সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস বাংলাদেশীদের জন্য যুক্ত হচ্ছে নতুন শ্রমবাজার মাদাগাস্কার কোন বৌদিকে পটাতে হলে জিজ্ঞাস করুন এই কথাগুলি, সে আপনার ওপর দুর্বল হয়ে উঠবে নারী স্বামীর সম্পত্তি নয় যে অনিচ্ছা সত্ত্বেও একসঙ্গে থাকতে হবে পুলিশের নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক পরিবর্তন মদ্যপ স্ত্রী মিলনে রাজি না হওয়ায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন নানা আয়োজনে খানসামা উপজেলায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ জাতীয় দিবস পালন ভাষণ দিবস আছে, কিন্তু বাস্তবায়ন নেই : মোমিন মেহেদী বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন মধ্য দিয়ে ইসলামপুরে ৭মার্চ উদযাপন প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ-২০২১ উদ্যাপন সাঁথিয়ায় ৭ ই মার্চ পালিত আত্রাইয়ে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালন ১লক্ষ পিচ কোরআন বিতরণে অনুষ্ঠানে সাংবাদিক রাসেলকে সম্মাননা স্মারক উপহার দিলেন দেশসেরা উদ্ভাবক মিজান বাংলাদেশের সকল মাদ্রাসায় দেশসেরা উদ্ভাবক মিজান পৌছে দিবে ১লক্ষ পিচ পবিত্র আল-কোরআন

দেশের অদম্য অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে দুর্নীতি-ঘুষ,ও অর্থ পাচারের বন্ধ হওয়া উচিত প্রফেসর ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী

 

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি বিশ্বের কাছে একটি রোল মডেলস্বরূপ। এই অগ্রগতিকে টেকসই করতে গেলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১৭টি লক্ষ্যকে নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। তাতে যেন অন্যায়কারীরা ঘুষ-দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের সুযোগ না পায়। বর্তমানে সাধারণ জনমানুষের কাছে আমলাভীতি, পুলিশভীতির চেয়েও চিকিৎসকভীতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। কেননা সংঘবদ্ধ চিকিৎসক দল, যারা বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের নিতান্তই হাতগোনা। এদের একটি বড় চক্র এক ধরনের মাফিয়া নেক্সাস গড়ে তুলেছে। সাধারণ মানুষ জটিল অসুখ- বিসুখ হলে জায়গা-জমি বিক্রি করে দেশ থেকে বিদেশে যাচ্ছে। বৈধ এবং অবৈধ পন্থায় অর্থ পাচার হচ্ছে। এর ফলে ক্যাসিনো অর্থনীতির চেয়েও মারাত্মক আকার ধারণ করেছে চিকিৎসা খাতে। এই চিকিৎসা খাত এখন দেশের মানুষকে আতঙ্কগ্রস্ত করে তুলেছে। গবেষণা করে দেখা গেছে, কোন কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক মাসে ১ থেকে ১.৫ কোটি পর্যন্ত আয় করেন। এখন দেখুন কিভাবে তার আয় হচ্ছে : ওই ধরনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নতুন রোগীর জন্য ১৫০০ টাকা, পুরনো রোগীর জন্য ১০০০ টাকা করে যথাক্রমে ৪০ জন + ৪০ জন মোট ৮০ রোগী দৈনিক দেখেন। সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষার ওপর ৪০ থেকে ৪৫% কমিশন থাকে। আবার ওষুধ কোম্পানি থেকে থোক বরাদ্দ পান ১০% থেকে ১২%। এরপর আছে প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ২৫টি সিজারিয়ান, যার জন্য ৩০ হাজার টাকা করে তিনি নেন। আবার ডিএনসিসির জন্য ১ ৫,000 টাকা করে নেন। এভাবে অঙ্কটি থেকে কেন যে আমাদের এনবিআর সত্যিকার তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব আদায় করে না, সেটি বোধগম্য নয়। একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মধ্যে কেউ কেউ রোবট হয়ে যান। তিন থেকে চারটি চেম্বার করেন। হাসপাতালের সময় প্রাইভেট প্যাকটিস করেন। অথচ জননেত্রী শেখ হাসিনা হাসপাতালের সময়ের পর সেখানেই প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আমাদের জনসংখ্যা অনুপাতে কেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার তৈরি হচ্ছে না? সেজন্য অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করা দরকার।

সম্প্রতি একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা ঘটেছে। দেশে গবাদিপশুর হিসাবে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর আর বিবিএসের হিসাবের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হচ্ছে। গবাদিপশুর ক্ষেত্রে এ ধরনের গরমিল মোটেও কাম্য নয়। বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী ২০১৯ সালে গরুর সংখ্যা হচ্ছে ২.৮৪ কোটি এবং ছাগলের সংখ্যা হচ্ছে ১.৯২ কোটি। অন্যদিকে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী ২০১৮-১৯ সালে ২.৪২ কোটি গরু এবং ২.৬২ কোটি ছাগলের সংখ্যা রয়েছে। এ ব্যাপারে পরিকল্পনামন্ত্রী যথার্থই বলেছেন যে, ভবিষ্যতে কোন ধরনের শুমারি ও জরিপের মধ্যে ভুলত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এটি অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। নচেৎ দুটো প্রতিষ্ঠানের দু’রকমের হিসাব কেবল জনগণকে বিভ্রান্ত করবে না- বরং নানামুখী বক্তব্যে মাঠ পর্যায়ের কৃষি শুমারির জরিপের পদ্ধতি নিয়ে যে ধরনের বক্তব্য আছে, তা যেন অসত্য প্রমাণিত হয়। আসলে কৃষি শুমারিতে শুধু প্রশ্নপত্র প্রাণয়ন করলেই হয় না, বরং জরিপকারীদের যথার্থ অর্থে সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে তথ্যাবলী সংগ্রহ করার দায়িত্ব পালন করা উচিত ছিল। আবার জরিপের ফলাফল সংগ্রহ করলেই হবে না- জরিপের তথ্য-উপাত্ত যাতে সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করলে তা দেশের মানুষের উপকারে আসে তা দেখতে হবে। নীতিনির্ধারকদের কাজ করতেও সুবিধা হবে। আসলে যে মূল সমস্যা, সেটি প্রাণিসম্পদের অধিকারীরা মোটেই লক্ষ্য রাখছে না। বিদেশ থেকে বিশাল আকৃতির গরু সংগ্রহ করে লালন-পালন করছে, পালনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। অথচ এদেশের এনজিও এবং গবাদিপশুর খামারিদের স্বল্প খরচে দেশীয় গবাদিপশুর লালন-পালন করা প্রয়োজন ছিল। একটি গরু যখন কোরবানির সময়ে ৩৮ লাখ টাকা বিক্রি হয়, তখন এটি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বরং দেশের সাধারণ মানুষের কাছে দৃষ্টিকটু লাগে। আবার শুধুমাত্র আবহাওয়াজনিত কারণে, পরিবেশগত কারণে দেশের আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে দশ থেকে পনেরো লাখ টাকার গরু কোরবানির হাটে মারা যায়। সেক্ষেত্রে শঙ্কর জাতের দেশী গরুর আকার এবং প্রকৃতি বাড়াতে হবে। পাশাপাশি গবাদিপশুর লালন-পালন খরচ কমাতে হবে। এজন্য খামারিদের যেমন প্রশিক্ষিত করে তুলতে হবে, তেমনি সস্তায় লালন-পালন করার জন্য যথার্থ পদক্ষেপ গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়। নচেৎ উচ্চ খরচের কারণে ভোক্তা শ্রেণী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বেশি দামে মাংস কিনতে হচ্ছে। এ সুযোগে বাজারে চাহিদা থাকায় বিদেশ থেকে মাংস আমদানি করা হচ্ছে- যাতে করে ক্রেতারা ফেয়ার প্রাইসে মাংস ক্রয় করতে পারে। চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে এক ধরনের ভারসাম্য থাকা দরকার- যাতে উচ্চ উৎপাদন খরচের জন্য ক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। আবার মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা দেশ থেকে বিদেশে চলে না যায়। কারণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশের উন্নয়নকল্পে ব্যয়িত হওয়া বাঞ্ছনীয়।

আশ্চর্যের ব্যাপার, ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির পরও এক সময়ে খালেদা জিয়ার বডিগার্ড লোকমান হোসেন ভূঁইয়া এখনও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক হিসেবে বহাল তবিয়তে বিদ্যমান। এটি কি করে সম্ভব? তর্কের খাতিরে না হয় ভাবলাম, আদালত পর্যন্ত কেসটি গড়ায়নি। কিন্তু এ ধরনের লোককে কারা বিসিবিতে পরিচালক পদে নিযুক্ত করেছিল, তাদের বিরুদ্ধেও তদন্ত করা উচিত। সাকিব আল হাসানের ঘটনাটি বেদনাবিধুর হলেও বাস্তব। চারবারের ঘটনা, একবারও জানাবেন না- তার মতো একজন অথবা তাদের কাছ থেকে দেশবাসী অপ্রত্যাশিত আঘাত পেয়েছে। অথচ মোহাম্মদ আশরাফুলের মতো ক্রিকেটার অন্যায়ের শাস্তি শেষ করলেও তাকে কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার সুযোগ বিসিবি দেয়নি। এদিকে বিসিবির বিরুদ্ধে সকল নিয়ম-নীতি বাদ দিয়ে শ্রমিকদের মতো তারা হঠাৎ ধর্মঘট করেছিল। তাদের নিয়ম অনুযায়ী আগে নোটিস প্রদান করা উচিত ছিল। প্রধানমন্ত্রীর সময়োচিত হস্তক্ষেপে এ ধর্মঘটের অবসান ঘটেছে। সবক্ষেত্রেই প্রধানমন্ত্রীর প্রাজ্ঞ সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হয়। সেজন্যই জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শিক্ষা দেয়ার কাজটা নিজের ঘর থেকে শুরু করেছি। আশা করব, দেশের মানসম্মত স্কুল-কলেজগুলোতে উপযুক্ত গবর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান থাকবেন। সিটি কলেজ ধানমন্ডির গবর্নিং কাউন্সিলের একদা চেয়ারম্যান ছিলেন মোহাম্মদ ফরাস উদ্দীন। আর সেই প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদের স্থলে এমন একজনকে গবর্নিং বডির চেয়ারম্যান করা হয়েছে, যার আমলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান অধঃগতি হচ্ছে। পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াতীরা শিক্ষক পদ দখল করছে বলে অভিযোগ আছে।

বুয়েট সম্পর্কে একদা একজন প্রখ্যাত বুয়েটেশিয়ান ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সামনে বলেছিলেন যে, ৯০% শিক্ষক বিএনপি-জামায়াতী। তাদের কারণেই বুয়েটে বিভিন্ন উপাচার্যের আমলে এক ধরনের অচলাবস্থা বিরাজমান। কয়েকদিন আগে আবরারের হত্যাকান্ড নিয়ে যেভাবে নাগরিক টিভিতে বুয়েটের এক প্রফেসর বুয়েটের ঘটনা নিয়ে সরকারকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দোষারোপ করলেন, তা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইতোপূর্বে বুয়েটের বিভিন্ন আন্দোলনে এবং একই সঙ্গে বুয়েট ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সময়ে তিনি যখন চাকরি করতেন, তখন দেখেছি তিনি একজন বিশুদ্ধ জামায়াতী ও বিএনপি ধারণায় শুধু দুষ্ট নন, বরং ওই ধারায় আরও অন্যান্য শিক্ষক, ছাত্রছাত্রীর মধ্যে তার মতাদর্শ ছড়িয়ে দেন। বুয়েটে আবরারের হত্যাকান্ড গর্হিত কাজ, অত্যন্ত নিন্দনীয়। সেখানে ছাত্র রাজনীতির নিষেধাজ্ঞায় যাতে শিবিরের অনুপ্রবেশের সুযোগ না ঘটে সেটি দেখা দরকার। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গেস্ট রুম-গণরুম বন্ধ করা, র‌্যাগিং বন্ধ করা দরকার। ছাত্রলীগ একটি প্রগতিশীল সংগঠন। দেশের শিক্ষার মান উন্নয়ন, অসাম্প্রদায়িক নীতিমালার বিকাশ ও বঙ্গবন্ধু থেকে শুরু করে অবিসংবাদিত নেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শ বাস্তবায়নে সততার সঙ্গে, নির্যাতন বন্ধ করে, কল্যাণের তরে কাজ করে যেতে হবে। এ যাত্রাপথ বন্ধুর হলেও এককালে আমরা যারা শিবিরের বিরোধিতা করেছি, তাদের অত্যাচার ও মৃত্যু ভয় উপেক্ষা করে যখন ছাত্রলীগ করেছি, তখন কোন কিছুর বিনিময়ে করিনি। এখনও যখন প্রধানমন্ত্রীর কোন বক্তব্য শুনি, গভীর শ্রদ্ধায় আমাদের মন আপ্লুত হয়। যারা আমার মতো আওয়ামী লীগপ্রেমিক, তারা সবাই একইভাবে ভাবেন। মুষ্টিমেয় লোকের জন্য দলের বদনাম হতে পারে না।

দেশের অদম্য অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে   দুর্নীতি-ঘুষ, তা বন্ধ হওয়া উচিত। আজ উন্নয়নের রথচক্রে বাংলাদেশের অবস্থান সুউচ্চে। কিন্তু দুর্নীতি-ঘুষ বন্ধ করা কেবল সরকারের একার দায়িত্ব নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরও নয়, বরং সামাজিক প্রতিরোধ দরকার। শিক্ষক রাজনীতি- যারা ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহার করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার। অনেকে ভাল রেজাল্ট করার পরও চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন না। কিন্তু মামা-চাচার জোরে বেশ ভাল অবস্থানে আছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার। বর্তমান তরুণ প্রজন্ম নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়। এদিকে মাস্টার্স পাস করে বেসরকারী খাতে মাত্র পনেরো হাজার টাকা বেতন দিতে চায়। সেখানে কি সরকারের ন্যূনতম মজুরি দেয়ার কোন ব্যবস্থা থাকবে না। যেখানে একজন ড্রাইভারের বেতন ন্যূনতম পক্ষে ১৯,৫০০ টাকা মাসিক এবং দুটো ঈদ বোনাস, সেখানে শিক্ষিত ছাত্রছাত্রীদের স্বল্প বেতনে চাকরি দেয়া অত্যন্ত অন্যায্য। এদিকে ব্যাংকিং খাতের আমূল সংস্কার করা দরকার। শেয়ার বাজারকে নিয়ন্ত্রক সংস্থায় যারা গত আট বছর ধরে জবর দখল করে আছে তাদের হাত থেকে বাঁচাতে হবে। অন্যায়কারীরা অন্যায় করে পার পেয়ে যায়। এদিকে কিভাবে স্থায়ী ক্যাম্পাসে না গিয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বেসরকারীভাবে গুদাম ঘরে পরিচালিত হয়, স্কুপাস লিস্টের জার্নালে লেখা ছাপা না হলেও দলের কারণে প্রমোশন পায়, সম্মানে তৃতীয় শ্রেণী পাওয়ার পরও ডক্টরেট থাকলেও যখন শিক্ষকতা করার উপযুক্ত নয়, তাকে প্রফেসর করার জন্য নাচানাচি শুরু করে, তখন কিছু বলার থাকে না। দেশের অগ্রযাত্রায় প্রতিটি স্তরে দুর্নীতিরোধ করা বাঞ্ছনীয় হয়ে পড়েছে। পেরেটো অপটিমালিটি অর্জনে সরকারী-বেসরকারী খাতকে কাজ করতে হবে। নারীদের যে অগ্রযাত্রা তাকে সুসংহত এবং টেকসই করতে হবে। অন্যদিকে শিক্ষিত বেকারদের জন্য কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার পাশাপাশি উদ্যোক্তা শিক্ষার বিকাশ ঘটাতে হবে। এজন্য ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সে স্নাতক, পোস্ট গ্রাজুয়েট এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে উদ্যোক্তা অর্থনীতির প্রোগ্রাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনক্রমে চালু করা হয়েছে। এখন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সে অর্থনৈতিক ইনকিউবেটর স্থাপনে প্রথিতযশা কোম্পানিসমূহ সিএসআরএর আওতায় এগিয়ে আসতে হবে। এ ব্যাপারে ব্যাংকসমূহ কাজ করতে পারে। দেশের অগ্রযাত্রায় সত্যিকার শিক্ষকদের মূল্যায়ন করা দরকার। ভাল গবেষকদের সম্মানিত করা উচিত। কেবল মুষ্টিমেয় একটি-দুটি বিশ্ববিদ্যালয়, যা আবার সরকারী তার ওপর নির্ভর না করে বরং সামগ্রিক পটভূমিতে বিশ্লেষণ করা উচিত।

 লেখক : ম্যাক্রো ও ফিন্যান্সিয়াল ইকোনমিস্ট, শিক্ষাবিদ

Pipulbd@gmail.com

Entrepreneurial Economics programme of DScE:  A new education pathway

Count in the mid twenty first century

Muhammad Mahboob Ali

 

 

In the Asia, Dhaka School of Economics is showing a new education pathway by introducing Master of Economics (Entrepreneurship Economics), Post graduate Diploma in Enterprise Development and Bachelor of Economics (Entrepreneurial Economic).Bangladesh is trying to improve its quality of higher education. It is believed that  the Inductive method of Learning outcome is consistently more effective and efficient   as it works as a benchmark for assuring effectiveness and efficiency which can be better applied for study in economics programs. The Super goal is to lead to improved Employability.  As such the study will choose Dhaka School of Economics, constituent institute of University of Dhaka. In the study we refer to the question whether students of the school get benefited through Inductive Learning outcome and up dated course curricula design in Economics. The reason behind choosing the study program areas such is to ascertain why admitting into undergraduate on 4 years Bachelor of Entrepreneurial Economics, post graduate diploma on Enterprise development for 12 months  and Master degree programme on Entrepreneurship Economics for 18 months level students feel discouraged? The study wants to ascertain seven factors: Teachers Quality, Monotonous syllabus, Students desire to learn, Assessment procedure, research and extension, consultancy, Course designed in a complex fashion. Time period of the study is between March to May 2019. A questionnaire is prepared on the basis of which data will be collected and analyzed. The objectives or the outcome is to find out why admission seekers do not prefer to learn economic more these days in comparison to Business. For comparison purpose we choose Department of Economics, University of Chittagong and Institute of Business Administration, University of Dhaka.

A constituent institution under the University of Dhaka has offered a masters’ programme in entrepreneurship economics which started in the session 2017-18.The programme, offered by Dhaka School of Economics (DScE), aims at building candidates’ entrepreneurial skills,  Leading economist Dr Qazi Kholiquzzaman Ahmad will supervise the course with economist Prof Dr Muhammad Mahboob Ali, also an entrepreneurial specialist, in the coordination role. Master of Economics (Entrepreneurship Economics) programme of DScE has the following features:

In all, seventeen credit courses for non-dissertation group and sixteen credit courses for dissertation group as MEE 405 will be 8 credit hours, each course consists of 4 (Four) credit hours equally distributed between the four semesters expect will be taught in the Master of Economics (Entrepreneurship Economics). Vision of the Program: knowledgeable, entrepreneurial and collectively accountable citizens are the pathway to sustainable progress and comfort of the society.

Mission of the Program: To build up competencies, skill, attitude and ability of entrepreneurship and practical exposure through educational brilliance and within society accountable to accomplish entrepreneurship during the communication, completion and approval.

Super goals:

  • To productively start and possess entrepreneurial effort to make straight away subsequently after attaining their degree.
  • To actively contribute to create new values and dynamic growth of   entrepreneurial career from the first day of employment.
  • To become ambitious for development of specialized and systematic competencies.
  • To continue in dealing with achievement in sustainable way and collectively accountable for entrepreneurial movement.

Program learning outcome

On successful completion of the program students will be able to:

  1. Demonstrate an understanding of the economic traits and roles of an entrepreneur.
  2. Demonstrate the use of economics to analyze entrepreneurial markets and behaviors.
  3. Demonstrate an understanding of entrepreneurial financing and capital arrangements.
  4. Demonstrate an understanding of public policy and constraints on entrepreneurs.
  5. Analyze and present an analysis of entrepreneurial policy.

Mapping outcomes for enterprise education

Young person in the Bangladesh needs education to equip them with skills and changed attitudes to thrive in work and life

  • To encourage and prepare people for life through enterprise
  • To spread the concept of employability
  • To eliminate skills deficiency
  • To improve linkages between education and real life working situation
  • To raise self-awareness among job seekers
  • To arrange for Life mapping
  • To add value at Domestic, Regional and Global value chain

Graduate attributes

  • Recognize, describe and examine glitches and detect or generate progressions to resolve them in applied economics;
  • Workout precarious decision in generating innovative indulgent in the practical field;
  • Judgmentally weigh prevailing thoughtful and diagnose the requirement to recurrently encounter acquaintance with real world;
  • Detect and spread innovative designs, procedures and rational behavior;
  • Understand difficulties in unskilled settings;
  • Effort commendably through others, exploiting on their dissimilar selfless, knowledge and assistance;
  • Detect and appraise collective, ethnic, universal, moral and ecological tasks and matters;

Validate services in Entrepreneurial economics

 

Post  Graduate Diploma in Enterprise Development under Dhaka School of Economics  under University of Dhaka  is a new program for the first time in Bangladesh with a vision started during session 2016-17,. Dhaka School of Economics has come forward with great initiative to support young potential minds to become an entrepreneur. Young entrepreneurs who will cater to the need of the society will not depend on others for job. Admission in this program has been started from the present semester. After successful completion of this program, graduates will be able to transform themselves not only as self-employed but also work as creator of employment through becoming an entrepreneur. Not only students from Commerce and Humanities but also students from Science group can do well in the program.

This Program will provide the opportunity to gather knowledge and skills which will help students turn their ideas into successful entrepreneurial ventures. This program is designed to guide and walk students through the process of launching a venture in order that they can navigate their way to become entrepreneurs. Thus, this program is suitable for those who dream to launch a venture and become successful entrepreneurs. A group of country-known nationally & internationally well known entrepreneurs and leading academicians offer this course through blending of both theory and practical exposure. Moreover, global exposure has been designed with the help of foreign universities.

Post Graduate Diploma in Enterprise Development is the process of developing conceptual and practical skills and knowledge of entrepreneurs through various extensive training and classroom programs. The aim of entrepreneurship development is to increase the number of entrepreneurs. By doing this, the speed at which new businesses or ventures are made gets better. On a wider level, this makes room for employment and improves the economy of a business or country. Students will benefit immensely under the program: To identify and evaluate a new venture opportunities; To transform creative business ideas into innovative products and services; To Interpret market, customer and demand-supply relationship; To develop marketing plan, improve social networking skills and gain the ability to pitch an idea; To navigate the venture capital investment process; To start his / her own venture successfully ;To enhance and expand their social networks; To exchange knowledge and views; To develop his / her products; To manage Human Resources; To eliminate gender discrimination; To use  incubator for his / her new endeavor; will provide all sorts of opportunities to provide Incubator, Fund (if necessary) and Guidance to start your business while you are a student in Post Graduate Diploma in Enterprise Development.

This institute will be proud when students will transform themselves into businesspersons on their graduation. To develop our students as entrepreneurs we ensure their skills are Globally competitive. Considering the Global challenges and opportunities we involve a mandatory Educational Tour in a foreign country partnered with our networking university. We are confident, after completing this course; students will have improved scope and good networking to fit them in the global market. Our opportunities are to flourish our student with Globalization. Total numbers of courses are Eight which consist of 800 marks for one year. Courses includes: 1st Semester: Microeconomics, Macroeconomics ; Mathematical Economics; Introduction to Entrepreneurship; 2nd Semester: Entrepreneurship Development; Business Strategy for Enterprise Development; Basic Statistics and Research Methodology; Project Planning, Management & Evaluation.

The course curricula have been designed in such a manner that to get of practical exposure so that greater emphasis has been given on the project work in every year. Towards completion of course works for PGDED degree a student has following facilities: Method of Study: Theoretical Exposition and Practical Learning Opportunities; Instructions on Self-Employment Opportunities; Degree from University of Dhaka; Rich Collection of Books; Business Incubator; Industry Alliances  The purpose of designing the courses industry/business wise is to encourage the students to learn by analyzing the details of the different industrial/business sectors which may act as guide for them to choose the area of entrepreneurship they may plan to enter into. Definitely PGDED students will have immense potentialities. Developed nations have introduced this sort of program long ago. Now a day’s business is competitive. Each and every entrepreneur cannot be Bill Gates.Students gain knowledge to do business. This program gives ample opportunities for the same.

 

Bachelor of Economics (Entrepreneurial Economics) programme of Dhaka School of Economics (DScE) under University of Dhaka is a new programme for the first time in Bangladesh even in Asia, with a vision to create employability skill and job opportunities which has been started in the session 2019-20. DScE has come forward with great initiative to support young potential minds to become entrepreneurs.

Young entrepreneurs who will provide the need of the society will not depend on others for jobs. Admission in this program has been started from the session 2019-20.  DScE focuses on the application of theoretical, methodological and applied research-oriented approaches so that students can acquire in-depth knowledge and understanding of the subjects studied. As a result, the students can confidently apply the knowledge and experience gained in their respective fields to cope with the fast changing circumstances of a growing economy and an evolving society like Bangladesh. Special focus, thus, is given on applied economics, along with computer applications, besides endowing students with a strong theoretical understanding on the courses taught.

In addition to the formal class lecturers, the School also organizes regular seminars, extension lectures and open discussions on various issues of contemporary interests, including socio-economic, environmental and other multidisciplinary issues with strong involvement of students, scholars and faculty members. This helps the students/scholars to improve their knowledge and practical understanding on diverse economic and related issues through interaction with a large number of specialists and experts from home and abroad from various fields.

The programme will have the opportunity to gather knowledge and skills which will help them turn their ideas into becoming a successful entrepreneurs. This programme is designed to guide students so that they can walk through the process of launching a venture in order to become an entrepreneurs.

Thus, this program is suitable for those who dream to launch a venture and become successful entrepreneurs. A group of country-known entrepreneurs and leading academicians offer this course through blending of both theory and practical exposure. Moreover, global exposure has been designed with the help of foreign universities at the expense of the students own cost, if any one desire to do so.

Bachelor of Entrepreneurship Development programme is the process of developing conceptual and practical skills and knowledge of entrepreneurs through various extensive training and classroom programmes. The whole process of entrepreneurship development is to increase good number of entrepreneurs. By doing this, the speed at which new businesses or ventures are made gets better. On a wider level, this makes room for employment and improves the economy of a business or country.

To develop students as entrepreneurs we must ensure their skills are globally competitive. Considering the global challenges and opportunities we involve a mandatory Educational Tour in our local industries and Tiny, small and medium enterprises partnered with our different organizations. We are confident, after completing this course; students will get an improved scope and good networking to fit them in the global market. Our opportunities will help students to flourish due to Globalization.

Admission in this programme scheduled to be started from session 2019-20. After successful completion of this programme, graduates will be able to transform themselves not only as self-employed but also work to generate employment by becoming entrepreneurs. This programme is designed to guide students as a navigator so that they can walk through the process of launching a venture in order to become an entrepreneur. The unique feature of the programme is that the students coming from different academic discipline can do well as an entrepreneur. Thus, this programme is suitable for those who dream to launch a venture and become a successful entrepreneur. A group of country-known entrepreneurs and leading academicians offer this course through blending of both theory and practical exposure.

This is the process of developing conceptual and practical skills and knowledge of entrepreneurs through various extensive training and classroom programmes. The whole process of entrepreneurship development is to increase good number of entrepreneurs. By doing this, the speed at which new businesses or ventures are made gets better. On a wider level, this makes room for employment and improves the economy of a business or country.

Students will get lots of benefits under the programme. They will be able to identify and evaluate a new venture opportunities; transform creative business ideas into innovative products and services;  interpret market, customer and demand-supply relationship; develop marketing plan, improve social networking skills and gain the ability to pitch an idea; to navigate the venture capital investment process; to start his/her own venture successfully ;to enhance and expand their social networks; to exchange knowledge and views; to develop his/her products; to manage human resources; to eliminate gender discrimination etc.

People will be proud when students will make themselves a perfect businessperson before their graduation. To develop our students as entrepreneur we must ensure their skills about the Global competitiveness. Considering the Global challenges and opportunities we may involve an optional Educational Tour on Entrepreneurial Economics at home and abroad. Developed nations have introduced this sort of programme long ago. Now a day’s business is competitive. Entrepreneur must have knowledge to do the economic scenario, activities and environment. As such arrangement of fund from venture capital for the business aspirant of entrepreneurial economist students will be arranged.

The four years time period, eight semester programmes will carry a total of 160 credits. This specially designed programme comprises courses on core areas of economics, Entrepreneurial Economics, and quantitative techniques. In addition, a number of courses, which are multidisciplinary in nature but important to this discipline, are also included. For anyone to become a graduate in this discipline, a total of 160 credits must be completed.

It is expected that upon completion of this programme, a student will have acquired advanced theoretical and methodological knowledge and understanding on Entrepreneurial Economics with academic depth and professional skills, which will enable her/him to understand the nature of the environmental challenges, deal with them in an appropriate manner from both theoretical and practical points of view.

The Bachelor of Economics (BEcon) in Entrepreneurial Economics programme of Dhaka School of Economics has 8 semesters spanning over a period of 48 months (4 years); while semester duration is 6 months. This programme is a 160 credit based programme.

Evaluation and grading for all taught courses shall be determined as per the rules of Dhaka School of Economics (DScE) following the decision of the Faculty of Social science under the University of Dhaka.. These include: semester final examination;term papers and assignments; field trip, report and presentation; use of data center;case study;Industry visit;visit of Micro and social Entrepreneurship; preparing mob flash; innovative ideas/creativity poster competition.

Entrepreneurship education benefits students from all socioeconomic backgrounds because it teaches thinking outside the box and nurtures unconventional talents and skills. Furthermore, it creates opportunity, ensures social justice, instills confidence and stimulates the economy. Because entrepreneurship can, and should, promote economic opportunity, it can serve as an agent of social justice. Entrepreneurs are risk-takers and they are persistent — both vital traits for entrepreneurs. Because entrepreneurship fosters these kinds of character traits, it promises to benefit all students-not just those from low-income backgrounds.

Entrepreneurship embraces talents and skills that teachers in conventional classrooms might otherwise may not recognize (penalize). More reasons for entrepreneurship education are to include the likelihood that it will promote social and emotional well-being. Entrepreneurship might even correlate with happiness more than do other categories of economic and financial endeavors.

 

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38370075
Users Today : 1697
Users Yesterday : 2978
Views Today : 4684
Who's Online : 33
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/