শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
মেয়ের খোঁজ নিতেন না তামিমা শাহবাগে লেখক মুশতাকের গায়েবানা জানাজা, জুতা মিছিল বনানীতে বিএনপির মশাল মিছিলে পুলিশের হামলার অভিযোগ অন্যের বিশ্বাসের প্রতি আঘাত করে লিখতেন মুশতাক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার চলবে ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ি ট্রেন আতিকের প্রতারণার তথ্য পেল পুলিশ! কৃষকনেতা বি এম সোলায়মান মাষ্টার এর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত গাবতলীর কাগইলে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত গাবতলীর কাগইল করুণা কান্ত স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্ট উদ্বোধন গাইবান্ধায় আটক ঘড়িয়ালটি যমুনা নদীতে অবমুক্ত সাঁথিয়ার একমাত্র মহিলা বীর মুক্তিযোদ্ধা ভানু নেছা আর নেই বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন এর সাধারণ সভা ও জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনা সরকার ক্ষতায় থাকলে অদুর ভবিষ্যতে দেশে অনুদান নেয়ার লোক থাকবেনা ……………………খাদ্য মন্ত্রী বরিশালে মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠছে অবৈধ স্থাপণা জেলে মুশতাকের মৃত্যুর দায় সরকারের : মোমিন মেহেদী

নড়াইলে সাজা প্রাপ্ত আসামী ও তামাক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের জেল

উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি■ ২৭৪: \ নড়াইল সদর থানার একাধিক মাদক মামলার পলাতক, জি আর ৫৩/১৭ মামলার দুই (২)বছরের সাজা প্রাপ্ত আসামি মোঃ সোহেল মোল্ল্যা (৩৫) পিতা মৃত হাবিবুর রহমান, নড়াইল পৌরসভা মহিষখোলা গ্রামের থেকে, নড়াইল জেলা ডিবি পুলিশের এসআই তাহিদুর রহমান, এএসআই দুরুনত আনিস, এএসআই নাহিদ, কং: বাবু নারায়ন, মফিজুর, শ্রী মোহন কুন্ডু, সরোয়ারসহ অভিযান চালিয়ে রুপগন্জ বাজার থেকে এ সময় তাকে গ্রেফতার করে নড়াইল সদর থানায় সর্পদ করে বুধবার ১১-১২ তারিখে। অপরদিকে, নড়াইলের কালিয়ায় তামাক (গাঁজা) সেবনের দায়ে জাকির হোসেন নামের এক যুবকের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাসের কারাদন্ড দিয়েছে। এদিকে নড়াইলে আইন-শৃনঁরঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাদক বিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে নড়াইলে আইন-শৃনঁরঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাদক বিরোধী সাঁড়াশি অভিযানে ইয়াবার সহ মাদকদ্রব্য দুষ্প্রাপ্য হওয়ায় মাদকসেবীরা আসক্ত হচ্ছে বিকল্প নেশায়। সর্বনাশা ইয়াবার বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানির ব্যাথানাশক ট্যাবলেট। মাদকসেবীরা ছুটছে ফার্মেসীগুলোতে। কম মূল্যে ও সহজে তারা পাচ্ছে নেশা জাতীয় দ্রব্য। অনেক ইয়াবার ও মাদকসেবী নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত মনে করে প্রকাশ্যে ভিড় জমাচ্ছে ফার্মেসীগুলোতে। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণির অসাধু ফার্মেসী মালিকরা চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ৫০, ৭৫ ও ১০০ মিলিগ্রামের ট্যাবলেটের পাতা দেদারছে বিক্রি করে ফায়দা লুটছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গরিবের ইয়াবা বলে খ্যাত টাপেন্টা, পেন্টাডল, সিনটা, লোপেন্টাসহ বিভিন্ন ট্যাবলেটের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে জেলার অধিকাংশ এলাকার কিশোর ও যুবকরা। এসব ট্যাবলেট হাতের নাগালে পাওয়ায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও এ নেশার বিষবাষ্পে বিষাক্ত হয়ে পড়ছে। কিছু ওষুধ কোম্পানি তাদের মার্কেট ধরে রাখতে কৌশলে ব্যথা নাশকের নামে নেশা জাতীয় ক্যাফেইন দিয়ে তৈরি ট্যাবলেট বাজারজাত করছে। এসব ওষুধ সেবন করলে ব্যথার পাশাপাশি ঘুম ও নেশার চাহিদা মেটায়। মার্কেটিং অফিসারদের মাধ্যমে গোপনে ওষুধের দোকানগুলোতে প্রচার-প্রচারনা চালানো হয়। তারপর দোকানের মালিক-কর্মচারী রাতারাতি ধনী হওয়ার স্বপ্নে অতি লাভের আশায় সরবরাহ করে। মাদক সেবনকারীদের মাঝে। যা দিনের পর দিন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এই সুবাধে ওষুধ কোম্পানিগুলো তাদের প্রোডাক্ট’র পাশাপাশি এসব নেশা জাতীয় ব্যথার ট্যাবলেট দোকানগুলোতে ব্যাপকভাবে বাজারজাত করে। প্রশাসনের তৎপরতায় ইয়াবার দাম বেড়ে যাওয়ায় স্বল্প দামের এসব ট্যাবলেট বর্তমানে মাদকসেবীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন কোম্পানি ভিন্ন ভিন্ন নামে এ জাতীয় ট্যাবলেট বাজারজাত করছে। দিনের চেয়ে রাতে এর চাহিদা বেড়ে যায়। তাই সন্ধ্যা হলেই ওষুধের দোকানগুলোতে মাদক সেবনকারীদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। আর এ সুযোগে এক শ্রেণির অসাধু ফার্মেসী মালিক কোন ঝুঁকি ছাড়াই মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক গরিবের ইয়াবা বলে খ্যাত মাদকসেবী বলেন, ‘আগের মতো সহজে মাদকদ্রব্য পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বিকল্প মাদকের দিকে ঝুঁকতে হচ্ছে।’ তারা বলেন, ‘একটি ইয়াবা ট্যাবলেট ১৫০-৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেতো এখন এর দাম হাকানো হচ্ছে ৫০০-১০০০ টাকা পর্যন্ত। এক পুরিয়া গাঁজার দাম অভিযানের আগে ছিল ৫০-টাকা। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০০ টাকা। ফেন্সিডিল ১২০০-১৫০০-টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের কারণে এসব মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করতে নিরাপদ মনে করছে না মাদকসেবী ও বিক্রেতারা। তাই অধিকাংশ মাদকসেবী বিকল্প নেশার দিকে ঝুঁকছেন।’অনুসন্ধানে জানা যায়, জেলার ওষুধের দোকানে ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওইসব ট্যাবলেট দেদারছে বিক্রি হচ্ছে। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া বিক্রি করা সম্পূর্ণ অবৈধ। কিন্তু অতি মুনাফার আশায় তা বিক্রি করা হচ্ছে। বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদেরও ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন কোন ফার্মেসির মালিকের কাছে এসব ওষুধ বিক্রি করা নিষেধ। কিন্তু বিক্রয় প্রতিনিধিরা সরকারের নীতিমালা তোয়াক্কা না করে নাম সর্বস্ব ফার্মেসিগুলোতে বিক্রি করছে। অপরদিকে, বাজারে কাঁশের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত সিরাপের পর্যাপ্ত চাহিদা লক্ষ্য করা গেছে। এতে কিছু কিছু কোম্পানির সিরাপে অ্যালকোহলের পরিমান বেশি থাকে। মাদকসেবীরা ফেন্সিডিলের পরিবর্তে ফার্মেসি থেকে মাদকদ্রব্য তৈরির প্রধান উপকরণ হিসেবে কাঁশের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত সিরাপ সংগ্রহ করেন। এসব সিরাপ ফার্মেসির মালিকেরা প্যাকেটের গায়ে লেখা মূল্যের দ্বিগুণ দামে বিক্রি করে আসছে। মাদকসেবীরা ঘুমের ওষুধের সাথে কাঁশের সিরাপসহ বিভিন্ন উপকরণ মিশিয়ে তৈরি করছে এক ধরনের মাদক। স্থানীয়ভাবে যার নাম দেয়া হয়েছে, পিনিক-গরম-আগুন-সুপার-সহ আরো কত নাম। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ফার্মেসী মালিক বলেন, ‘ইদানিং জেলা-উপজেলায় মাদকসেবীদের কাছে ব্যথানাশক ট্যাবলেট ব্যাপক জনপ্রিয়। মাদকসেবীদের শতকরা ৮০-৯০ ভাগই এখন ব্যথা নাশক ট্যাবলেটে আসক্ত। বেশী চাহিদার কারণে এসব ট্যাবলেটের খুচরা মূল্য ৩০-৩৫ টাকা হলেও প্রতি পিস ৭৫-১০০ টাকা দামে বাজারে বিক্রি হচ্ছে।’ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, এসব ট্যাবলেট মাদক হিসেবে সেবন করা শরীরের জন্যে মারাত্বক ক্ষতিকর। মাদক সেবনে শরীরে যে পাশর্^-প্রতিক্রিয়া হয় এগুলো সেবনে সে রকমই পাশর্^-প্রতিক্রিয়া শরীরে সৃষ্টি করে। নিয়মিত এসব ব্যথানাশক ওষুধ সিগারেট বা আংপাতে পুড়িয়ে ব্যবহার করে ধোয়া টানলে মস্তিষ্কে সমস্যা, কিডনির সমস্যা, মাইগ্রেন, হাড়ক্ষয়, হাইপারটেনশনসহ বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন,‘ব্যবস্থাপত্র ছাড়া যেন বিক্রি না করতে পারে সেজন্য ওষুধ ব্যবসায়ীদের সর্তক করা হয়েছে। ব্যবস্থাপত্র ছাড়া যদি কেউ এসব ট্যাবলেট বিক্রি করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38330237
Users Today : 340
Users Yesterday : 6494
Views Today : 626
Who's Online : 54
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/