বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:১৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
যে পাঁচ কারণে সেক্স পাওয়ার কমে!! স্ত্রী_সহবাসের_সুন্নাত_নিয়ম? ,,,,,,,,, কক্সবাজারের এসপিকে ‘বর বেশে’ বিদায় ৫ টি চোরাই মোটরসাইকেল সহ দুই জনকে আটক করেছে নাটোর পুলিশ ডোমারে হামলার শিকার ইউপি সদস্য। আটক ৩  জাহাজঘাটা শেখ রাসেল স্মৃতি সংঘ ও মারকাজুল কুরান এতিমখানার পক্ষ থেকে এ্যাড জহুরুল হায়দারকে শুভেচ্ছা উলিপুরে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগে আওয়ামীলীগ নেতাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিলো জনতা একটা সিজার মানে বাচ্চা জন্মের পর থেকে একটা মায়ের মৃত্যুর আগ পযর্ন্ত প্রতিবন্ধি হয়ে বেঁচে থাকা। ফেসবুকে এসে যা বললেন ধর্ষণে অভিযুক্ত মামুন রেস্টুরেন্টে বারের ব্যবসা, মদ-বিয়ার জব্দ বিএসইসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বিএপিএলসি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ দুই কোম্পানির ৬০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন হতাহতদের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিয়ের ‘গণজোয়ার’ ঠেকিয়ে রাখতে পারেনি করোনাভাইরাস মোবাশ্বের আলীর-সাহিত্য চেতনা

পল্লবীর ‘আইএস’ বোমা, মালয়েশিয়ার শ্রমিক আর করোনার ঈদ নিয়ে প্রশ্ন

পাঠকদের যারা ঈদ উল-আযহা উদযাপন করছেন তাঁদের সবাইকে আমাদের শুভেচ্ছা। আশা করি এই দু:সময়ে সবাই স্বাস্থ্য বিধি মেনে ঈদ পালন করেছেন।

এই সপ্তাহে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন খবর আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিল ঢাকার পল্লবীতে পুলিশ থানায় বোমা বিস্ফোরণ এবং তার জন্য ইসলামিক স্টেট-এর কৃতিত্ব দাবি, যদিও পুলিশ আইএস-এর দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

পল্লবী থানার বোমা নিয়েই আজ শুরু করছি, লিখেছেন খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরদার:

”আমরা ঠিক জানি না পুলিশের বক্তব্য সঠিক নাকি আইএস এর দেওয়া স্বীকারোক্তি সঠিক। পুলিশের বক্তব্য সঠিক বলে ধরে নেওয়া হলে, সেখানে পুলিশের দায়িত্বহীনতার পরিচয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিস্ফোরক উদ্ধারের পর সেটি ডিসপোজ না করে এভাবে থানার মধ্যে রেখে দেওয়াটা মোটেই যৌক্তিক হয়নি। আমার মনে হয়, আইএস এর স্বীকারোক্তিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিৎ হবে না বরং সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সতর্ক রাখাই যৌক্তিক হবে। এবং এর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বোমা বিস্ফোরণের বিষয়টিকে ভালো ভাবে খতিয়ে দেখাও খুব জরুরি।”

ঘটনাটি আসলেই চিন্তার বিষয়। সন্দেহভাজন অপরাধীর কাছ থেকে বোমা বা বিস্ফোরক উদ্ধারের পর তো সেটা নিশ্চয়ই বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞদের কাছে তুলে দেয়া উচিত। থানার ভেতরে এমন ভাবে ফেলে রাখা হয়েছিল যে বিস্ফোরণ শুধু ঘটেই নাই, পাঁচজন আহতও হয়েছে। আই এস সম্ভবত এই ঘটনার সাথে জড়িত না, কিন্তু এখানে বিভাগীয় তদন্ত যে জরুরি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালা লামপুর।

ছবির ক্যাপশান, মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি একজন শ্রমিককে আটক করার ঘটনাও অনেক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেটা নিয়ে মন্তব্য করে লিখেছেন বগুড়ার শেরপুর থেকে সম্পদ কুমার পোদ্দার বলরাম:

”সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় এক বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করা হলো। তাঁকে রিমান্ডে নেয়া হলো। তাঁর অপরাধ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরাতে একটি সাক্ষাৎকার দেওয়া। নিশ্চয় এটা কোনো অপরাধ নয়। আর এই সাক্ষাৎকার তিনি ছাড়াও অন্যান্য অনেক দেশের নাগরিকরাও দিয়েছে। বিচার করতে হলে তাদেরকেও করতে হবে। কারণ আইন সবার জন্য সমান। শুধু শুধু বাংলাদেশি নাগরিক কেন অহেতুক বিচারের সম্মুখীন হবে। কেন তাঁকে নাজেহাল হতে হবে? নাকি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি এর অন্যতম প্রধান কারণ?”

এটা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির কারণে হয়েছে বলে আমার মনে হয় না মি. পোদ্দার। আমরা অতীতে দেখেছি, মালয়েশিয়ার আইন লঙ্ঘন করলে যে কোন বিদেশীর কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে, সে যত শক্তিশালী দেশের নাগরিকই হোক না কেন। এই বাংলাদেশি নাগরিক যদি মালয়েশিয়ার সুনির্দিষ্ট আইন লঙ্ঘন করে থাকে তাহলে তাকে সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশ সরকার হয়তো কূটনীতির মাধ্যমে তার সাজাটা লাঘব করতে পারে। তবে বাংলাদেশ চায় না যে, মালয়েশিয়ার বড় শ্রম বাজার হাত ছাড়া হোক।

কোরবানি ঈদের ছুটিতে এভাবেই ঢাকা থেকে বাড়ি যাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ, ২৭/০৭-২০২০

ছবির ক্যাপশান, কোরবানি ঈদের ছুটিতে এভাবেই ঢাকা থেকে বাড়ি যাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ

ঈদের আগে বাড়ি যাবার প্রবণতা করোনাভাইরাসের কারণেও কমছে না, যা নিয়ে অনেকেরই দুশ্চিন্তা রয়েছে। যেমন লিখেছেন ঝিনাইদহ থেকে কাজী সাঈদ:

”এটা সত্যি যে বাংলাদেশে যে হারে করোনা আক্রান্ত হওয়ার কথা ছিল, সে হারে এখনো দেখা যায়নি। কিন্তু এবার ঈদে যেভাবে মানুষ কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাচ্ছে, বিশেষ করে ঢাকা থেকে অন্যান্য জেলায় যাওয়ার চিত্র তো রীতিমত শিউরে ওঠার মত। প্রায় প্রত্যেকটা যানবাহনে গাদাগাদি করে বেশীরভাগ মানুষই মাস্ক ব্যাবহার ছাড়াই চলাচল করছে। এটা যে ঈদ পরবর্তী একটা বড় ধাক্কা দিতে পারে, সেটা অনুমান করাই যায়।”

যারা গাদাগাদি করে যাচ্ছেন, তাদের মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণ হতে পারে, সেটা ঠিক। কিন্তু তার চেয়ে বড় দুশ্চিন্তার বিষয় হলো, ঢাকা বা নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরের মত ‘হট স্পট’ এলাকা থেকে যারা গ্রামে যাচ্ছেন, তারা তাদের আত্মীয়-স্বজন এবং গ্রামের প্রতিবেশীদের মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে দিতে পারেন। ভাইরাস আক্রান্ত এলাকা থেকে তুলনামূলক ভাবে কম আক্রান্ত এলাকায় যাওয়া স্রেফ কাণ্ডজ্ঞানহীন একটি কাজ। তারা নিজেদের বিপদগ্রস্ত করছেন, এবং তাদের আত্মীয়-স্বজনদেরও বিপদের মুখে ফেলছেন।

বাড়ি যাবার লক্ষ্যে ঢাকায় বাসের জন্য অপেক্ষা করছে এক পরিবার, ৩১-০৭-২০২০।

ছবির ক্যাপশান, বাড়ি যাবার লক্ষ্যে ঢাকায় বাসের জন্য অপেক্ষা করছে এক পরিবার।

এই পরিস্থিতিতে পরিবহন কোম্পানিগুলো মুনাফা লাভের চেষ্টা করছে, এমন অভিযোগ করে লিখেছেন ঢাকা থেকে তৌসিফ মাইমুন:

”করোনাভাইরাসে দূর পাল্লার বাসে ২ সিটে ১ জন করে বসার নিয়ম এবং ৬০ শতাংশ বেশি ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু এবারের কোরবানির ঈদে বাসগুলি ৬০ শতাংশ বেশি ভাড়া নিয়েও, আগের নিয়মে পাশাপাশি ২ জন করেই যাত্রী বহন করছে। বিষয়টি নিয়ে আপনারাই প্রতিবেদন করার মাধ্যমে নতুন দুর্ঘটনা থেকে দেশকে রক্ষা করতে পারবেন বলে সাধারণ জনগণের বিশ্বাস রয়েছে। আশা করছি এবারের ঈদে যাত্রী হয়রানি এবং করোনার ভয়াল থাবা থেকে দেশকে বাঁচাতে আপনারা ভূমিকা রাখবেন।”

এখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারেন সাধারণ জনগণই। আগের চিঠির জবাবে যেটা বলছিলাম, ভাইরাস আক্রান্ত এলাকা থেকে বাইরে না যাওয়াই সবার জন্য মঙ্গল। বাস ভাড়া কত হল, প্রতি সিটে কয়জন বসলো, সেটা মুখ্য বিষয় না। ঢাকার মত বড় শহরগুলো থেকে মানুষ যদি দলে দলে ভ্রমণ না করে, তাহলেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে। অর্থাৎ, আপনার নিরাপত্তার চাবি-কাঠি আপনার হাতেই আছে। একটি ঈদ না হয় শহরেই থাকলেন, আরও তো ঈদ আসবে।

ঢাকার একুশে বই মেলায় দু'জন শিশু বই দেখছে, ২১-০২-২০২০।

ছবির ক্যাপশান, স্কুল পড়ুয়া ছেলে-মেয়েদের পড়া-শোনার ভবিষ্যৎ’ নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে।

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর করোনাভাইরাস মহামারির প্রভাব নিয়ে লিখেছেন রাজবাড়ী সদর থেকে শাওন হোসাইন:

”করোনা মহামারিতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা চরম সংকটের মুখে পড়েছে। পারিবারিক অভাব অনটনের ফলে গ্রাম অঞ্চলের অনেক শিক্ষার্থীর পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যেতে পারে এমন একটি প্রতিবেদন বিবিসি বাংলা’র ফেসবুক পাতায় প্রকাশ হয়েছে। যেটা সত্যি খুবই দুঃখজনক। শহর অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইনে পাঠদান কার্যক্রম চালু করছে। কিন্তু ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে অনলাইন কার্যক্রমে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীর মাত্র ১৬ শতাংশ অনলাইন ক্লাসের প্রতি মনোযোগী। অনেক শিক্ষার্থীর অভিযোগ ইন্টারনেটের দাম বেশি হওয়ার কারণে ইচ্ছা থাকলেও ঠিকমত ক্লাস করতে পারছে না।

”এদিকে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু হবে কিনা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। সুতরাং চলমান এই পরিস্থিতিতে পড়ালেখায় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা ও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দায়িত্বশীলদের চিন্তাভাবনা করাটা খুব জরুরি বলে মনে করি।”

আমার মনে হয় করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বা একটি ভ্যাকসিন বাজারে না আসা পর্যন্ত অনেক দেশের সরকারই স্কুল-কলেজ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। বাংলাদেশ সরকারও সেরকম আভাস দিয়েছে। তবে বাংলাদেশের বেশির ভাগ স্কুল ছাত্র যেহেতু অনলাইনে ক্লাস গ্রহণ করতে পারবে না বিভিন্ন কারণে, তাই দেশের সরকারকে অভিনব রাস্তা খুঁজে বের করতে হবে। কাজটা সহজ হবে না।

পরের চিঠি লিখেছেন মোহাম্মদ ফেরদাউস আলম, তবে তিনি তার ঠিকানা দেন নি:

”আমি বিবিসি বাংলার একজন নিয়মিত পাঠক এবং মাঝে মাঝে বিবিসি বাংলার কিছু খবর ফেসবুকে শেয়ার করে থাকি। গতকাল একটি খবর শেয়ার করতে গিয়ে দেখি সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর শেয়ার করার সমস্ত সুযোগ বন্ধ। এটা কি বাংলাদেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন থেকে বাঁচানোর জন্য করা হয়েছে? বিবিসি বাংলায় প্রকাশিত খবর কি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারিং স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়েছে? পুনরায় কি চালু করা হবে?”

আপনি হয়তো খেয়াল করেছেন মি. আলম যে আমাদের পাতায় কিছু পরিবর্তন এসেছে। যেমন আগে একটি সার্চ অপশন ছিল যেটা আর নেই। শেয়ার বাটনটিও আর নেই। তবে এর মানে এই না যে, পাঠক আমাদের প্রতিবেদন শেয়ার করতে পারবেন না। আপনি পাতার মাথায় যে ইউ আর এল থাকে, সেটা কপি করে আপনার ফেসবুক, টুইটার, ওয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদিতে পেস্ট করতে পারেন। অর্থাৎ আমাদের পাতার লিঙ্কটা আপনি সহজেই শেয়ার করতে পারছেন।

ছোট একটি অভিযোগ করে লিখেছেন পটুয়াখালীর মৌকরন থেকে শাহিন তালুকদার:

”বিবিসি বাংলা সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কম বলে। করোনার খবর শুনতে শুনতে আর ভাল লাগে না।”

আপনার অভিযোগটা একদম ফেলে দেয়ার মত না মি. তালুকদার। যদিও ফেব্রুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বে সমসাময়িক বলতে মূলত একটি বিষয়ই ছিল এবং তা হচ্ছে করোনাভাইরাস মহামারি, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে অনেকেই অন্যান্য বিষয়েও জানতে চাইছেন। আমরাও ধীরে ধীরে অন্যান্য বিষয়ের দিকেও আমাদের দৃষ্টি দিবো, তবে এটা ভুললে চলবে না, করোনাভাইরাস আরো বেশ কিছু দিন বিশ্বের সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে থাকবে এবং সেজন্য আমরাও মহামারি সংক্রান্ত খবরাখবরকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করবো।

বাংলাদেশের কিছু কিছু মিডিয়া নিয়ে অত্যন্ত বিরক্ত হয়েছেন মাকামে মাহমুদ চৌধুরী, যিনি লিখেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে:

”বাংলাদেশের বেসরকারি কিছু চ্যানেল এবং সংবাদ মাধ্যমের ওয়েব পেইজ এর বিভ্রান্তিমূলক শিরোনামগুলোর প্রেক্ষিতে বিবিসি বাংলার মতামত কী হতে পারে? আমার তো মনে হয় তারা জনগণকে তাদের ওয়েব পেইজে গিয়ে পুরো খবরটি পড়তে বাধ্য করার জন্যই এমন বিভ্রান্তিমূলক শিরোনাম দিয়ে থাকে। আর মহামারি পরিস্থিতিতে তাদের এমন বিদঘুটে শিরোনাম আরো বাড়ছে।

এই যেমন ধরুন, এক খবরের শিরোনাম দিল, সেপ্টেম্বরেই আসছে করোনা ভ্যাকসিন, তার কিছুক্ষণ পরে আবার বললো আরো দ্বিগুণ শক্তিশালী হয়ে উঠছে করোনা ভাইরাস। আচ্ছা বলুন তো, কোনটিকে মানুষ বিশ্বাস করবে এবং কোন খবরটি সঠিক।”

আপনি যে দুটো উদাহরণ দিয়েছেন মি. চৌধুরী, তার দুটোই সঠিক হতে পারে। যে কোন ভাইরাস ক্রমাগত পরিবর্তন হতে থাকে এবং দ্বিগুণ শক্তিশালী হতে পারে। একই সাথে, সফল গবেষণার ফলে ভ্যাকসিন তৈরির কাজও দ্রুত আগাতে পারে। তবে, আগে পত্রিকা বিক্রির জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করা হতো, গুরুত্বপূর্ণ না কিন্তু মুখরোচক, এমন গল্প দিয়ে পত্রিকা ভরা হতো। এই যুগেও একই ধরনের কাজ-কর্ম হচ্ছে। আগে পত্রিকা বিক্রির হিসাব ছিল, এখন হিসাব হয় ক্লিক-এর সংখ্যা দিয়ে। সেজন্য, যেসব অনলাইন প্রকাশনা শুধু মাত্র ক্লিক পাওয়ার জন্য গল্প ফাঁদে বা উত্তেজক শিরোনাম করে, তাদের ‘ক্লিক বেইট’ বলা হয়। তারা কখনো বিশ্বাসযোগ্য মাধ্যম হিসেবে আস্থা অর্জন করে না। তবে ক্লিক-এর সাথে বিজ্ঞাপনের সম্পর্ক আছে।

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক, ২৮-০৭-২০২০।

ছবির ক্যাপশান, মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক

সব শেষে, মালয়েশিয়ায় একটি মামলা নিয়ে মন্তব্য করে লিখেছেন ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

”আটাশ-এ জুলাই বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পাতায় “মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত” শীর্ষক প্রতিবেদনটি পড়লাম। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে সাতটি ‘মিলিয়ন ডলার’ দুর্নীতির মামলা রয়েছে এবং এগুলো আদালত কর্তৃক প্রমাণিত হয়েছে। এ মামলাটিকে আইনের শাসন এবং দুর্নীতি-বিরোধী প্রতিশ্রুতি বিষয়ে মালয়েশিয়ার অবস্থানের এক ধরণের পরীক্ষা মনে করা হয়।”

ঘটনা দেখে সেটাই মনে হবে মি. রহমান, যে এই মামলার মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় আইনের শাসনের দৃষ্টান্ত রাখা হলো। তবে এটাও ঠিক যে, নাজিব রাজাক-এর প্রতিপক্ষ এখন ক্ষমতায়।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, জামালপুর।

মাহামুদুল হাসান, রাজবাড়ী সরকারি কলেজ।

আজিজুর রহমান, সোনাইমুড়ী, নোয়াখালী

বিকাশ দাস, শিবগঞ্জ।

মোহাম্মদ শিমুল বিল্লাল বাপ্পী,কপিলমুনি, খুলনা।

বাপ্পি গোলাম, ঢাকা।

www.bbc.com

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

37485818
Users Today : 6001
Users Yesterday : 5832
Views Today : 15598
Who's Online : 45
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design & Developed BY Freelancer Zone