বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
সাংবাদিক রোজিনার মুক্তির দাবিতে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন চাটখিলে টিসিবির ১৯৬ লিটার তেল জব্দ, ২০হাজার টাকা জরিমানা করোনায় আরো ৩০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১২৭২ ‘সাংবাদিক নির্যাতনে বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের ইমেজ প্রশ্নবিদ্ধ’ কবিতা…অভিমান -বিচিত্র কুমার রোজিনার বিষয়ে দুই মন্ত্রীর সঙ্গে প্রেসক্লাব নেতাদের বৈঠক ‘সরকারকে বাঁশ দেওয়ার জন্য গুটিকয়েক মন্ত্রী–সচিবই যথেষ্ট’ সম্পাদক পরিষদের বিবৃতি সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধের মানসিকতা থেকে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা বৃহস্পতিবার থেকে ৬৫ দিন সমুদ্রে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা সাংবাদিককে হেনস্তা: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি সাংবাদিক রোজিনাকে নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে বিএমএসএফ নওগাঁর মহাদেবপুরে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের উপর হামলার প্রতিবাদে ডিজিটাল প্রেসক্লাবের নিন্দা ধুপাজান চলতি নদীতে সদর থানা পুলিশের অভিযানে ৭টি নৌকা আটক প্রায় ৩লাখ টাকা জরিমানা নোয়াখালীতে সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নির্যাতন ও আটকের প্রতিবাদে মানববন্ধন বরিশালে গরমে তৃপ্তি মেটাতে পানি তালের চাহিদা বেড়েছে

নগরজুড়ে ভোগান্তিনগরজুড়ে ভোগান্তি

সিলেটে দিনভর বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েন নগরবাসী। তাছাড়া নগরীর বেশ কয়েকটি সড়কে ড্রেন ও সংস্কারের কাজ চলমান থাকায় দুর্ভোগ মাত্রা চরমে পৌঁছায়। এতে বিপাকে পড়েন কর্মজীবী নারী-পুরুষসহ স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই থেমে থেমে চলতে থাকে বৃষ্টি। কিন্তু বিকেল তিনটার পর হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত মুষলধারে ভারী বৃষ্টি হওয়ায় দেখা দেয় নগরজুড়ে তীব্র জলাবদ্ধতা। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে সিলেট আবহাওয়া অফিস।

এদিকে বৃষ্টিতে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে সড়কে লন্ডনী রোড থেকে মদিনা মার্কেট এলাকা একেবারে জলমগ্ন হয়ে পড়ে। এছাড়াও সিলেট নগরের দাড়িয়াপাড়া, জামতলা, চৌহাট্টা সিভিল সার্জনের অফিসের সামনে, জিন্দাবাজার, নয়াসড়ক, ছড়ারপাড়, পুরানলেন, শেখঘাট, ঘাসিটুলা, কলাপাড়া, ভাতালিয়া, উপশহরসহ আরও বেশ কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বৃষ্টির কারণে যানবাহন কম থাকায় সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েন। বৃষ্টিতে যানবাহন কম থাকায় পায়ে হেঁটেই অনেককে গন্তব্যে যেতে হয়েছে।

এদিকে নগরজুড়ে সিটি কর্পোরেশনের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে ভোগান্তি বাড়িয়ে দিয়েছে আরো কয়েকগুণ। তাছাড়া নির্মাণ সামগ্রী রাস্তার পাশে ফেলে রাখায় পথচারী ও যান চলাচলে সৃষ্টি হয়েছে প্রতিবন্ধকতা। বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে গতকাল মঙ্গলবার সকালে দেখা যায়, নগরীর প্রতিটি ব্যস্ততম সড়কে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে এসব উন্নয়ন কাজ। চলতি বছরের শুরুতে এসব নির্মাণকাজ শুরু হলেও শেষ হবে কবে কেউ জানে না।

তবে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বর্ষার আগেই কাজ শেষ হবে বলা হলেও এসব নির্মাণকাজ খুব সহসা শেষ হবার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আর এ কারণে দিন দিন জনভোগান্তি বেড়েই চলেছে। নগরীর পাঠানটুলা, মদিনা মার্কেট এলাকায় বৃষ্টির পানি জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়েছে।

southeast

স্থানীয় বাসিন্দা ছালিম মিয়া বলেন, মানুষ হাজার টাকা খরচ করে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত দেখতে যায় সিটি কর্পোরেশনের কল্যাণে আমরা সিলেট শহরেই তা দেখতে পাচ্ছি। চলাচলে একটু অসুবিধা হচ্ছে কিন্তু সে কথা বলে লাভ কি বড় কর্মকর্তারা কি আর সেটা বুঝবেন?

একই অবস্থা নগরীর প্রাণকেন্দ্র ও সিলেটের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা বন্দরবাজারে। বিদ্যুতের পাতাল লাইন নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় ব্যস্ততম এ সড়কটিতে যানজট লেগেই থাকে। তার সঙ্গে টানা বৃষ্টিতে কাদা মাখামাখি অবস্থা। এতে ব্যাহত হচ্ছে যান ও পথচারী চলাচল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জিন্দাবাজার থেকে বারুতখানা অভিমুখী রাস্তা প্রায় ৪ মাসেও শেষ হয়নি বক্স কালভার্ট নির্মাণকাজ। পুরাতন ড্রেন ভেঙে নতুন করে নির্মাণের নামে মাটি ও নির্মাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে রাস্তার ওপর। এতে রাস্তার প্রশস্ত কমে এসেছে অর্ধেকে। ফুটপাত ভাঙা আর রাস্তার পাশে প্রতিবন্ধকতা থাকায় রাস্তার মাঝখান দিয়েই হাঁটতে হয় পথচারীদের।

এছাড়া নগরের শিবগঞ্জ, মিরাবাজার, জেলরোড, জিন্দাবাজার, পূর্ব জিন্দাবাজার, পুরানলেন, বন্দরবাজার, সোবহানিঘাট, আম্বরখানাসহ প্রায় সবকটি রাস্তায় চলছে অপরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন কাজ।

এ ব্যাপারে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, এই সড়কে জলাবদ্ধতা ভোগান্তি দীর্ঘদিনের। এই সড়কের ড্রেন বড় করার জন্য ৬ মাস আগে কাজ ধরা হয়েছে। লন্ডনীরোডের মুখ থেকে মদিনা মার্কেট হয়ে ধোপাচড়া পর্যন্ত যাবে এই ড্রেন। আশা করছি এই ড্রেনের কাজ শেষ হলে এই সড়কে আর জলাবদ্ধতা হবে না।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ সাইদ আহমদ চৌধুরী বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজও সিলেটে কিছুটা বৃষ্টি হতে পারে। তবে কাল থেকে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

সিলেটে দিনভর বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েন নগরবাসী। তাছাড়া নগরীর বেশ কয়েকটি সড়কে ড্রেন ও সংস্কারের কাজ চলমান থাকায় দুর্ভোগ মাত্রা চরমে পৌঁছায়। এতে বিপাকে পড়েন কর্মজীবী নারী-পুরুষসহ স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই থেমে থেমে চলতে থাকে বৃষ্টি। কিন্তু বিকেল তিনটার পর হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত মুষলধারে ভারী বৃষ্টি হওয়ায় দেখা দেয় নগরজুড়ে তীব্র জলাবদ্ধতা। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে সিলেট আবহাওয়া অফিস।

এদিকে বৃষ্টিতে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে সড়কে লন্ডনী রোড থেকে মদিনা মার্কেট এলাকা একেবারে জলমগ্ন হয়ে পড়ে। এছাড়াও সিলেট নগরের দাড়িয়াপাড়া, জামতলা, চৌহাট্টা সিভিল সার্জনের অফিসের সামনে, জিন্দাবাজার, নয়াসড়ক, ছড়ারপাড়, পুরানলেন, শেখঘাট, ঘাসিটুলা, কলাপাড়া, ভাতালিয়া, উপশহরসহ আরও বেশ কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বৃষ্টির কারণে যানবাহন কম থাকায় সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েন। বৃষ্টিতে যানবাহন কম থাকায় পায়ে হেঁটেই অনেককে গন্তব্যে যেতে হয়েছে।

এদিকে নগরজুড়ে সিটি কর্পোরেশনের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে ভোগান্তি বাড়িয়ে দিয়েছে আরো কয়েকগুণ। তাছাড়া নির্মাণ সামগ্রী রাস্তার পাশে ফেলে রাখায় পথচারী ও যান চলাচলে সৃষ্টি হয়েছে প্রতিবন্ধকতা। বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে গতকাল মঙ্গলবার সকালে দেখা যায়, নগরীর প্রতিটি ব্যস্ততম সড়কে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে এসব উন্নয়ন কাজ। চলতি বছরের শুরুতে এসব নির্মাণকাজ শুরু হলেও শেষ হবে কবে কেউ জানে না।

তবে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বর্ষার আগেই কাজ শেষ হবে বলা হলেও এসব নির্মাণকাজ খুব সহসা শেষ হবার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আর এ কারণে দিন দিন জনভোগান্তি বেড়েই চলেছে। নগরীর পাঠানটুলা, মদিনা মার্কেট এলাকায় বৃষ্টির পানি জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়েছে।

southeast

স্থানীয় বাসিন্দা ছালিম মিয়া বলেন, মানুষ হাজার টাকা খরচ করে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত দেখতে যায় সিটি কর্পোরেশনের কল্যাণে আমরা সিলেট শহরেই তা দেখতে পাচ্ছি। চলাচলে একটু অসুবিধা হচ্ছে কিন্তু সে কথা বলে লাভ কি বড় কর্মকর্তারা কি আর সেটা বুঝবেন?

একই অবস্থা নগরীর প্রাণকেন্দ্র ও সিলেটের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা বন্দরবাজারে। বিদ্যুতের পাতাল লাইন নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় ব্যস্ততম এ সড়কটিতে যানজট লেগেই থাকে। তার সঙ্গে টানা বৃষ্টিতে কাদা মাখামাখি অবস্থা। এতে ব্যাহত হচ্ছে যান ও পথচারী চলাচল।

সরেজমিনে দেখা গেছে, জিন্দাবাজার থেকে বারুতখানা অভিমুখী রাস্তা প্রায় ৪ মাসেও শেষ হয়নি বক্স কালভার্ট নির্মাণকাজ। পুরাতন ড্রেন ভেঙে নতুন করে নির্মাণের নামে মাটি ও নির্মাণ সামগ্রী রাখা হয়েছে রাস্তার ওপর। এতে রাস্তার প্রশস্ত কমে এসেছে অর্ধেকে। ফুটপাত ভাঙা আর রাস্তার পাশে প্রতিবন্ধকতা থাকায় রাস্তার মাঝখান দিয়েই হাঁটতে হয় পথচারীদের।

এছাড়া নগরের শিবগঞ্জ, মিরাবাজার, জেলরোড, জিন্দাবাজার, পূর্ব জিন্দাবাজার, পুরানলেন, বন্দরবাজার, সোবহানিঘাট, আম্বরখানাসহ প্রায় সবকটি রাস্তায় চলছে অপরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন কাজ।

এ ব্যাপারে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, এই সড়কে জলাবদ্ধতা ভোগান্তি দীর্ঘদিনের। এই সড়কের ড্রেন বড় করার জন্য ৬ মাস আগে কাজ ধরা হয়েছে। লন্ডনীরোডের মুখ থেকে মদিনা মার্কেট হয়ে ধোপাচড়া পর্যন্ত যাবে এই ড্রেন। আশা করছি এই ড্রেনের কাজ শেষ হলে এই সড়কে আর জলাবদ্ধতা হবে না।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ সাইদ আহমদ চৌধুরী বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজও সিলেটে কিছুটা বৃষ্টি হতে পারে। তবে কাল থেকে বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone