Home / সারাদেশ / প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পে দূর্নীতির অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পে দূর্নীতির অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রীর “জমি আছে ঘর নাই” আশ্রয়ন প্রকল্পে একই ব্যক্তির নামে তিন বার ঘর বরাদ্দ করাসহ একাধিক ব্যক্তির কাজ থেকে উৎকোচ দাবির অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়নের বড়বাশবাড়ীয়া গ্রামের মৃতঃ ধলু হালদারের ছেলে কবির হাওলাদার অভিযোগ দায়ের করেছেন।
দিনমজুর কবির হাওলাদার অভিযোগে জানান, নিজের বসত ঘর না থাকায় সরকারী ভাবে একখানা বসত ঘর বরাদ্দের জন্য ডেমা ইউনিয়ন পরিষদের আমার নামটি ১০৫ নম্বরে তালিকাভুক্ত ছিল। ডেমা ইউনিয়ন ০৯ নং বড়বাশবাড়ীয়া ইউপি সদস্য মোঃ রিপন হাওলাদার আমার নিকট ঘর বরাদ্দের জন্য ত্রিশ হাজার টাকা উৎকোচ দাবি করে। আমি ইউপি সদস্যর দাবিকৃত ত্রিশ হাজার টাকা উৎকোচ দিতে অস্বীকার করি। আমি এলাকায় বসবাস করি না চট্রগামে থাকি ইউপি সদস্যের দেওয়া এই মিথ্যা রিপোর্টের কারনে আমার নামে বরাদ্দকৃত ঘরটি কেটে যায়। তিনি আরো জানান,আমি দিনমজুর স্ব-পরিবারে নিজ বাড়িতে বসবাস করি। তিনি সঠিক তদন্ত পূর্বক সত্যতা প্রমান সাপেক্ষে তার নামে বরাদ্দকৃত ঘরটি ফিরে পাবার আহবান জানান।
এছাড়া এই প্রকল্পে বড়বাশবাড়িয়া গ্রামের মৃতঃ তোফায়েল উদ্দিন হাওলাদের ছেলে নুরুল আমিন হাওলাদারের নামে তিন বার ঘর বরাদ্দের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্তমান তালিকায় নুরুল আমিন হাওলাদারের নাম তালিকার ৭৫ নম্বরে রয়েছে। এর পূর্বেও তিনি এই প্রকল্পের দুই বার ঘর পেয়েছেন বলে অভিযোগে জানা যায়।
বড়-বাশবাড়িয়া গ্রামের মোসাঃ রজিনা বেগম বলেন, আমার বসতঘর না থাকায় সরকারী ভাবে ঘর দিচ্ছে শুনে আমি ইউপি সদস্য রিপন হাওলাদারকে জানাই। সে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে। আমার টাকা দেওয়ার সামথ্য না থাকায় আমি ঘর থেকে বঞ্চিত হয়েছি।
নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, এলাকার প্রভাবসালীদের ছত্র-ছায়ায় ইউপি সদস্য এধরনের কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকেন। এই ইউপি সদস্য ইতিপূর্বে দূর্নীতির দায়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক পদ থেকে বহিস্কৃত হয়েছেন। ইতিপূর্বে তার দ্বারা এলাকায় চাদা,মাদক,সন্ত্রাস,ঘের দখল,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজের প্রভাব খাটিয়ে জুয়ার ব্যবসার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এই অপকর্মের প্রতিবাদ করায় প্রধান শিক্ষককে নির্যাতন ও হামলার স্বীকার হতে হয়েছে।
এব্যাপারে ডেমা ইউনিয়ন ০৯ নং বড়বাশবাড়ীয়া ইউপি সদস্য মোঃ রিপন হাওলাদার জানান, ঘের সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এলাকার এক শ্রেনীর মাানুষ নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তিনি জানান, প্রকল্পের ঘরের লিষ্টে আমার কোন ভ’মিকা ছিল না। আমি ইউনিয়ন পরিষদের সেবার জন্য কারো কাজ থেকে কখনো কোন টাকা নেই নাই।

নিউজটি লাইক দিন ও আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

About jahir

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ঝিনাইদহে নতুন করে আরও ১৫ জন করোনায় আক্রান্ত

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহে নতুন করে আরও ১৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। ...