শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৯:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বিচারের বাঁণী নিভৃতে কাঁদে তানোরে সাজানো মামলা নিয়ে তোলপাড়  ! দেশের প্রথম খানসামা থানায় করোনা যোদ্ধা কনস্টেবল নাজমুল হোসেন স্মৃতি লাইব্রেরীর ভিত্তি স্থাপন মসজিদ নির্মাণে অনুদান প্রদান নারীর স্বাবলম্বী ও স্বাধীনতার নামে পণ্য হিসেবে ব্যবহার! দায়ী কে? গাইবান্ধায় ধান মাড়াই মেশিনের চাপায় চালকের মৃত্যু এস এ চয়েস মিউজিকের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী  বরিশালে ভ্রাম্যমাণ আদাতের পৃথক অভিযানে জরিমানা বরিশালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ এলজিইডির প্রকৌশলীকে মারধর করলো ঠিকাদার যশোরের বেনাপোলে ভারতীয় গাঁজাসহ আটক ১ দেশে করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু রোজার মহিমায় মুগ্ধ হয়ে ভারতীয় হিন্দু তরুণীর ইসলাম গ্রহণ আজ জুমাতুল বিদা,তাই বিচ্ছেদের রক্তক্ষরণ চলছে মুমিন হৃদয়ে ! পুলিশকে চাঁদা দিয়ে না খেয়ে রোজা রাখলেন রিকশাওয়ালা ১৩৫ বছর বয়সেও খালি চোখে কোরআন তেলাওয়াত করেন সিলেটের তৈয়ব আলী

পাবনার সুজানগরে ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি

 

আর কে আকাশ, পাবনা থেকে: পদ্মা নদীর পানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় পাবনার সুজানগরে অসময়ে বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে নদীর পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
সেই সঙ্গে বন্যার পানিতে ডুবে গেছে বেশ কিছু কাঁচা, পাকা রাস্তাঘাট এবং ফসলী জমি।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার চরভবানীপুর, চরসুজানগর, চরমানিকদীর, চরবিশ্বনাথপুর, লক্ষীপুর, গোপালপুর, নিশ্চিন্তপুর, সাতবাড়ীয়া, নারুহাটি, ফকিতপুর, তারাবাড়ীয়া নতুনপাড়া, জামাইপাড়া, গুপিনপুর মাছপাড়া, রাইপুর ও মালিফা, ইন্দ্রোজিতপুর, কামারহাট, নওগ্রাম, উদয়পুর, মহনপুর, মহব্বতপুর, হাসামপুর, বরকাপুর, হুগলাডাঙ্গী, শ্রীপুর এবং চরখলিলপুরসহ প্রায় অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হয়ে গেছে।
এতে ওই সব গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম এবং মশিউর রহমান খান জানান।

উপজেলার চরবিশ্বনাথপুর গ্রামের জাহেদ আলী জানান, বন্যায় তার চারটি বসতঘরই ডুবে গেছে। সে ঘরের মধ্যে মাচান তৈরী করে পরিবারপরিজন নিয়ে অতি কষ্টে বসবাস করছেন।
বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী চরমানিকদীর গ্রামের ইউনুছ আলী জানান, বন্যায় তার বাড়ি-ঘরের পাশাপাশি একমাত্র টিউবওয়েলও ডুবে গেছে। এতে সে অন্যের বাড়ি থেকে পানি টেনে এনে খাচ্ছেন।
স্থানীয় ইউপি মেম্বার মানিক হোসেন জানান, বন্যায় বাড়ি-ঘরের পাশাপশি এলাকার কাঁচা-পাকা রাস্তা ডুবে গেছে। এতে বানভাসি মানুষ পানি ভেঙে দৈনন্দিন কাজ-কর্ম করছেন।
বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন গৃহপালিত পশু নিয়ে। গৃহপালিত পশু রাখার জায়গা সংকটসহ তীব্র গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে।

এ ছাড়া বন্যায় ওই সকল এলাকার শত শত একর আমন ধান, মাশকালাই এবং সবজি ডুবে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে বন্যাকবলিত গোপালপুর গ্রামের ভুক্তভোগী কৃষক আজাহার আলী ও খলিলুর রহমান জানান।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ময়নুল হক সরকার জানান, বন্যায় ৮০হেক্টর আমন, ২৭০হেক্টর মাশকালাই এবং ৩০হেক্টর সবজি ডুবে গেছে। এতে কৃষকের প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজিৎ দেবনাথ বলেন, বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে এবং আরো ত্রাণসামগ্রী চেয়ে সংমিশ্লষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

https://twitter.com/WDeshersangbad

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone