে তিনি আরো একধাপ এগিয়ে রাজশাহী সিটি, কাঁকনহাট পৌরসভা ইত্যাদি এলাকায় খাদ্য সহায়তা ও আর্থিক অনুদান বিতরণ করছেন ? কিন্ত্ত কেনো মুন্ডুমালা পৌরসভায় কি কোনোদরিদ্র মানুষ নাই, না কি সবার ঘরে সহায়তা পৌচ্ছে গেছে, যদি তা না হয়  তাহলে কেনো তাদের এসব তৎপরতা। আবার কেউ বলছে একজন এমপি,  একজন উপজেলা চেয়ারম্যান ও একজন মেয়র হবার গায়েবী স্বপ্ন দেখে এরা এসব করছে। অথচ পৌরসভায় নেই কোনো উন্নয়ন,  নেই কোনো সহায়তা। আসলে এরা সাধারণ  মানুষের দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে নাটক করছে, এরা কখানো মানুষের ভাল করতে  পারেনি। এখানো করছে না, ভবিষ্যতেও করবে না।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মচারী বলেন, সাইদুর রহমান ছিলেন মুন্ডুমালা হাটের কুলির সরদার ও হাটে হাটে গরু নিয়ে যাওয়া-আশা করা শ্রমিক এখানো মুন্ডুমালা মহিলা কলেজের নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত । (এসব বলে কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করা আমাদের উদ্দশ্যে নয় আমরা সকল পেশাকেই সম্মান  জানায়, আমরাও চাই এলাকার মানুষ বিত্তশীল হোক তবে সেটা অনৈতিক ভাবে নয়  নৈতিকভাবে হতে হবে। আমাদের উদ্দেশ্যে শুধুমাত্র অতীতকে স্মরণ!)

কিন্ত্ত মুন্ডুমালা পৌরসভা প্রতিস্ঠার পর তাকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনি প্রথমে বিএনপির প্রয়াত নেতা শীষ মোহাম্মদ ও পরে গোলাম রাব্বানীর হাত ধরে ঘটে তার রাজষিক উঙ্খান। তারা বলেন, মুন্ডুমালা পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর থেকে সকল ঠিকাদারী কাজ, হাট ও খাসপুকুর নিয়ন্ত্রণ করে অল্প সময়ে অঢেল বিত্তবৈভবের মালিক হয়ে বিলাস জীবনযাপন করছেন। এমনকি এক সময়ের দিনমজুর কুলি সাইদুর রহমানের স্ত্রী রাজশাহীর সর্বোচ্চ আয়কর দাতা নির্বাচিত হয়ে রাজশাহী অন্চলের মানুষকে বিশ্বয়ে হতবাক করেছে। আবার অনেকে বলছে তার বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের মিল নাই তায় তিনি কৌশলে রাজশাহীর নেতাদের সঙ্গে গভীর সক্ষ্যতা বজায় রেখে চলেন, কারণ যদি কখানো তার বিরুদ্ধে  দুদুক অনুসন্ধানে নামে তাহলে তিনি ফেঁসে যেতে পারেন সেই ভয়ে তিনি  এসব নেতাদের  সঙ্গে সখ্যতা বজায় রেখে চলেন।এদিকে স্থানীয়া সাইদুর রহমান ও তার স্ত্রীর বিত্তবৈভব নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদুক) অনুসন্ধান দাবি করেছেন। এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মেয়র গোলাম গোলাম রাব্বানী ও সাইদুর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব ভিত্তিহীন বানোয়াট ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তাদের বিরুদ্ধে এসব মিথ্যাচার করছে।#

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38441065
Users Today : 541
Users Yesterday : 1570
Views Today : 4607
Who's Online : 23
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone