ইন্টারনেটে পর্ন ভিডিও দেখায় সৌদি হিজাবী নারীরা আবারো তাদের শীর্ষস্থান ধরে রাখলো। এই নিয়ে পর পর পাঁচবার পর্ন ভিডিও স্ট্রিমিং শীর্ষস্থান ধরে আছে সৌদিআরব।
সারা বিশ্ব পর্ণগ্রাফির বিরাট বাজার আর সেই বাজারের সৌদিআরবের ‘কনজিউমারের’ সংখ্যা বিশাল। বিভিন্ন বয়সের দর্শক কিন্তু সৌদিতে কারা বেশী পর্ণ দেখে ছেলেরা না মেয়েরা? সাম্প্রতিক সমীক্ষা থেকে পর্ণগ্রাফি সম্পর্কে উঠে এসেছে অদ্ভুত সব তথ্য। আসুন দেখে নেওয়া যাক-
১) গত বছরের তুলনায় এই বছরে সৌদিতে ১২ শতাংশ বেশি হারে পর্ণ দেখছেন। গতবছর সৌদিতে পর্ণগ্রাফির মহিলা দর্শক ছিল ৪২ শতাংশ। এইবছর তা বেড়ে এই বছর ৫৪ শতাংশ হয়েছে।
২) ঈদ,শবে বরাত,শবে কদর দিবসের সময় সৌদিতে পর্ণগ্রাফির দর্শক সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যায়।
৩) সৌদিতে পর্ণ সাইটগুলোতে গিয়ে সবথেকে বেশি সার্চ করে ‘মোহাম্মদ’ শব্দটি দিয়ে। আর তারপরেই সব থেকে বেশি খোঁজে ‘পাকিস্থান’ আর ‘ইন্দোনেশিয়া’।
৪) সৌদিতে সব থেকে বেশী পর্ণ দেখা হয় উইক ডে-তে সকাল ৬টা থেকে ৭টা আর রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে।
৫) অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, সৌদিতে সব থেকে বেশী পর্ণ দেখেন রোজার মাসে এবং ঈদে। ধারনা করা হয় রোজার মাসে সবচেয়ে বেশি অবসর সময় কাটায়। এইকারনে রোজার মাসে তারা বেশি পর্ণ দেখে।
৬) সৌদিতে মহিলাদের পর পর্ণ ভিডিও দেখায় শীর্ষে আছে হুজুর আলেমসমাজ। অনেকের ধারণা মোহাম্মদের যৌনজীবন বহুবিবাহ গল্প কোরানে পড়েই মূলত তারা পর্ণ ভিডিও দেখার প্রতি আগ্রহ দেখায়।
গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা সৌদিতে শতাধিক বিবাহিত নারী-পুরুষের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। তারা দেখেন, বিয়ের আগে ও পরে কিভাবে যৌনতার প্রতি নারী-পুরুষের আগ্রহ বদলায়। দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারী নারীদের ১৬ শতাংশ বিয়ের আগে পর্ন সিনমো দেখতেন কিন্তু বিয়ের পর তাদের ৩৫ শতাংশের পর্ন দেখার অভ্যাস গড়ে ওঠে। এর অন্যতম কারন বিয়ের পর তারা অনেক অবসর সময় কাটায়। বেশিরভাগ নারীদের মতামত তাদের নবীর বহুবিবাহ গল্প পড়েই তাদের পর্ণ দেখায় আগ্রহ সৃষ্টি করে।
সেক্স ভিডিও দেখা
আর পুরুষদের ১৮ শতাংশ বিয়ের আগে পর্ন দেখতেন। অথচ বিয়ের পর এ সংখ্যা ১১ শতাংশে নেমে আসে। সেক্সোলজিস জার্নালে প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের পর পর্ন সিনেমা দেখার প্রবণতা নারীদের মধ্যে বৃদ্ধি পায়। আর পুরুষদের মধ্যে কমে আসে। আবার পর্ন দেখার বিষয়টি যৌন আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ ঘটায়।
অর্থাৎ, বিয়ের পর নারীরা যৌনজীবনে আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং সন্তানধারণের প্রস্তুতি নেন কিন্তু ছেলেরা সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠার দিকে নজর দেন। আরেক দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, বিয়ের পর নারীদের আর পর্ন দেখার ক্ষেত্রে মানসিক ও নৈতিক বাধা থাকে না। এ সময় অন্যদের কাছে ধরা পড়ার ভয় থাকে না।
কিন্তু বিয়ের আগে ছেলের এ ধরনের সমস্যা থাকে না। কিন্তু বিয়ের আগে মেয়েদের ক্ষেত্রে তা বেশ লজ্জাজনক হয়ে ওঠে। আবার এভাবে চিন্তা করা হয়েছে যে, পর্ন সিনেমা দেখার এ-প্রবণতা বিয়ের ওপর নির্ভর করে নয়, বরং বয়সের পরিবর্তনে দেখা দেয়।
বিয়ের পর নারী-পুরুষের যৌন চাহিদার বিষয়টিও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। দেখা গেছে, ১৩ শতাংশ পুরুষ ও ১২ শতাংশ নারী স্বাভাবিক উপায়ের যৌনকর্মকেই বেছে নেন। এ ছাড়া ৫ দশমিক ৯ শতাংশ পুরুষ ও ৬ দশমিক ৯ শতাংশ নারী যৌনতৃপ্তি পেতে কল্পনার আশ্রয় নেন।
অনেকেই ভাবেন মহিলারা পর্নোগ্রাফি দেখেন না। ঠোঁটে ঠোঁট, একটু ঘনিষ্ঠ দৃশ্য– খুব বেশি হলে অ্যাডাল্ট সিনেমা। দৌড় ওই পর্যন্তই। এই ধারণা যদি আপনারও থাকে, তাহলে আপনি ভুলের রাজ্যে আছেন।
সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষার রিপোর্ট যা বলছে, তা চমকানোর মতোই। বিশ্বের সবচেয়ে নামী পর্ন সাইটের মধ্যে অন্যতম একটি সাইটের সমীক্ষা রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, রীতিমতো হার্ড কোর পর্ন সার্চ করেন সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মহিলা। প্রথম অবস্থানে সৌদিআরব দ্বিতীয় অবস্থানে পাকিস্তান আর তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ।
মহিলাদের সার্চ টার্মে এক নম্বরে রয়েছে, ‘world’s biggest c**k’। ২০১৮ সালে মহিলাদের পর্ন সার্চে ৫৬৬ শতাংশই এই শব্দবন্ধগুলি। অন্যান্য সার্চ টার্মের মধ্যে রয়েছে ‘romantic sex’ মাত্র ২৪২ শতাংশ।
মহিলাদের পর্ন সার্চ টার্মের মধ্যে রয়েছে, পুরুষ নিম্নাঙ্গে সুখ দিচ্ছে বা সেক্সের আরামে চরম শীত্‍‌কার। শুধু তাই নয়, প্রেগেন্যান্সি পর্ন বা গর্ভবতী মহিলার মিলনের মতো সার্চ টার্মও রয়েছে তালিকায়। ৩৭ শতাংশ মহিলা সার্চ করেছেন গে সেক্স ভিডিও, যা তাত্‍‌পর্যপূর্ণ। তবে মুসলিম দেশগুলো পর্ণ দেখার শীর্ষদেশ হিসেবে থাকাটা আমাদের মুসলিম সমাজের জন্য লজ্জাজনক।