বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০১:০৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
৭ কলেজের পরীক্ষা চলবে, আন্দোলন প্রত্যাহার আজ পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ ফেনীতে খাবার ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ আগুন মেয়েদের শরীরের ৭টি স্থান বড়ই ‘টার্ন অন’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত সেতুর অভাবে দুর্ভোগে মানুষ তানোরের বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বেতাগী উপজেলার ভূমি অফিস পরিদর্শনে বরিশালের ডিএলআরসি: কর্মকর্তা- ফুলবাড়ীতে ফেন্সিডিল-গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক মহিলার বাড়ি সাতক্ষীরা,বয়স ১৫ থেকে ২০ বছর বেনাপোলে ১৫৫ পিচ ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক যুক্তরাজ্যে আওয়ামীলীগ চেশিয়ার এন্ড নর্থওয়েলস এর আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালন। নীলার মুখটা এতটা মায়াবী লাগছিলো “বাবা, রশিদটা রাখুন। পথে লাগতে পারে” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের পরীক্ষা ১৭ মে পর্যন্ত স্থগিত

নড়াইলে মানবতা পুলিশ কর্তার আদর স্নেহে দুই ভাইয়ের পেটে জুটলো ভাত


উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি■ (১৫, নভেম্বর) ২৭৪ঃ নড়াইল জেলা পুলিশ ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার)’র নড়াইল জেলা পুলিশ ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করেতে। পুলিশ সুপার’র সঠিক নির্দেশনায় কাজ করে আসছে পুলিশ, জন্মের পর থেকেই অবহেলায় বেড়ে ওঠা শিশু নাইম হোসেন(১১) ও নাহিদ হোসেন(৬) এর ধার ধারেন না আপন বাবা মা। তাই আশ্রয় চাইলো পুলিশের কাছে। ঠাঁই পেলো পুলিশ কর্তার কাছে। সকালে কপালে দুমুঠো ভাত জোটেনি দু ভাইয়ের। দুপুরে পুলিশ কর্তার আদর স্নেহে দুই ভাইয়ের পেটে জুটলো ভাত। নাইম পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করার পরে বেকারীতে কাজ করে। নাহিদ দ্বিতীয় শ্রেণিতে উঠেছে মাত্র। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার আমাদা গ্রামের ইলিয়াস হোসেনের ছেলে ওই দুটি শিশু। ইলিয়াস হোসেন মিলি নামে একজনকে বিয়ে করে এখন ঢাকায় থাকেন। আর শিশুদের আপন মা মিনা বেগম ঢাকায় গার্মেন্সে চাকরি করেন। দাদী ফুলজান বেগমের কাছে বেড়ে ওঠে শিশু নাইম জানায়, আমার বয়স যখন ৬ বছর তখন আমার মা ঢাকায় চলে যায় এবং দুবছর পরে আবার ফিরে আসে। তখন নাহিদের জন্ম হয়। দুভাইকে রেখে বাবা-মা দুজনেই আবার চলে যায় ঢাকায়। এক বছর আগে মারা যায় দাদী। তাই ভাগ্য বিড়ম্বিত নাইম বেকারীতে পেটের দায়ে কাজ নেয়। এক মাস আগে সেখানে দুর্ঘটনায় আহত হয় নাইম। এখনো অসুস্থ। সামান্য ভুলে ছোট ভাই নাহিদকে হাতা(চামচ) দিয়ে আঘাত করে ফুপু রমেছা। ভয়ে নাহিদ পালিয়ে চলে আসে তার একমাত্র আশ্রয় বড় ভাই নাইমের কাছে। গত রাতে চাচা রবিউলের বাড়িতে বড় ভাইয়ের কাছেই ছিল নাইম। উপায়ন্তর না পেয়ে বুধবার(১৩ নভেম্বর) সকালে দুভাই এসেছিল থানায় আশ্রয় নিতে। থানায় পুলিশকে কিছু একটা বলবার জন্যে গেটের সামনে দিয়ে কেঁদে কেঁদে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। কিন্তু থানায় ঢোকার সাহস হয়নি। হঠাৎই শিশুর দুটি নজরে পড়ে লোহাগড়া থানার এসআই মিল্টন কুমার দেবদাস এর। পুলিশ কর্তা শিশুদের থানার ভেতরে নিয়ে ঘটনা শুনে ব্যাথিত হলেন। ওদের খাবার ব্যবস্থা করলেন। পুলিশ কর্তা চৌকিদারের মাধ্যমে শিশুর চাচা রফিকুল ও রবিউল কে ডেকে আনলেন। সবার সামনে পুলিশ কর্তা শিশুর মাকে ফোনে বিষয়টি জানালে শিশুদের মা জানালেন ”ওদের ধার ধারি না”। আর বাবা জানালেন বিষয়টি দেখার জন্য শিশুর চাচাদের। পরে পুলিশ কর্তা শিশুদের তাদের চাচাদের জিম্মায় দিয়ে দিলেন। চাচা রফিকুল ও রবিউল বললেন,আমরা দেখে রাখবো। শিশু নাইম পুলিশ কর্তাকে বলছিলেন, স্যার আমার একটাই চাওয়া ” আমার বাবা-মাকে এক করে দেন”। আমরা বাবা-মায়ের সাথে থাকবো। এসআই মিল্টন কুমার দেবদাস বলেন, লেখাপড়া ও ভরণপোষনের দায়িত্ব নেবার শর্তে চাচাদের জিম্মায় শিশু দুটিকে দিয়েছি। কোন সমস্যা হলে ওই শিশুদের আমার কাছে আসতে বলেছি। নড়াইলের লোহাগড়া থানার সামনে গেটে ঘটনা দুটি বাচ্চা কান্নাকাটি দেখে এস আই মিলটন থানায় যাওয়ার সময় খেয়াল করে দুইটি বাচ্চা থানার সামনে কেদে বেড়াচ্ছে। এস আই মিল্টন, আমি কাছে ডেকে নিয়ে থানায় আমার রুমে নিয়ে গিয়ে জানতে পারলাম সকাল থেকে ওরা কিছুই খায়নি। ওদের খাওয়ার ব্যবস্থা করলাম।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38321678
Users Today : 2228
Users Yesterday : 3479
Views Today : 5956
Who's Online : 40
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/